ফলকাঁচা নাকি পাকা কোন কলায় পুষ্টি বেশি?
কলার স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে কমবেশি সবারই ধারণা আছে। এই ফলে আছে অত্যন্ত জরুরি কিছু খনিজ, ভিটামিন, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও ফাইবারের ভাণ্ডার। তাই শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত কলা খেতে পারেন।
ফলকলার স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে কমবেশি সবারই ধারণা আছে। এই ফলে আছে অত্যন্ত জরুরি কিছু খনিজ, ভিটামিন, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও ফাইবারের ভাণ্ডার। তাই শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত কলা খেতে পারেন।
ফলবাজারে আপেলের কেজি ২০০ টাকা বা তার বেশি। সেই আপেলের দাম চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলামে উঠেছে কেজিপ্রতি ২০ টাকা। অথচ আপেলের সংরক্ষিত দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬৬ টাকা কেজি।
ফলচলছে আমড়ার মৌসুম। বাজারে এখন আমড়া বেশ সহজলভ্য। ভিটামিন সি'তে ভরা এই ফলের স্বাদ টক-মিষ্টি। যা খেতে ছোট-বড় সবাই পছন্দ করেন কমবেশি। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ফলের স্বাস্থ্য উপকারিতা অনেক।
ফলদেশের ইতিহাসে সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে ডেঙ্গু। ফলে রোগীদের সেবায় বেড়েছে ফলের চাহিদা। আবার সর্বকালের সবচেয়ে বেশি দাম উঠেছে ডলারের। এ কারণে আমদানিতে খরচ বাড়ছে হু হু করে। বাড়তি চাহিদা আর আমদানির চড়া খরচ, দুয়ে মিলে প্রায় সব ফলই রেকর্ড গড়েছে দামে। ফলের চড়া দামে অসহায় সাধারণ মানুষ। এমন পরিস্থিতিতে প্রয়োজন হলেও
ফলতাল দিয়ে বিভিন্ন ধরনের পিঠা তৈরি করা যায়। তার মধ্যে অন্যতম হলো হড়গড় পিঠা। সামান্য কয়েকটি উপকরণ দিয়ে ঘরে তৈরি করতে পারবেন এই পিঠা। খুবই সুস্বাদু গড়গড় পিঠা তৈরির জেনে নিন-
ফলআব্দুল জব্বার পেশায় একজন কলেজশিক্ষক। তবে আমের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত কয়েক যুগ ধরে। গত ৫-৬ বছর থেকে আম ব্যবসায় লোকশান গুনছিলেন তিনি। তাই জিআই স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ফজলি আমের বাগান কেটে আনারসের চাষ শুরু করেছেন তিনি।
ফলডেঙ্গুর প্রকোপে পাকা পেঁপের চাহিদা বেড়েছে। রাজধানীতে স্থানভেদে দেশি জাতের এ পেঁপের কেজি ৮০-১০০ টাকার মধ্যে। তবে ভিন্নচিত্র রাজধানীর মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে। সেখানে পেঁপের কেজি হাঁকা হচ্ছে ১৫০ টাকা। দর-দামে ৫-১০ টাকা কম রাখলেও ১৪০ এর নিচে নামছেন না বিক্রেতারা। দাম বেশি হওয়ায় ফিরে যাচ্ছেন
ফলএম মাঈন উদ্দিন, থাইল্যান্ড থেকে
ফলআমের বাণিজ্যিক রাজধানী নওগাঁর সাপাহারে কয়েক সপ্তাহ আগেও দাম তুলনামূলক কম ছিল। তবে মৌসুমের শেষ পর্যায়ে এখন বাজার ঊর্ধ্বমুখী।
ফল'বাংলার আপেল' খ্যাত দক্ষিণাঞ্চলের পেয়ারার দেখা মেলে আষাঢ়, শ্রাবণ ও ভাদ্র মাসে। এ তিন মাসে বদলে যায় ঝালকাঠি, বরিশাল ও পিরোজপুরের ৫৫ গ্রামের চিত্র। এসময় খাল-বিল-নদী-নালায় পানি থই থই করে। সেই পানিতে বসে ভাসমান পেয়ারার বাজার। চাঙা হয় গ্রামীণ অর্থনীতি। তবে এবার পেয়ারার ফলন কম হয়েছে বলে জানিয়েছেন চাষিরা।
ফলদই খেতে পছন্দ করেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন! গরমে ঠান্ডা ঠান্ডা এক কাপ দই মুহূর্তেই প্রাণ জুড়ায়। বিভিন্ন উৎসব-আয়োজন থেকে শুরু করে মিষ্টিমুখ করতে দইয়ের বিকল্প নেই।
ফলপদ্মা সেতু চালু হওয়ার সুবাদে সড়কপথে সকালের পেয়ারা বিকেলের মধ্যেই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে যায়। ভাসমান পেয়ারা বাজার বিখ্যাত থাকলেও পেয়ারা রাজ্যের সবচেয়ে বড় মোকাম ভীমরুলীতে। সেখানে প্রবেশের পথে পথে রাস্তার পাশের খালেই নৌকায় পেয়ারার পসরা নিয়ে পাইকারদের কাছে তুলে দিচ্ছেন বিক্রেতারা। প্রতি
ফলমধুমাস (জ্যৈষ্ঠ) শেষ হয়েছে দেড়মাস আগেই। এ মধুমাস ঘিরে দেশে যেসব ফল পাওয়া যায়, তার প্রায় সবই ফুরিয়েছে। এখন মিলছে শুধু আম-কাঁঠাল। কাঁঠালও একেবারে শেষ দিকে। বাজারে মিলছেও কম। তবে কিছুটা ভিন্ন চিত্র আমের ক্ষেত্রে। মৌসুমের একেবারে শেষদিকেও বাজারে এখনো আমের সরবরাহ ভালো। আম্রপালি ও বারি জাতের কল্যাণে এখনো