মৎস্যপদ্মায় ভরা মৌসুমেও ধরা পড়ছে না ইলিশ
চলছে ইলিশের ভরা মৌসুম। কিন্তু পদ্মা যেন ইলিশ শূন্য। ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার পদ্মা নদীতে জেলেদের জালে ধরা পড়ছে না ইলিশ। দিন-রাত পদ্মায় জাল ফেলেও ফিরছেন শূন্য হাতে।
মৎস্যচলছে ইলিশের ভরা মৌসুম। কিন্তু পদ্মা যেন ইলিশ শূন্য। ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার পদ্মা নদীতে জেলেদের জালে ধরা পড়ছে না ইলিশ। দিন-রাত পদ্মায় জাল ফেলেও ফিরছেন শূন্য হাতে।
মৎস্যপটুয়াখালীর কুয়াকাটায় আরও এক জেলের জালে ধরা পড়লো এককেজি ৮৮০ গ্রাম ওজনের একটি ইলিশ। মাছটি পাঁচ হাজার ৮৭৫ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।
মৎস্যদুদিনের মাথায় ফের কুয়াকাটায় মিললো বড় ইলিশ। পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের গঙ্গামতি এলাকায় নাসির মাঝি নামের এক জেলের জালে ধরা পড়ে এটি। যার ওজন ১ কেজি ৭০০ গ্রাম। এটি বিক্রি হয়েছে ৫ হাজার টাকায়।
মৎস্যপটুয়াখালীর কুয়াকাটায় সুনু গাজী নামের এক জেলের জালে ধরা পড়েছে এককেজি ৮০০ গ্রাম ওজনের একটি ইলিশ। পরে মাছটি পাঁচ হাজার ৬২৫ টাকায় বিক্রি করেছেন তিনি।
মৎস্যকথায় বলে মাছে ভাতে বাঙালি। আর রসনাতৃপ্তি বাঙালির প্রিয় মাছ ইলিশ। বর্ষা কিংবা দূর্গাপূজা এলেই মাছে-ভাতে বাঙালির মন উচাটন হয় ইলিশের জন্য। কলকাতা ও এর পার্শ্ববর্তী শহরতলীর মাছ বাজারে গেলেই দেখা মিলছে ইলিশের। তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন মাছের রানী ইলিশ দিয়ে বাঙালির রসনাতৃপ্ত করতে কত খরচ করতে হবে? কার
মৎস্যবঙ্গোপসাগরে নিষিদ্ধ ট্রলিং বোটের মাধ্যমে নির্বিচারে নিধন হচ্ছে ইলিশসহ সামুদ্রিক ৩৭৫ প্রজাতির মাছ। মাছের ভবিষ্যৎ রক্ষায় পটুয়াখালীতে স্বেচ্ছায় অবৈধ ট্রলিংবোটের সরঞ্জামাদি অপসারণে জেলেদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে পটুয়াখালীতে এক গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মৎস্যভরা মৌসুমেও পর্যাপ্ত ইলিশের দেখা মিলছে না বরিশালের ইলিশ মোকামে। যে পরিমাণ মাছ আসছে তা অতিরিক্ত দামের কারণে কিনতে পারছেন না সাধারণ ক্রেতারা। আগে এমন সময়ে হাজার মণ ইলিশ এলেও বর্তমানে ১৫০-২০০ মণ ইলিশ আসছে মোকামগুলোতে। সংশ্লিষ্টরারা বলছেন, ইলিশের সরবরাহ কম থাকায় দাম কিছুটা বেশি, সরবরাহ বাড়লে দাম কমবে।
মৎস্যইলিশের মৌসুম ধরা হয় জুন থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত। এবার মৌসুম শুরু হলেও অধরা এই রুপালি মাছ। এদিকে দামের কারণে ক্রেতারা অসন্তোষ।
মৎস্যসমুদ্রে ৫৮ দিনের ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞা শেষ হয় ১১ জুন। এরপর থেকে সাগরে ইলিশ ধরছেন জেলেরা। ইলিশও ধরা পড়ছে বেশ। তবে বৈরী আবহাওয়ায় টিকতে না পেরে জেলেরা কূলে ফিরে আসতে শুরু করেছেন।
মৎস্যমাছে-ভাতে বাঙালির প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় একটা বড় অংশজুড়ে থাকে মাছ। দেশীয় মাছ শুধু আমাদের খাদ্য চাহিদা মেটায় না বরং পুষ্টি, জীবিকা এবং দেশের অর্থনীতির সঙ্গেও নিবিড়ভাবে জড়িত। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে হারিয়ে যাচ্ছে দেশীয় অনেক মাছ।
মৎস্যদেশের দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র পটুয়াখালীর আলীপুর-মহিপুর বন্দর। বন্দরের আশপাশের এলাকায় বছরের পর বছর ইলিশ শিকার করে আসছেন জেলেরা। তবে বেশ কয়েক বছর ইলিশসহ সামুদ্রিক মাছের সংকট তেরি হয়েছে। এর জন্য জেলেরা দায়ী করছেন অবৈধ ট্রলিং বোটকে। আর এ ট্রলিং বোট সরাসরি প্রশাসনের প্রত্যক্ষ মদদে দাপিয়ে
মৎস্যরাজধানী ঢাকার বাজারে গত কয়েকদিন মাছের সরবরাহ কমেছে। পাশাপাশি টানা বৃষ্টির কারণে ক্রেতাও কিছুটা কম। এতে ইলিশসহ সব ধরনের মাছের দাম বেড়েছে। এক কেজির চেয়ে বেশি ওজনের ইলিশ প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৬০০ টাকায়। বেড়েছে গরিবের মাছ হিসেবে পরিচিত পাঙাসের দামও। বড় আকারের পাঙাস প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ২৮০ টা
মৎস্যবর্ষার আগমনে আকাশ যখন মেঘে ঢেকে যায়, মাঠ-ঘাট পানিতে প্লাবিত হয়; তখন জেগে ওঠে গ্রামীণ জীবনের হাজারো অনুষঙ্গ। তারই একটি জীবন্ত নিদর্শন হলো চাঁই। বাঁশ দিয়ে তৈরি একধরনের মাছ ধরার ফাঁদ, যা বর্ষার জলে হয়ে ওঠে গ্রামীণ জীবনের সঙ্গী।