ভিডিওকাতারে প্রবাসী বাংলাদেশী কৃষকের কথা আর দূতাবাসের কর্মকাণ্ড
কাতারে প্রবাসী বাংলাদেশী কৃষকের জন্য কী করছে দূতাবাস?
ভিডিওকাতারে প্রবাসী বাংলাদেশী কৃষকের জন্য কী করছে দূতাবাস?
চাঁপাইনবাবগঞ্জবাংলাদেশের একটি পরিচিত ফল বেল। আমাদের দেশের প্রায় সকল জায়গাতেই বেল কিনতে পাওয়া যায়। আজ আপনাদের আমি এক বিশেষ জাতের বেল গাছের সাথে পরিচয় করিয়ে দিব। যে গাছে এক একটি বেলের ওজন হয় ১০ কেজি।
ভিডিওকাতারে নতুন কৃষি বিপ্লবের জন্ম দিয়েছেন প্রবাসী বাঙালিরা। একসময় বিভিন্ন শ্রমঘন কাজে যুক্ত থাকলেও এখন কৃষিকে ঘিরে বিপুল সম্ভাবনা দেখছেন তারা। বলছেন, বাংলাদেশ সরকারের আনুকুল্য পেলে বহুদূর এগিয়ে যেতে পারবেন তারা।
ভিডিওবাংলাদেশের ফরিদপুরের মোহ. হায়াৎ আলী ও বেগম মারুফা হায়াৎ ২০০৫ সালে আমেরিকায় পাড়ি জমান। তারা থাকেন নিউইয়র্কের নিউবার্গ এলাকায়। এখানে কমিউনিটি গার্ডেনিং এর সঙ্গে তারা যুক্ত হয়েছেন অন্যান্য জাতিগোষ্ঠির প্রতিবেশিদের সঙ্গে।
ভিডিও
ভিডিওমনে হতে পারে সদ্য নির্মিত এক মুঘল স্থাপনা। শ্রীপুরের প্রত্যন্ত ভাংনাহাটি গ্রামের শুশশান নিরবতার ভেতর টানা কয়েক বছরের নির্মাণ তৎপরতার পর মুসুল্লিরা উপহার পেয়েছেন এই বিশাল মসজিদ। প্রাচীন ও আধুনিক স্থাপনার সংমিশ্রণে এক অনবদ্য নির্মাণশৈলী রয়েছে মসজিদের প্রতিটি অংশ জুড়ে।
ভিডিওমার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়াতে গত এক বছর হলো বসবাস করছেন বাংলাদেশের সাতক্ষিরা জেলার এম. খালেকুজ্জামান ও মনসুরা আসমা দম্পতি। দেশপ্রেম অন্তরে লালন করে প্রবাসের নিজ আঙ্গিনায় অনুশীলন করছেন দেশিয় শাকসবজি ও ফল ফসলের।
ভিডিওবাংলাদেশের আতাউর রহমান ও রেজিনা দম্পত্তি কানাডাতে এসেছেন ১৯৯৬ সালে। তারপর ২০০২ সালে টরন্টোর স্কারবোতে বসতি গড়েছেন। নিজ বাড়ির আঙিনায় করছেন দেশিয় ফল ফসলের অনুশীলন।
ভিডিওবাংলাদেশের ডা. কামরুল ইসলাম ২০০২ সালে কানাডা এসে নিজের পেশা ছেড়ে ব্যবসায়ী হয়ে উঠেছেন। তারপর হতে বসবাস করছেন টরন্টোর স্কারবোতে। স্থানীয় প্রবাসী বাঙালির আঙিনা কৃষি আায়োজন তাকে অনুপ্রাণিত করেছে আঙিনা কৃষি চর্চায়।
ভিডিওবাংলাদেশের নেত্রকোনা থেকে আসা আশরাফ তালুকদার লিটন ও মাহমুদুন্নেছা শাওন দম্পত্তি আমেরিকা রয়েছেন ১৯৯৪ সালে। নিউইয়র্কের লং আইল্যান্ডে নিজের বাড়িতে উঠেছেন ২০১৪ সাল থেকে। ঠিক তখন থেকেই তারা চর্চা করছেন আঙিনা কৃষির। বাড়ির আঙিনা জুড়ে সেজে আছে পুঁইশাক, ঢেঢ়শ, কচুশাক, বেগুন, মরিচ, টমেটো, লাউ, শসা, লালশাক, বরব
ভিডিওঢাকার যাত্রাবাড়ির সন্তান মেজবাহ উদ্দিন আহমদে ও সামিয়া জাহান আমেরিকার পেনসিলভেনিয়াতে বসবাস শুরু করেন ২০১০ সালে। দেশিয় শাক সবজির স্বাদ গ্রহণে তখনই তারা অল্প পরিসরে শুরু করেন আঙিনা কৃষি।
ভিডিওস্বাধীনতার ৫০ বছর। মহাকালের হিসেবে খুব দীর্ঘ নয়। কিন্তু চড়াই উৎরাই পেরুনোর হিসাব কষলে এমন একটি পরিণত বয়স আমাদের গর্বি ত করে। বহু ত্যাগ তিতিক্ষার ভেতর দিয়ে স্বাধীনতা অর্জনের পরও মানুষের সংগ্রাম থেমে নেই। বহু সংগ্রামের পেরিয়েই আজকের বাংলাদেশে পৌঁছেছি আমরা।
কৃষিকে পর্যটনের বাস্তবে রূপ দিয়েছেন কলেজ পড়ুয়া ছাত্রী। ঢাকা শহরের প্রাণকেন্দ্রে গড়ে তুলেছেন দেশি-বিদেশি শতাধিক প্রকার ফুলে শোভিত গাছে ঘেরা রেস্তোরা। এর উদ্যোক্তার এখন স্বপ্ন তার এ উদ্যোগকে আরও বহুদূর এগিয়ে নেওয়ার।