প্রবাসফেরত আলমগীরের সবুজ উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার গল্প
দীর্ঘ প্রবাসজীবন শেষে দেশে ফিরে ছাদকৃষিতে বাণিজ্যিক সম্ভাবনার দৃষ্টান্ত গড়েছেন নরসিংদীর সাহেপ্রতাব এলাকার আলমগীর হোসেন। বাড়ির ছাদকে তিনি পরিণত করেছেন ফল ও বিভিন্ন ফসলের সবুজ উদ্যোনে।
দীর্ঘ প্রবাসজীবন শেষে দেশে ফিরে ছাদকৃষিতে বাণিজ্যিক সম্ভাবনার দৃষ্টান্ত গড়েছেন নরসিংদীর সাহেপ্রতাব এলাকার আলমগীর হোসেন। বাড়ির ছাদকে তিনি পরিণত করেছেন ফল ও বিভিন্ন ফসলের সবুজ উদ্যোনে।
নগরকে আরও বাসযোগ্য ও সবুজ করে তুলতে অনেকেই ছাদে গড়ে তুলছেন কৃষির আয়োজন। এসব ছাদকৃষি থেকে মিলছে ফুল, ফল ও ফসলের চাহিদা। তবে উদ্যোক্তাদের দাবি, টেকসই নগর গড়তে নগর পরিকল্পনায় ছাদকৃষিকে অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন।
ঢাকার মিরপুর শেওড়াপাড়ায় এক ছাদে গড়ে উঠেছে ব্যতিক্রম এক প্রাণিসম্পদ খামার। সৌখিন কবুতর, বিদেশি মুরগি, ছাগলসহ নানা প্রাণীর সঙ্গে রয়েছে এক টুকরো ফলদ ছাদকৃষিও।
লাইভস্টকছাদ, বারান্দা ও ছোট খোপে কবুতর পালন অল্প পুঁজির আয়ের উৎস হয়ে উঠছে বলে ২০২৬ সালের ৫ মে জাগো নিউজের এক ফিচারে বলা হয়; খামারিদের বরাতে উন্নত জাতের জোড়া ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা বা তার বেশি দামে বিক্রি হয়।
রাজধানীর এক ছাদে গড়ে উঠেছে এক অনন্য সবুজ ছাদকৃষি। প্রায় তিন হাজার বর্গফুটের এই ছাদটি রূপ নিয়েছে এক পরিপূর্ণ ফসলি উদ্যানে।
ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে বাড়ির তিনতলা ছাদে বাগান করেছেন আকাশ সাহা নামে এক তরুণ। তাদের ১ হাজার ৮০০ বর্গফুট বাড়ির ছাদে বিভিন্ন প্রজাতির বিভিন্ন রঙের মরুর গোলাপ অ্যাডোনিয়াম ফুল ফুটেছে। এ ছাড়া বিরল প্রজাতির বিভিন্ন জাতের ফুলের গাছসহ অন্তত কয়েক হাজারের বেশি গাছ আছে। গাছটির আদি নিবাস দক্ষিণ আফ্রিকার পূর্ব মর
ইউরোপের বেলারুশ থেকে বাংলাদেশে এসে তিন দশকেরও বেশি সময় বসবাস করছেন ইমরান। ভাষা ও সংস্কৃতি আলাদা হলেও বাংলাদেশের মাটি, পানি, বাতাস আর মানুষের সঙ্গে গড়েছেন আত্মিক বন্ধন। এই দেশের কৃষি ও প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা থেকে নিজ ভবনে গড়েছেন ছাদকৃষি।
গণমাধ্যমের অনুপ্রেরণায় ছাদকৃষিতে যুক্ত হচ্ছেন দেশের অনেক তরুণ-তরুণী। বন্দরনগরী নারায়ণগঞ্জের কাওছার আহমেদও তেমন একজন তরুণ ছাদকৃষি উদ্যোক্তা, যিনি শহরের মাঝে সুউচ্চ ভবনের উপরে গড়েছেন ছাদকৃষি। বিস্তারিত জানাচ্ছেন শাইখ সিরাজ।
কলকারখানা আর বাণিজ্যের শহর নারায়ণগঞ্জ। প্রতিদিন হাজারো মানুষের পদচারণায় আর শিল্পায়নের চাপে দিনে দিনে এখানকার পরিবেশ অনেকটাই হুমকির মুখে পড়ছে। তবে এই সংকটের মাঝেও আশা জাগাচ্ছেন ছাদকৃষি উদ্যোক্তারা।
এক সময়ের পড়ে থাকা শহরের ছাদগুলোই এখন ভরে উঠছে গাছগাছালি আর ফল-ফসলে। চোখ জুড়ানো এই সবুজ শুধু সৌন্দর্য নয়, নগরবাসীদেরকে এনে দিচ্ছে নিরাপদ খাদ্য আর মানসিক প্রশান্তি।
আধুনিক প্রযুক্তি আর সচেতন পরিকল্পনা থাকলে ছাদের উপরেও যে গড়ে তোলা যায় সবুজের সফল কৃষিক্ষেত্র, তা প্রমাণ করে দেখাচ্ছেন ঢাকার উত্তরার আব্দুর রশীদ। অল্প জায়গায়, নান্দনিক বিন্যাসে, তিনি ফলাচ্ছেন নানা জাতের সবজি ও ফসল। নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের পাশাপাশি তার ছাদটি পরিণত হয়েছে অবসর কাটানোর ঠিকানা।
ছাদকৃষিঢাকার ডেমরার বক্সনগর, যেখানে একসময় ছিল খোলা মাঠ আর সবুজের আধিক্য, আজ সেখানে কংক্রিটের দাপট। কিন্তু এই নগর বাস্তবতার মাঝেই ব্যতিক্রম গড়ে তুলেছেন উদ্যোক্তা শাহ আলম। প্রায় ২২০০ বর্গফুট ছাদজুড়ে তিনি তৈরি করেছেন একটি পরিকল্পিত কৃষিক্ষেত্র, যেখানে চাষ হচ্ছে শতাধিক প্রজাতির ফল, মৌসুমি সবজি ও সৌখিন গাছ।
শাকসবজিপ্রায় পাঁচ বছর আগে শখের বশে নাজমুন নাহানের গড়া ছাদ বাগান থেকে ঢাকার বসুন্ধরার পরিবারটি প্রায় প্রতিদিনই তাজা সবজি পাচ্ছে বলে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে জাগো নিউজ জানায়।