কৃষকের তরমুজের দাম নির্ধারণ করেন পাইকারি আড়তদার
এ বছর ভোলার চরাঞ্চলে তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে। কিন্তু সেই তরমুজ বিক্রি করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন কৃষকরা। চাষি থেকে সর্বোচ্চ ৬০-১৮০ টাকায় তরমুজ কিনে হাতবদলে খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ২০০-৫৫০ টাকায়।
এ বছর ভোলার চরাঞ্চলে তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে। কিন্তু সেই তরমুজ বিক্রি করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন কৃষকরা। চাষি থেকে সর্বোচ্চ ৬০-১৮০ টাকায় তরমুজ কিনে হাতবদলে খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ২০০-৫৫০ টাকায়।
ফলরমজানে তাজা ফল আমদানিতে সম্পূরক শুল্ক ও আগাম কর কমানোর পরও ২০২৫ সালের ২৬ মার্চ ঢাকার বাজারে আপেল ও কালো আঙুরসহ আমদানি করা ফলের দাম আরও বেড়েছিল বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
ফলচট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের চার ইউনিয়নের চরে ২০২৫ সালের মৌসুমে প্রায় ১২০০ একর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে, যা ২০২২ সালে ছিল ১৪৫ একর। উপজেলা কৃষি অফিস ৩৫ থেকে ৪০ হাজার মেট্রিক টন ফলনের আশা করছিল, যার বাজারমূল্য প্রায় শত কোটি টাকা।
কৃষকের অক্লান্ত পরিশ্রমের পর মাঠ থেকে বাজারে যায় তরমুজ। কিন্তু হাত ঘুরলেই বেড়ে যায় তরমুজের দাম। ১৫০ টাকার তরমুজ বাজারে বিক্রি হয় ৬০০ টাকা। মৌসুমের প্রথম ফসল হিসেবে বাজারে এলেও ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হন কৃষক। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বলছে, খুচরা বিক্রেতারাই দাম বাড়ান, যা নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের পাহাড়ে চাষ হয়েছে থাই সফেদা। তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা মো. ওমর শরীফ তার বাগানে এ ফলের চাষ করেছেন। গত ৩ বছর ধরে গাছে ফল আসছে। এবার তিনি বাজারে বিক্রিও করেছেন। ভিনদেশি সফেদা চাষ করে সফলতা পেয়েছেন তিনি। চারা লাগানোর ৩ বছরের মাথায় গাছে ধরেছে সফেদা। উঁচু-নিচু পাহাড়ের গাছে থোকায় থোকায় ঝুলছ
মাঠজুড়ে তরমুজের সমারোহ। কৃষকের তিন মাসের অক্লান্ত পরিশ্রমের পর মাঠ থেকে বাজারে যাচ্ছে বরগুনার তরমুজ। এ বছর বাম্পার ফলনে কৃষক লাভের স্বপ্ন দেখলেও বাস্তবতা দেখাচ্ছে ভিন্ন চিত্র। হাত ঘুরলেই বেড়ে যাচ্ছে তরমুজের দাম। চার হাত ঘুরে ১৫০ টাকার তরমুজ বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকা পর্যন্ত। এতে মৌসুমের প্রথম ফস
দীর্ঘদিন পর বৃষ্টির দেখা পেয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ। শুক্রবার(২১ মার্চ) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হয়। এতে আম চাষিদের মনে স্বস্তি দেখা দিয়েছে। মুষলধারে না হলেও কৃষি বিভাগ বলছে আমের জন্য এই বৃষ্টি আশীর্বাদ।
ভোলার বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চলে এ বছরও তরমুজের ব্যাপক ফলন হয়েছে। মাটি ও আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় রোগ ও পোকামাকড়ের আক্রমণ কম হওয়ায় অন্য বছরের তুলনায় উৎপাদন খরচও কিছুটা কমেছে। ক্ষেতগুলোতে তরমুজের সমারোহে হাসি ফুটেছে কৃষকদের মুখে। তাই তরমুজ বিক্রি করে বেশি লাভের স্বপ্ন দেখছেন চাষিরা। তবে কৃষকদের দাবি, চরাঞ্চলেই
তরমুজের বীজ ছোট, কালো বা বাদামি রঙের হতে পারে। বীজগুলো সাধারণত ফলের মাঝখানে পাওয়া যায়। বেশিরভাগ সময় এগুলো ফেলে দেওয়া হয়। কিন্তু বীজগুলো সঠিক উপায়ে সংরক্ষণ করলে চাষের জন্য উপযোগী হতে পারে।
রমজান মাসে খুলনার বাজারে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে ফল। বিভিন্ন বিদেশি ফলের দাম কেজিতে ২০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে গেছে। তবে দেশি ফলের দাম রয়েছে কম। এজন্য ক্রেতারা দেশি ফল বেশি ক্রয় করছেন। তবে ফলের দাম নিয়ে ক্রেতা-বিক্রেতাদের রয়েছে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ।
আপেল, আঙুর, নাশপাতি, কমলা, মাল্টাসহ বিভিন্ন ধরনের তাজা ফল আমদানিতে সম্পূরক শুল্ক কমিয়েছে সরকার। এসব ফল আমদানিতে ২৫ শতাংশের অতিরিক্ত সম্পূরক শুল্ক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ফলে বাজারে এসব ফলে দাম কমতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
কলা-কাঁঠালের রাজ্য খ্যাত পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়িতে আর্থিক সম্ভাবনার আরেক নাম তেঁতুল। আম, কাঁঠাল, কলা, বেল, আদা ও হলুদের সাথে পাল্লা দিয়ে বিভিন্ন হাট-বাজারে জায়গা করে নিয়েছে টক-মিষ্টি স্বাদের তেঁতুল। একসময় গাছতলায় পড়ে থাকা তেঁতুল এখন পাহাড়ের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে।
আপেল, আঙুর, নাশপাতি, কমলা, মাল্টাসহ বিভিন্ন ধরনের তাজা ফল আমদানিতে উৎসে কর ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করেছে সরকার।