সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১০ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৯°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৬৫%বাতাস ২ কিমি/ঘ

বিলাসিতা’য় বছরে নষ্ট হয় ৬ লাখ টন চাল

দেশে বছরে ছয় লাখ ৩০ হাজার মেট্রিক টন চাল ‘বিলাসিতা’য় নষ্ট হয়। সামাজিক অনুষ্ঠান, গৃহস্থালি পর্যায়ে পরিবেশনসহ বিভিন্নভাবে এ অপচয় হয়। নষ্ট হওয়া এ চাল দিয়ে চার হাজারের বেশি মান

দেশে বছরে ছয় লাখ ৩০ হাজার মেট্রিক টন চাল ‘বিলাসিতা’য় নষ্ট হয়। সামাজিক অনুষ্ঠান, গৃহস্থালি পর্যায়ে পরিবেশনসহ বিভিন্নভাবে এ অপচয় হয়। নষ্ট হওয়া এ চাল দিয়ে চার হাজারের বেশি মানুষের সারা বছরের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব। একটু সচেতন হলেই বিপুল পরিমাণ এই চাল বিনষ্টের হাত থেকে বাঁচানো যায়। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) এক গবেষণায় এ তথ্য পাওয়া গেছে। সম্প্রতি সংসদীয় কমিটিতে দেশে চাল উৎপাদন ও ব্যবহার বিষয়ক গবেষণা তথ্যটি ডিজিটাল পদ্ধতিতে উপস্থাপন করেছে ব্রি।

জানা যায়, চালের চাহিদা নিরূপণে দুটি ভিত্তিকে বিবেচনায় নেওয়া হয়। এ দুটি হচ্ছে হিউম্যান কনজাম্পশন ও নন-হিউম্যান কনজাম্পশন। জনপ্রতি প্রতিদিনের খাবারসহ (ভাত) হিউম্যান কনজাম্পশন হচ্ছে মোট চাহিদার ৭৩ দশমিক ৭৮ শতাংশ। এর মধ্যে রোহিঙ্গাদের জন্য শূন্য দশমিক ৪৪ শতাংশসহ খাবার চাল ৬৬ দশমিক ৬৫ শতাংশ, মুড়ি ৫ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ, চিড়া শূন্য দশমিক ৯১ শতাংশ, খই শূন্য দশমিক ৩৬ শতাংশ, পিঠা ও বেকারি পণ্য শূন্য দশমিক ৮৬ শতাংশ। অপরদিকে নন-হিউম্যান কনজাম্পশন (বীজ ও পশুখাদ্যসহ বিবিধ ব্যবহার) খাতে চালের প্রয়োজন পড়ে ২৬ দশমিক ২২ শতাংশ। এর মধ্যে বীজ ১ দশমিক ৫২ শতাংশ, ফিড ও অন্যান্য ইন্ডাস্ট্রিয়াল খাতে ৫ দশমিক ১৫ শতাংশ, কর্তনকালীন ক্ষতি ৫ দশমিক ২০ শতাংশ, ফলোনোত্তর ক্ষতি ৭ দশমিক ১০ শতাংশ এবং প্রক্রিয়াজাতে ৭ দশমিক ২৫ শতাংশ।

গবেষণায় ব্রি বলেছে, দেশের মানুষ যে চাল খায় (হিউম্যান কনজাম্পশন) তার মধ্যে ৫ দশমিক ৫ শতাংশ গৃহস্থালি পর্যায়ে অপচয় হয়। অপচয়ের মধ্যে খাদ্য সংগ্রহ ও প্রস্তুতি পর্যায়ে ৩ শতাংশ, পরিবেশন পর্যায়ে ১ দশমিক ৪ শতাংশ এবং প্লেটে অপচয় ১ দশমিক ১ শতাংশ। গৃহস্থালি পর্যায়ে অপচয়ের প্রধান কারণ অজ্ঞতা ও বিলাসী মানসিকতা বলে ‘ব্রি’ তার গবেষণায় উল্লেখ করেছে।

ঢাকা ট্রিবিউনসূত্র

এগ্রোবিজ

সম্পর্কিত খবর

এগ্রোবিজ

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় ঢাকায় সরু ও মাঝারি চাল কেজিতে ৩ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়া এবং মোকামে ধানের চড়া দামের কারণে রাজধানীর খুচরা বাজারে দেড় সপ্তাহে সরু ও মাঝারি চালের দাম কেজিতে সর্বোচ্চ ৩ টাকা বেড়েছে; মোটা চালের দাম কিছুটা স্থিতিশীল।

ডেইলি অবজারভার১০ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোবিজ

এসএফআই২৭ কীভাবে ন্যায্য হবে, ইংল্যান্ডের কৃষকদের মত চাইছে এনএফইউ

২২ সেপ্টেম্বর কয়েক ঘণ্টায় এসএফআই২৬-এর বরাদ্দ ফুরিয়ে যাওয়ার পর কৃষক ইউনিয়ন চায় ২০২৭ সালের প্রকল্প আগেভাগে খুলুক, নিয়মিত আবেদনের সুযোগ থাকুক এবং যাঁদের পরিবেশ চুক্তি শেষ হচ্ছে তাঁরা অগ্রাধিকার পান।

Farmers Weekly১০ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

ম্যানিটোবার প্রথম নেট জিরো পরিকল্পনায় কৃষকের জন্য ৭৬ লাখ ডলার, সার ব্যবস্থাপনায় জোর

পরিকল্পনায় ৪আর কাঠামোয় দক্ষ সার ব্যবহার ও চলমান কৃষি কর্মসূচির ওপর ভর দেওয়া হয়েছে। তবে শস্য শুকানোর যন্ত্র দক্ষতা সহায়তা পাবে কি না এবং বাস্তবায়নে কৃষকের ওপর কী প্রভাব পড়বে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

Manitoba Co-operator১০ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)