মুলা বিক্রি করে উঠছে না পরিবহন খরচ
রাজশাহীতে মুলার ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না চাষিরা। ৩-৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে মুলা। পাইকারি বাজারে দাম না পেয়ে অনেক জায়গায় মুলা ফেলে রেখে চলে যাচ্ছেন চাষিরা।
রাজশাহীতে মুলার ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না চাষিরা। ৩-৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে মুলা। পাইকারি বাজারে দাম না পেয়ে অনেক জায়গায় মুলা ফেলে রেখে চলে যাচ্ছেন চাষিরা।
বিষমুক্ত ফল, সবজি আর বিশুদ্ধ নিঃশ্বাসের খোঁজে ছাদকৃষি গড়ে তুলেছেন ব্যাংক কর্মকর্তা মাসুদুল হাসান মাসুদ। ফ্ল্যাট বাসায় বসবাসের বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতাকে অতিক্রম করে কৃষিচর্চায় নিয়োজিত থেকে নানাভাবে উপকৃত হচ্ছেন তিনি। তবে নার্সারি থেকে বিভিন্ন উদ্ভিদের চারা সংগ্রহ নিয়ে সংশয় রয়েছে তার।
রাজশাহীর গোদাগাড়ীর কৃষকরা ক্ষেতে টমেটো বিক্রি করছেন ৫-৮ টাকা কেজি দরে। পাকা এসব টমেটো কয়েকটি হাত ঘুরে চলে যাচ্ছে রাজশাহীসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে। তবে হাত বদলাতেই দাম বাড়ছে টমেটোর। রাজশাহীর খোলা বাজারে প্রতিকেজি টমেটো বিক্রি হচ্ছে ২৫-৩০ টাকায়।
ক্রমে কঠিন হয়ে উঠছে নাগরিক জীবন। রাজধানী ঢাকার জীবনযাত্রায় বিগত কয়েক বছরে এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন। বছরের শুরুতেই একগাদা খরচের চাপ আসে জগদ্দল পাথরের মতো। বাসাভাড়া, সন্তানের পড়াশোনার খরচ বাড়েই। সঙ্গে যোগ হয় মূল্যস্ফীতি কিংবা ভ্যাট-ট্যাক্স, গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বাড়া, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অবস্থা সংক্রান্ত কার
বিপুল পরিমাণ টমেটো উৎপাদন হয় রাজশাহীর পদ্মার চরে। সে হিসেবে লাভবান হওয়ার কথা চাষিদের। কিন্তু হচ্ছেটা বিপরীত। পরিবহন খরচ পড়ে যাচ্ছে বেশি। ফলে আশানুরূপ লাভ করতে পারছেন না চাষিরা।
শীতকালীন রঙিন সবজি হিসেবে স্যাভয় ক্যাবেজ, বেগুনি ব্রকলি ও জুকিনি/স্কোয়াশের দেশীয় জাত উদ্ভাবনে কাজ করছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ ও তার গবেষক দল।
শাকসবজিরাজশাহী ডিএইর হিসাবে ২০২৪-২৫ মৌসুমে গোদাগাড়ীতে ২,৬৭০ হেক্টরে টমেটো চাষ হয়, লক্ষ্যমাত্রা ৭৪ হাজার ৭৬০ টন; সাত বছরে আবাদ কখনো বেড়েছে, কখনো কমেছে, আর কৃষকেরা এর কারণ হিসেবে দামের ওঠানামার কথা বলেন।
ভিটামিন বা খাদ্যপ্রাণ হলো জৈব খাদ্য উপাদান। সাধারণ খাবারে খুবই অল্প পরিমাণে ভিটামিন থাকে। আর তাতেই দেহের স্বাভাবিক পুষ্টি ও বাড়াতে সহায়তা করে। এমনকি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। দেহে ভিটামিন বা খাদ্যপ্রাণের অভাবে বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বাড়ে।
শীতকালে সবজির দাম কমে যায়। প্রচুর সবজিও পাওয়া যায় এ মৌসুমে। ফলে জমিতেই নষ্ট হয় অনেক সবজি। কষ্টের ফসল নষ্ট করতে বাধ্য হোন চাষিরা। তাতে লাভের বদলে লোকসান গুনতে হয় তাদের। একবার ভেবে দেখুন, শীতকালীন এই সবজি যদি সারাবছর খাওয়া যেতো, তাহলে কেমন হতো?
এবার শীতকালীন সবজি ফুলকপির ভালো ফলন হলেও দাম পাচ্ছেন না মেহেরপুরের কৃষকরা। উৎপাদিত সবজির কাঙ্ক্ষিত দাম না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়েছেন জেলার চাষিরা। বিক্রি করে পরিবহন ও শ্রমিক খরচের টাকাও উঠছে না। ক্রেতা কম থাকায় বেশিরভাগ সবজিই নষ্ট হচ্ছে জমিতে। অনেকে রাগে-ক্ষোভে ক্ষেতেই সবজি নষ্ট করে ফেলছেন।
শীতকালীন সবজির মধ্যে মুলা ও ফুলকপির বাম্পার ফলন হলেও এর দাম পাচ্ছেন না জয়পুরহাটের কৃষকরা। এতে হতাশায় ভুগছেন তরা। বাজারে মুলার দাম কমে এখন প্রতিমণ বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৪০ টাকায়, আর প্রতি ফুলকপির পিস বিক্রি হচ্ছে ২ টাকায়।
মানিকগঞ্জের তিল্লি, চরতিল্লি ও পারতিল্লি এলাকায় মাঠের পর মাঠে হচ্ছে বেগুন চাষ। এখানকার মাটি ও আবহাওয়া বেগুন চাষের উপযোগী হওয়ায় বাম্পার ফলন পাচ্ছেন কৃষকেরা। বাজারেও ভালো দাম পেয়ে এখন কৃষকের চোখেমুখে আনন্দের ঝিলিক। তাই প্রতিনিয়তই বাড়ছে বেগুন চাষ।
শাকসবজিমাচায় দ্রুত বাড়ে, বারবার কেটে খাওয়া যায় পুঁইশাক। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে প্রকাশিত এই নির্দেশিকায় আছে বারির জাত, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দেওয়া বপনের সময়, বীজের হার, দূরত্ব, সার ও বালাই দমনের পরামর্শ এবং কতটা ফলন আশা করা যায়।