মৎস্যছুটির দিনে বাজারে ইলিশের দাম সামান্য কম
ইলিশের ভরা মৌসুম থাকবে আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসজুড়ে। মৌসুমের শুরু থেকেই বাজারে সরবরাহ বেড়েছে ইলিশের। ফলে দাম আগের তুলনায় সামান্য কম। যদিও এই দাম পুরোপুরি স্বস্তিদায়ক নয় স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য।
মৎস্যইলিশের ভরা মৌসুম থাকবে আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসজুড়ে। মৌসুমের শুরু থেকেই বাজারে সরবরাহ বেড়েছে ইলিশের। ফলে দাম আগের তুলনায় সামান্য কম। যদিও এই দাম পুরোপুরি স্বস্তিদায়ক নয় স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য।
ফলমধুমাস (জ্যৈষ্ঠ) শেষ হয়েছে প্রায় আড়াই মাস আগেই। এ মধুমাস ঘিরে দেশে যেসব ফল পাওয়া যায়, তার প্রায় সবই ফুরিয়েছে। তবে কিছুটা ভিন্ন চিত্র আমের ক্ষেত্রে। মৌসুমের একেবারে শেষদিকেও বাজারে মিলছে আম। আশ্বিনা ও বারিসহ দীর্ঘমেয়াদি আরও কিছু জাতের আম এখনো মিলছে বাজারে। তবে, মৌসুমজুড়েই চড়া আমের দাম।
মৎস্যকলকাতাসহ পশ্চিমবঙ্গের বাজারগুলোতে দেখা নেই ইলিশের। যা দুয়েকটা মিলছে, তারও দাম আকাশছোঁয়া। এর ফলে কমে গেছে বেচাকেনা। তাতে যেমন বিক্রেতারা হতাশ, তেমনি মনখারাপ ক্রেতাদেরও।
মৎস্যমৌসুম শুরু হলেও কয়েকদিন ধরে ইলিশের বাজার মন্দা। তবে সম্প্রতি দেশের দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলো থেকে আমদানি বেড়েছে। এতে চাঁদপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে সরগরম হয়ে উঠেছে ইলিশ বাজার। যদিও কারফিউয়ের প্রভাবে ক্রেতা সংকট চাঁদপুর বড়স্টেশন মাছঘাট।
মৎস্যবর্ষার মৌসুমে বাজারে সহজলভ্য হয়ে ওঠে ইলিশ মাছ। তবে বাজারে গিয়ে ইলিশ কেনার সময় অনেকেই ঠকে যান। টাটকা ইলিশ কিনতে গিয়ে অনেকেই বাসি-পচা মাছ কিনে আনেন বেশি দাম দিয়ে।
ফলসারাদেশের মতো ঝালকাঠিতেও প্রচণ্ড রোদ ও তাপপ্রবাহে ক্ষতি হয়েছে ফসল বা ফলের মুকুলের। অন্য কৃষিপণ্যের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বাংলার আপেল খ্যাত পেয়ারাও। প্রতি বছরের চেয়ে এবার ফলন কম হলেও ন্যায্য দামের আশায় বুক বেঁধেছেন চাষিরা। এখনো পেয়ারা কুষিতেই আছে। পরিপক্ব হয়ে বাজারে আসতে আরও ১৫ দিন সময় লাগবে। ওই
মৎস্যনিত্যপণ্যের দাম যেন কোনোভাবেই বাগে আসছে না। একটার দাম কিছুটা কমছে তো বাড়ছে অন্যটার। এরই মধ্যে রাজধানীর বাজারে পেঁয়াজের দাম ঠেকেছে একশ টাকায়। খুচরা বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৯৫ থেকে ১০০ টাকা দরে। এছাড়া আলুর দাম উঠেছে ৬৫ টাকা প্রতিকেজি, যা গত সপ্তাহের চেয়ে ৫ টাকা বেশি। কমেনি কাঁচা মরিচের ঝ
শাকসবজিচট্টগ্রামের মিরসরাই ও সীতাকুন্ড উপজেলায় টমেটোর বাম্পার ফলন হলেও উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য না পেয়ে হতাশ চাষিরা। গত কয়েকদিন দুই উপজেলারবাজারগুলোতে ১০-১২ টাকা কেজি দরে টমেটো বিক্রি করতে দেখা গেছে চাষিদের। তবে সেটারও পর্যাপ্ত ক্রেতা মিলছে না। এ অবস্থায় খরচ ওঠানোও কষ্টকর হয়ে পড়েছে চাষিদের জন্য। অথচ একই
লাইভস্টকদীর্ঘসময় চড়া থাকার পর বাজারে কিছুটা নিম্নমুখী গরুর মাংসের দাম। বর্তমানে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭২০ থেকে ৭৫০ টাকায়, যা ৮০০ টাকা ছিল। গত রমজানের আগে কয়েক দফা বেড়ে মাংসের দাম ৬৫০ থেকে গিয়ে ঠেকে ৮০০ টাকায়।
ফলবাজারে আপেলের কেজি ২০০ টাকা বা তার বেশি। সেই আপেলের দাম চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলামে উঠেছে কেজিপ্রতি ২০ টাকা। অথচ আপেলের সংরক্ষিত দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬৬ টাকা কেজি।
ফলদেশের ইতিহাসে সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে ডেঙ্গু। ফলে রোগীদের সেবায় বেড়েছে ফলের চাহিদা। আবার সর্বকালের সবচেয়ে বেশি দাম উঠেছে ডলারের। এ কারণে আমদানিতে খরচ বাড়ছে হু হু করে। বাড়তি চাহিদা আর আমদানির চড়া খরচ, দুয়ে মিলে প্রায় সব ফলই রেকর্ড গড়েছে দামে। ফলের চড়া দামে অসহায় সাধারণ মানুষ। এমন পরিস্থিতিতে প্রয়োজন হলেও
ফলএখন আর আমের জন্য মৌসুম পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে না। অসময়ের কাটিমন আমে ছেয়ে গেছে দিনাজপুরের বাজার। যা এক সময় কল্পনাও করা যেত না। আর এ আম উৎপাদন হচ্ছে এ জেলাতেই।
ফলমধুমাস (জ্যৈষ্ঠ) শেষ হয়েছে দেড়মাস আগেই। এ মধুমাস ঘিরে দেশে যেসব ফল পাওয়া যায়, তার প্রায় সবই ফুরিয়েছে। এখন মিলছে শুধু আম-কাঁঠাল। কাঁঠালও একেবারে শেষ দিকে। বাজারে মিলছেও কম। তবে কিছুটা ভিন্ন চিত্র আমের ক্ষেত্রে। মৌসুমের একেবারে শেষদিকেও বাজারে এখনো আমের সরবরাহ ভালো। আম্রপালি ও বারি জাতের কল্যাণে এখনো