ফসলমিরসরাইয়ে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি আউশ ধান উৎপাদন
# ভালো ফলন হওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি# উপজেলায় ৫ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে আউশ চাষ# ধান উৎপাদন হয়েছে ২৮ হাজার ১৮ মেট্রিক টন# চাল উৎপাদন হয়েছে ১৮ হাজার ৬৭৯ মেট্রিক টন
ফসল# ভালো ফলন হওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি# উপজেলায় ৫ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে আউশ চাষ# ধান উৎপাদন হয়েছে ২৮ হাজার ১৮ মেট্রিক টন# চাল উৎপাদন হয়েছে ১৮ হাজার ৬৭৯ মেট্রিক টন
ফলকলা চাষে সফল হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের বাসিন্দা প্রবাস ফেরত নুরুল মোস্তফা (৫০)। দীর্ঘসময় প্রবাসে থেকে অসুস্থ হয়ে দেশে ফিরে এসেছেন। ফলে ৩ বছর আগে বাড়ির অদূরে ৫০টি চারা দিয়ে কলা চাষ শুরু করেন। অন্য চাষাবাদের পাশাপাশি কলা চাষ করে ভালো আয় করছেন।
ফসলআউশ ধানের মৌসুমে বোরো ধান চাষ করে সাড়া ফেলেছেন ডা. শফিকুল ইসলাম। এ মৌসুমে বোরো ধান চাষ করে বাম্পার ফলনও পেয়েছেন। তিনি টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার কুড়িবাড়ি এলাকার বাসিন্দা। তিনি ভোলা সদর হাসপাতালে মেডিকেল অফিসার হিসেবে কর্মরত।
মৎস্যবয়স ২২ বছর। গাছপালার প্রতি শখ ছোটবেলা থেকেই। সেই শখকে এখন করেছেন আয়ের উৎস। গড়ে তুলেছেন নার্সারি। আর নার্সারি থেকে মাসে আয় করেন ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা। এই টাকা দিয়ে নিজে পড়াশোনা করেন, ছোটবোনকে পড়ান। এমনকি পরিবারেও অর্থনৈতিক অবদান রাখেন। বলছি মাফিজুল হাসান মাছুমের কথা। তিনি বগুড়ার সোনাতলার উত্তর আটকড়িয়
ফসলকোনো প্রকার জমি চাষাবাদ বা রোপণ প্রক্রিয়া ছাড়াই খুলনার রূপসায় কাটা ধানের শীষ থেকে ঝরে পড়া বীজ থেকে ধান উৎপাদন করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন কৃষক সুলতানুর রহমান। তার এই সাফল্য দেখে তার অনুকরণে চাষাবাদ করতে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন এলাকার অন্যান্য কৃষকরা। সুলতানের কাজে সার্বিক সহযোগিতা করেছেন উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা
পরিবেশওষুধি গুণসম্পন্ন ধান চাষ করে এলাকায় ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছেন যশোরের শার্শার জিয়াউর রহমান। ইন্টারনেটের মাধ্যমে দেখে কৃষক জিয়াউর রহমান বগুড়া ও ফেনী থেকে এ ধান বীজ সংগ্রহ করে চাষ শুরু করেন। এ ধান গাছ দেখতে প্রতিদিনই ছুটে আসছেন অসংখ্য মানুষ। কৌতূহল জাগানো কালো প্রজাতির ধানের বিষয়ে মানুষের আগ্রহ থাকায় ছবি ত
ফলফরিদপুরের বোয়ালমারীতে বারোমাসি কাটিমন থাই জাতের আম চাষ করে সফল হয়েছেন নাঈমুল হাসান শামিম। পড়ালেখা শেষ করে চাকরির পেছনে না দৌড়ে সারাবছর আম চাষ করে রীতিমতো তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। জেলার মধ্যে তিনিই প্রথম এ জাতের বড় আম বাগানের মালিক। তার বাগান দেখে অনেকেই আগ্রহী হয়ে উঠেছেন বারোমাসি আম চাষে।
ফল# ইয়েলো গোল্ড, ব্ল্যাকবেরি ও তৃপ্তি জাতের তরমুজ চাষ# চার টন তরমুজ উৎপাদনের টার্গেট# গ্রীষ্মকালীন তরমুজ চাষে সফল ইকবাল হোসেন সোহেল# ৩ থেকে সাড়ে ৩ লাখ টাকার তরমুজ বিক্রি করা সম্ভব
এগ্রোবিজকুড়িগ্রামের রাজারহাটে লেবু চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন অধীর চন্দ্র রায় (৫৩)। বাজার থেকে ২৫ টাকার ৪টি লেবুর চারা কেনেন। পরে পর্যায়ক্রমে মোট ৬৫ শতক জমিতে প্রায় ১০০ চারা লাগিয়েছেন। পরিবারের চাহিদা মেটানোর পর বাজারে বিক্রি করে বছরে দেড় থেকে ২ লাখ টাকা আয় করেন তিনি। সফল এ লেবু চাষির বাড়ি কুড়িগ্রাম সদর উপজে
শাকসবজিপ্রত্যন্ত গ্রামের স্নাতক পড়ুয়া আব্দুল মোমিন (২৩)। অভাবের সংসারে হাল ধরতে এবং নিজে কিছু করার জন্য মাশরুম চাষকে বেছে নেন। চাকরির পেছনে না ছোটা এ তরুণ বছর ঘুরতেই সফলতার দেখা পান। তবে খুব সহজে এ সফলতা আসেনি। এজন্য করতে হয়েছে অক্লান্ত পরিশ্রম। বর্তমানে তিনি মাশরুম বিক্রি করে মাসে প্রায় ৪০ হাজার টাকা আয় ক
ফল'টাকার জন্য যখন ছেলের চিকিৎসা ঠিকমতো করাতে পারিনি; তখন বুঝেছি অভাব কী! এখন খাওয়া, পরা এবং ছেলের চিকিৎসা; কোনো কিছুর জন্যই কারো কাছে হাত পাতা লাগে না। ড্রাগন ক্ষেত আমার জীবন বদলে দিয়েছে।' এভাবেই জীবন বদলের গল্প বললেন সংগ্রামী নারী উদ্যোক্তা চম্পা বেগম।
ফসলপার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটির লংগদুতে প্রথমবারের মতো পরীক্ষামূলক বিদেশি ফল রাম্বুটান চাষ করে সফলতা পেয়েছেন স্থানীয় তরুণ নাজমুল হোসেন। উপজেলার বগাচতর ইউনিয়নের মহাজন পাড়া এলাকায় নিজ বাড়িতে পরীক্ষামূলক ৩২টি রাম্বুটানের চারা রোপণ করেন।
ফলফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় ড্রাগন চাষ করে তানভীর আহমেদ নামের এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সাফল্য অর্জন করেছেন। তার ড্রাগন চাষ দেখে এলাকার অনেক শিক্ষিত বেকার যুবক উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন। তানভীর আহমেদ উপজেলার নাসিরাবাদ ইউনিয়নের ভদ্রকান্দা গ্রামের রশিদ হাওলাদারের ছেলে। তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকোত্তর প