নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে যুগান্তকারী পদক্ষেপ
দেশের মানুষের জন্য নিরাপদ, পুষ্টিকর ও টেকসই খাদ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশ। এ লক্ষ্যে 'জাতীয় খাদ্য পরিবেশ কৌশল' (এনএফইএস) প্রণয়নের কাজ এক ধাপ এগিয়ে নেওয়া হয়েছে।
দেশের মানুষের জন্য নিরাপদ, পুষ্টিকর ও টেকসই খাদ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশ। এ লক্ষ্যে 'জাতীয় খাদ্য পরিবেশ কৌশল' (এনএফইএস) প্রণয়নের কাজ এক ধাপ এগিয়ে নেওয়া হয়েছে।
ভূমির সুরক্ষা ছাড়া জলবায়ু সহনশীলতা ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। তিনি বলেন, ভূমিকে শুধু পরিবেশগত ব্যয় হিসেবে না দেখে অর্থনৈতিক ও উন্নয়নগত অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।
খাদ্য অধিদপ্তরের বিভিন্ন খাদ্যগুদামে খাদ্যশস্য খামালজাতকরণের জন্য ১৫ হাজার পিস ডানেজ (মালামাল নিরাপদে রাখতে ব্যবহৃত প্লাস্টিক বা এয়ার ব্যাগ) কেনার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। একই সঙ্গে দেশের ইমিগ্রেশন ব্যবস্থাপনায় এপিআইএস, পিএনআর, ই-ভিসা, ই-টিএ এবং সার্বভৌম ডেটা
২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে সরকারি পর্যায়ে বিভিন্ন দেশ ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ২৬৯৫ কোটি টাকা দিয়ে ৩ লাখ ৬৫ হাজার মেট্রিক টন সার কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে ইউরিয়া ৭০ হাজার মেট্রিক টন, এমওপি ১ লাখ ১৫ হাজার মেট্রিক টন, ডিএপি ১ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন এবং টিএসপি ৬০ হাজার মেট্রিক টন।
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কাজে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও দক্ষতা বাড়িয়ে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনার আহ্বান জানিয়েছেন নবনিযুক্ত খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম। তিনি বলেন, সরকারি খাদ্য কর্মসূচির সুফল যাতে প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছে, তা নিশ্চিত করতে হবে।
সবার সহযোগিতায়, সবাই মিলে ঢাকাকে পরিচ্ছন্ন ও সবুজ নগরী হিসেবে গড়ে তোলা হবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান।
বাংলাদেশের অর্থনীতি ও খাদ্যনিরাপত্তার অন্যতম ভিত্তি কৃষি। অথচ ন্যায্যমূল্য, মানসম্মত সার-কীটনাশক, সেচ, কৃষিঋণ ও শস্যবীমা পেতে কৃষক দীর্ঘদিন অবহেলিত। কৃষকের মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় বর্তমান সরকার নতুন উদ্যোগ নিয়েছে।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য সরকার নতুন ঘর নির্মাণ করে দিচ্ছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের বীজ বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি গ্রামীণ এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো কাবিখা কর্মসূচির আওতায় পুনর্নির্মা
সরকারের প্রথম ১৮০ দিন উপলক্ষে প্রকাশিত ই-বুকে খাদ্য খাতে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ ও অর্জনের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা, বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং মূল্য স্থিতিশীল রাখতে সরকার বহুমুখী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। খাদ্যশস্যের মজুত বৃদ্ধি, ভ
ছয় মাস বা ১৮০ দিন পার করে ফেললো তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই দেশ গঠনে বিভিন্ন খাতে নানান উদ্যোগ নিয়েছে তারা। অন্যান্য খাতের মতো কৃষিখাত ও কৃষকের জন্যও সরকারের নেওয়া পদক্ষেপ উল্লেখ করার মতো।
বন্যায় ফসলের ক্ষতির পরও এ বছর এখন পর্যন্ত 'সন্তোষজনক' পরিমাণে বোরো ধান-চাল সংগ্রহ করেছে সরকার। এরই মধ্যে ধান সংগ্রহের নির্ধারিত লক্ষ্য ছাড়িয়ে গেছে। সেদ্ধ ও আতপ চাল সংগ্রহও লক্ষ্যমাত্রার প্রায় কাছাকাছি পৌঁছেছে।
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কাঁচা মরিচ ও টমেটো আমদানিতে শুল্ক-কর কমানোর প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকার। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখা এবং সাধারণ ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতা সুরক্ষায় নির্দিষ্ট সময়ের জন্য এ সুবিধা দেওয়া হবে।