ডিজিটাল হাটে ৫০ হাজার পশু বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা
চলতি বছর ডিজিটাল হাটে ৫০ হাজার পশু বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। তবে এবার অনলাইনে ২০ শতাংশ কম পশু বিক্রি হতে পারে। করোনার পর এবং পশুর দামের কারণে কম হবে বিক্রি।
চলতি বছর ডিজিটাল হাটে ৫০ হাজার পশু বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। তবে এবার অনলাইনে ২০ শতাংশ কম পশু বিক্রি হতে পারে। করোনার পর এবং পশুর দামের কারণে কম হবে বিক্রি।
জয়পুরহাটে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। ক্রেতা-বিক্রেতায় ভরে গেছে জেলার সবচেয়ে বড় নতুন হাট। হাটের বিভিন্ন অলি-গলিতে বিক্রির জন্য গরু-ছাগল রাখা হয়েছে।
আর মাত্র চারদিন পরেই মুসলমান ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ। এই ঈদ সামনে রেখে এরই মধ্যে রাজধানীর অস্থায়ী বাজারগুলোতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে গরু-ছাগল নিয়ে এসেছেন ব্যবসায়ীরা। তবে এবার কোরবানির গরুর দাম অনেক বেশি চাচ্ছেন ব্যাপারীরা। গত বছরের তুলনায় মণপ্রতি দাম বেশ
কোরবানির বাকি আর মাত্র ক'দিন। কোরবানির জন্য গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া, দুম্বা ও উট কেনার কথা ভাবছেন অনেকেই। এরই মধ্যে জমে উঠেছে পশুর হাট। চলছে বেচাকেনা। হাটে সুস্থ গরুর পাশাপাশি অনেক অসুস্থ গরুও তোলা হয় বেশি দামে বিক্রির আশায়। তাই পশু কেনার আগে কিছু বিষয়ে অবশ্যই জেনে নেওয়া ভালো। এসব পশু খামার থেকেও কিনত
নাটোরে কোরবানির জন্য বিভিন্ন খামারে পাঁচ লাখ ২০ হাজার ২৩৮ পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। যদিও জেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে দুই লাখ ৫১ হাজার ২টি পশুর। বাকি পশুগুলো রাজধানী ঢাকাসহ আশপাশের জেলায় বিক্রির জন্য নেওয়া হচ্ছে।
কোরবানির ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে ততই ব্যস্ততা বাড়ছে নওগাঁর খামারিদের। পশুর হাটে বেচাকেনার ধুম পড়েছে। ক্রেতার তুলনায় হাটে পশু সরবরাহ বেশি থাকায় দাম তুলনামূলক কম। এতে লোকসানের আশঙ্কা খামারিদের।
ঈদুল আজহাকে ঘিরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে কম খরচে কোরবানির পশু ঢাকা নেওয়ার ব্যবস্থা করেছে রেলওয়ে। তবে এবার আলাদাভাবে 'ক্যাটল স্পেশাল ট্রেন' চালু হবে না বলে জানিয়েছেন তারা। ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেনের আলাদা ওয়াগনে পরিবহন করা হবে কোরবানির পশু।
হৃষ্টপুষ্ট কালো রঙের গরুটি মানুষের ভিড় দেখলেই শুরু করে পাগলামি। প্রায় তিন বছর ধরে রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার খোপাতি গ্রামের বাসিন্দা আশরাফুল মাস্টারের খামারে জন্ম থেকে বেড়ে উঠেছে শাহিওয়াল জাতের গরুটি। খাওয়া-দাওয়া, স্বভাব আর চলন-বলনের কারণে আদর করে তার নাম রাখা হয়েছে 'জমিদার'। প্রতিদিন ৩ কেজি খুদের ভ
ভৈরবে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। উপজেলার রসুলপুরসহ উপজেলার বিভিন্ন বাজারে পশু উঠলেও বেচাকেনা তেমন শুরু হয়নি।
উচ্চতায় ৩ থেকে ৪ ফুট বা তারও বেশি। লম্বায় অন্তত ৫ ফুট। লম্বা কানের সঙ্গে দীর্ঘ এক ফুটের বড় শিং। গায়ের রং হালকা গোলাপি ও ধূসর সাদাটে। নাম তাদের হাসা ও হাসি। রাজধানীর শাহজাহানপুর পশুর হাটের ক্রেতা-সাধারণের কাছে এ হাসা-হাসিই এখন প্রধান আকর্ষণ।
রাজধানীর গাবতলী পশুর হাটের মাঝখানে ক্রেতা-ব্যাপারীদের মধ্যে চলছে বাহাস। তিন মণ মাংস মিলবে এমন গরুর দাম হাঁকা হচ্ছে ৯৬ হাজার থেকে এক লাখ টাকা। আর চার মণ মাংস মিলবে এমন একটি দেশি মাঝারি গরুর দাম এক লাখ ৩০ হাজার টাকা চাওয়া হচ্ছে। ফলে দেখা গেছে গত বছর থেকে এবার তিন মণ ওজনের গরুর দাম ২৪-৩০ হাজার টাকা বেশ
এক সপ্তাহ পরই পবিত্র ঈদুল আজহা। জেলার সবচেয়ে বড় গরু হিসেবে এরইমধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে 'সুলতান'র নাম। ১০ ফুট লম্বা ও ৬ ফুট উচ্চতার এ ষাঁড়টির ওজন ১২০০ কেজি। দাম হাঁকা হচ্ছে ১০ লাখ টাকা।
ঈদুল আজহা উপলক্ষে শরীয়তপুর জেলার হাটগুলোতে কোরবানির পশু কেনাবেচা শুরু হয়েছে। সাধ্যমতো পশু কিনছেন ক্রেতারা। গতবারের চেয়ে দাম ভালো পাওয়ায় খুশি খামারি ও কৃষকরাও। তবে আশানুরূপ বেচাকেনা নেই হাটগুলোতে।