লাইভস্টকব্রয়লার মুরগির দাম ২০০ টাকার বেশি হওয়ার যৌক্তিকতা নেই
ব্রয়লার মুরগির দাম ২০০ টাকার বেশি হওয়ার কোনো যৌক্তিকতা নেই বলে জানিয়েছেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) এ এইচ এম সফিকুজ্জামান।
লাইভস্টকব্রয়লার মুরগির দাম ২০০ টাকার বেশি হওয়ার কোনো যৌক্তিকতা নেই বলে জানিয়েছেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) এ এইচ এম সফিকুজ্জামান।
লাইভস্টকসারাদেশের মতো রংপুরেও মুরগির বাজারে অস্থিরতা বিরাজ করছে। সেইসঙ্গে বেড়েছে ডিমের দামও। এতে বিপাকে পড়েছেন নিম্নআয়ের লোকজন।
লাইভস্টকবাজারে যে দামে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে তা অযৌক্তিক বলে জানিয়েছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। সংস্থাটি জানিয়েছে, এখন প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগির উৎপাদন খরচ করপোরেট প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকা। আর প্রান্তিক খামারি পর্যায়ে খরচ ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা। আর বাজারে তা ২০০ টাকা কেজির বেশি বিক্
লাইভস্টকদ্রব্যমূল্য বাড়ছেই। রমজান মাস সামনে রেখেও বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরছে না। সাধারণ ব্যবসায়ীরা মনে করেন, একশ্রেণির অসাধু চক্র বা বাজার সিন্ডিকেট এর জন্য অনেকাংশে দায়ী। তবে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বারবারই বলছে, রমজানে সব পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা হবে। দেশে খাদ্যপণ্যের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। নিয়মিত বাজা
মৎস্যরমজানের আগে বেড়েছে সবজির দাম। এছাড়া নতুন করে ব্রয়লার মুরগির দাম না বাড়লেও গত সপ্তাহের মতো ২৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে পাকিস্তানি কর্ক ও দেশি মুরগির দাম কিছুটা বেড়েছে। এদিকে দাম কমার মধ্যে শুধু রয়েছে ছোলা। শুক্রবার (১৭ মার্চ) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে এ চিত্র।
মৎস্যরংপুরে সপ্তাহের ব্যবধানে আরও বেড়েছে মুরগির দাম। ধনেপাতা, ফুলকপি ও মটরশুঁটিসহ কিছু সবজির দামও ঊর্ধ্বমুখী। তবে কমেছে রসুন ও সজনে ডাঁটার দাম। মাছ, চাল, ডাল ও তেলের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
লাইভস্টকব্রয়লার মুরগির কেজি ২৫০ টাকা কেন তা খতিয়ে দেখতে বলেছেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) এ.এইচ.এম. সফিকুজ্জামান। তিনি জানান, অসাধু ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট মুরগির অযৌক্তিক মূল্য নির্ধারণ করছে। এ ক্ষেত্রে গোয়েন্দা সংস্থার নজরদারি বাড়ানোর দরকার। একই সঙ্গে তিনি জানান, প্রত্যেক দোকান
মৎস্যদেশের বাজারে পণ্যের দামের ঊর্ধ্বগতি থামার কোনো লক্ষণ নেই। উল্টো দফায় দফায় বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম। এরমধ্যে ভালো খাবার তো এখন নাগালের বাইরে। অবস্থা এমন যে, মাছ-মাংস ছুঁয়ে দেখতে পারছেন না মধ্য ও নিম্নবিত্তরা। এসবের বাইরে সবজির দামও ঊর্ধ্বমুখী। আর চিনি, আটা, ময়দা বাড়তি দামে আটকে রয়েছে। এরমধ্যে নতুন করে
মৎস্যমোটা চাল, মৌসুমের কমদামি সবজি, পাঙাশ-তেলাপিয়া মাছ কিংবা ব্রয়লার মুরগি- এসব নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ছুটির দিনে ভালো খাবার। কিন্তু বাজারে দ্রব্যমূল্যের যে ঊর্ধ্বগতি তাতে এগুলোর কোনো পদ-ই কিনতে গিয়ে স্বস্তি পাবেন না কেউ। বাধ্য হয়ে নিতে হবে আরও কমদামের বিকল্প কোনো নিত্যপণ্য।
মৎস্যরংপুরের বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে কাঁচামরিচের দাম। সেইসঙ্গে বেড়েছে পাকিস্তানি মুরগিসহ কিছু সবজির দাম। এছাড়া মাছ-মাংস ও ডিমসহ চাল, ডাল ও তেলের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
শাকসবজিউপকূলীয় জেলা বাগেরহাটে পুষ্টিগুণ সম্পন্ন সবজি টমেটোর বাম্পার ফলন হয়েছে। এমন ফলনে জেলার টমেটো চাষিদের খুশি হওয়ার কথা থাকলেও এই টমেটোই এখন কৃষদের গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাইকারি বাজারে টমেটো বিক্রি হচ্ছে দুই থেকে তিন টাকা কেজি দরে। এমন চিত্র জেলার চিতলমারী, কচুয়া ও মোল্লাহাটসহ সর্বত্র।
লাইভস্টকফেনীতে সপ্তাহের ব্যবধানে সব ধরনের মুরগির দাম প্রতি কেজিতে ৪০-৫০ টাকা বেড়েছে। বিক্রেতারা বলছেন, খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় প্রভাব পড়েছে বাজারে। এতে বেশি দামেই মুরগি কিনতে বাধ্য হচ্ছেন ক্রেতারা।
লাইভস্টককয়েকদিন ধরেই অস্থির হয়ে উঠেছে ডিম ও ব্রয়লার মুরগির বাজার। এক সপ্তাহের ব্যবধানে খুচরা ও পাইকারি পর্যায়ে ডিমের দাম হালিতে বেড়েছে ১০ টাকা। আর ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে ৪০ থেকে ৬০ টাকা পর্যন্ত। এখন প্রতি হালি ডিম বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়, ডজন দেড়শ টাকা। আর ব্রয়লার মুরগি বাজারভেদে ২০০ থেকে ২২০ টাকা কেজি দরে