দুর্বৃত্তের কীটনাশকে নষ্ট ৪০ বিঘা বীজতলা
দিনাজপুরের হাকিমপুরে পূর্ব শুত্রুতার জেরে ওসমান আলী নামে এক কৃষকের ৪০ বিঘা জমির বোরো বীজতলা কীটনাশক প্রয়োগে নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই কৃষক বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
দিনাজপুরের হাকিমপুরে পূর্ব শুত্রুতার জেরে ওসমান আলী নামে এক কৃষকের ৪০ বিঘা জমির বোরো বীজতলা কীটনাশক প্রয়োগে নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই কৃষক বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
মৌলভীবাজারে কনকনে শীতকে উপেক্ষা করেই বোরো ধান আবাদে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন কৃষকরা। সকাল দুপুর শীতে জবুথবু হয়ে মাঠে বোরো ধানের চারা রোপণের কাজ করছেন তারা। চারা রোপণের পাশাপাশি চলছে জমি তৈরির কাজও।
উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা নওগাঁয় ঘন কুয়াশা ও শৈত্যপ্রবাহে ইরি-বোরোর বীজতলা নষ্ট হচ্ছে। গত বছরের শেষ সপ্তাহ থেকে হঠাৎ করে শীতের তীব্রতা বাড়তে থাকে। এরপর কয়েকদিন থেকে ঘন কুয়াশার সঙ্গে বইতে থাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। এর ফলে ধানের বীজতলার ক্ষতি হচ্ছে।
ঝালকাঠির বিস্তীর্ণ মাঠে যতদূর চোখ যায় সোনালি ধানের সমাহার। নতুন ধানের মৌ মৌ গন্ধে মাতোয়ারা চারপাশ। পাকা আমন ধানের ক্ষেতে নানা রঙের পাখিদের ওড়াউড়ি। পৌষের শীত ও কুয়াশা ভেদ করে ওঠা হালকা রোদ গায়ে মেখে পরম আনন্দে ধান কাটছেন কৃষক। একই সঙ্গে চলছে ধান মাড়াই, শুকানো ও ভাঙানোর কাজ। কৃষকের পাশাপাশি এ কাজে ব্য
ষড়ঋতুর হিসেবে পৌষ-মাঘ শীতের ঋতু। এখন দেশে বইছে পৌষের শীত। তবে, এ মাসের শুরুর দিকে শীতের তীব্রতা তেমন অনুভব না হলেও শেষদিকে এসে কাঁপছে গোটা দেশ, বইছে শৈত্যপ্রবাহ। এ সময়ে অনেকে বোরো ধানের জন্য তৈরি করছেন বীজতলা। আর এ বীজতলার যত্ন কীভাবে নেবেন বা কোন প্রযুক্তি সুবিধাজনক হবে চাষিদের সেই পরামর্শ দিয়েছে
বোরো মৌসুমে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি উভয় ধানের জাত চাষ করে চাষিরা। সেক্ষেত্রে ধানের সঠিক সার ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত তথ্য জানিয়েছে কৃষি তথ্য সার্ভিস।
নওগাঁর বাজারে বাড়তে শুরু করেছে ধানের দাম। গত ১৫ দিনের ব্যবধানে প্রতিমণ ধানে বেড়েছে ৫০ থেকে ৮০ টাকা।
সারাদেশে ঘন কুয়াশা পড়া শুরু হয়েছে। এ কুয়াশা আগামী শুক্রবার (৬ জানুয়ারি) পর্যন্ত অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা প্রবল। এমতাবস্থায় কৃষকদের জন্য ধান গাছের বৃদ্ধির পর্যায়ে করণীয় নিয়ে পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি)।
বোরো ধান ফসলের জন্য কৃষকদের করণীয় জানিয়েছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। সংস্থাটি বলছে, বোরো রোপণের জমিতে প্রয়োজনীয় সার সঠিক মাত্রায় প্রয়োগ করতে হবে। কৃষকরা ধানের চারা লাইন করে রোপণ করবেন। চারা রোপণের সময় বেশি ঘন করে রোপণ না করে আট ইঞ্চি X ছয় ইঞ্চি দূরত্বে চারা রোপণ করবেন।
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটে (ব্রি) প্রথমবারের মতো ধানক্ষেত থেকেই আক্রান্ত ধান গাছের ছবি অ্যাপে পাঠানোর মাধ্যমে রোগবালাই চিহ্নিতকরণের লক্ষ্যে 'রাইস সল্যুশন' নামে মোবাইল অ্যাপ উদ্বোধন করা হয়েছে। এটি একটি সেন্সরভিত্তিক ধানের বালাই ব্যবস্থাপনা।
দিনাজপুরে শীতের তীব্রতা বাড়তে শুরু করেছে। যার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে কৃষিতে। তীব্র শীত আর ঘন কুয়াশায় ইরি-বোরো বীজতলার চারা হলুদ ও লালচে রঙ ধারণ করে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। সেজন্য আলুক্ষেত নেট দিয়ে এবং ইরি-বোরো ধানের বীজতলা পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখছেন কৃষকরা।
চলছে পৌষের শীত। জমিতে দোল খাচ্ছে শস্য। কৃষক তার আন্তরিকতা দিয়ে চেষ্টা করছেন সুস্থ-সবল ফসল উৎপাদনের। এই সময়ে কিছু নিয়ম-কানুন মেনে চললে ফসলের মাঠে কৃষকের হাসি ফুটে উঠবে অচিরেই। আসুন জেনে নিই সুস্থ-সবল চারা পেতে করণীয় সম্পর্কে—
বোরো ধানের কোন অবস্থায়, কী পরিমাণ পানির রাখা উচিত সে বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছে কৃষি তথ্য সার্ভিস। সংস্থাটি বলছে, ধান গাছ কোনো জলজ উদ্ভিদ নয়, তবে পানি বেশি পছন্দ করে। এজন্য সারাক্ষণ পানিতে ভাসিয়ে জমি টইটম্বুর করে রাখা ঠিক নয়। ক্ষেতে পানি বেশি হলে বিভিন্ন ছত্রাকজনিত রোগ, রোগের জীবাণু ছড়ায়, গাছের বৃ