সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ৪ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°মেঘলাআর্দ্রতা ৬৯%বাতাস ৮ কিমি/ঘ

খুলনার বাজারে বিদেশি ফলের দাম চড়া, স্বস্তি দিচ্ছে দেশি ফল

রমজান মাসে খুলনার বাজারে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে ফল। বিভিন্ন বিদেশি ফলের দাম কেজিতে ২০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে গেছে। তবে দেশি ফলের দাম রয়েছে কম। এজন্য ক্রেতারা দেশি ফল বেশি ক্রয় করছেন। তবে ফলের দাম নিয়ে ক্রেতা-বিক্রেতাদের রয়েছে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ।

রমজান মাসে খুলনার বাজারে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে ফল। বিভিন্ন বিদেশি ফলের দাম কেজিতে ২০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে গেছে। তবে দেশি ফলের দাম রয়েছে কম। এজন্য ক্রেতারা দেশি ফল বেশি ক্রয় করছেন। তবে ফলের দাম নিয়ে ক্রেতা-বিক্রেতাদের রয়েছে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ।

খুলনার ময়লাপোতা, রুপসা, নিউ মার্কেট ও দৌলতপুর বাজারের ফলের বাজার ঘুরে জানা যায়, আপেল বর্তমানে ২৮০-৩৬০ টাকা কেজি, মাল্টা ২৮০ টাকা, চায়না কমলা কেজি ৩২০ টাকা, মাল্টা প্রতি কেজি ২৮০-২৯০ টাকা, সবুজ আঙুর ৪৪০-৪৬০ টাকা ও লাল আঙুর ৬০০ টাকা, আনার ৪২০-৫০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে দেশি ফলের মধ্যে তরমুজ ৩০-৪০ টাকা কেজি, আনারস জোড়া ৫০-৬০ টাকা, পেয়ারা ৮০-১০০ টাকা, পাকা পেঁপে ১২০-১৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

ময়লাপোতা মোড়ের ফল ব্যবসায়ী কাওসার মোল্যা বলেন, আমদানি করা ফলের দাম সবসময় একটু বেশি থাকে। আর ভ্যাট-ট্যাক্স এবং পরিবহন খরচের ওপর সারা বছর ফলের দাম ২০-৩০ টাকা ওঠানামা করে।

রুপসার ফল ব্যবসায়ী ইমদাদ খলিফা বলেন, পেয়ারার দাম এখন বেশি। চাহিদার তুলনায় হাইব্রিড পেয়ারাগুলো বাজারে কম বলে দাম বেড়েছে। তবে শুল্ক না কমলে অন্যান্য বিদেশি ফলের দাম কমার সম্ভাবনা নেই।

নগরীর কদমতলা মোড়ের তরমুজ ব্যবসায়ী ইয়াকুব হাওলাদার বলেন, তরমুজের দাম গতবারের তুলনায় এবার অনেক কম। ২৫ টাকা কেজিতেও তরমুজ বিক্রি হচ্ছে। একটু বড় তরমুজ ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

ক্রেতা আবুল খায়ের বাশার বলেন, অন্যান্য খাদ্যদ্রব্য কিনতে হিমশিম খেতে হয়। ফল কেনা মধ্যবিত্তদের কাছে স্বপ্নের মতো। একটা তরমুজ কিনতে গেলে গুনতে হয় ২০০-২৫০ টাকা। তবে তরমুজের দাম তুলনামূলক অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার একটু কম। গত বছর এসময় ৮০-১০০ টাকা দরে প্রতি কেজি তরমুজ বিক্রি হয়েছে।

গৃহিণী পাপিয়া খাতুন বলেন, আপেল, কমলা, মাল্টা এবং আঙুরের দাম আকাশচুম্বী। ফলে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন থাকলেও খাদ্য তালিকায় এ ফল রাখতে মধ্যবিত্তদের হিমশিম খেতে হয়। এজন্য তরমুজ, আনারস আর দেশি সবুজ মাল্টা কিনতে হয়।

বড় বাজারের পাইকারি ফল ব্যবসায়ী নওশের মিয়া বলেন, আমদানি করা ফলের দাম সব সময় একটু বেশি। আমদানি করা ফলে অতিরিক্ত শুল্কের কারণে মূলত দাম বেড়ে যায়। আমরা পাইকারি ফল বিক্রেতা। বড় চালানে লাভ একটু বেশি হয়। তবে ফলের ব্যবসা এখন তেমন একটা লাভজনক না।

আরিফুর রহমান/এফএ/জিকেএস

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

ডিমলায় বাড়ছে মাল্টা বাগান, ৬৫ শতাংশ জমিতে বছরে চার লাখ টাকা আয় নুর আলমের

নীলফামারীর ডিমলায় প্রচলিত ফসলে লাভ কমায় কৃষকেরা মাল্টায় ঝুঁকছেন। সুন্দরখাতার নুর আলম ৬৫ শতাংশ জমিতে বারি-১ মাল্টা চাষ করে বছরে প্রায় চার লাখ টাকা আয় করছেন।

কৃষি সময়৪ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

যুদ্ধ আর মার্কিন ফসল কমায় ভারতে পেস্তার দাম প্রায় দ্বিগুণ

ভারতের উৎসবের উপহার বাক্সে পেস্তার বদলে আসছে বীজ ও বেরি; কাঠবাদামের দাম বেড়েছে প্রায় ২০ শতাংশ, আর বাদাম ও শুকনো ফলের দাম ২৫-৪০ শতাংশ।

ইকোনমিক টাইমস৪ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

জলে ডোবা ধানখেতে পানিফল চাষে লাভ দেখছেন তমলুকের চাষিরা

নিম্নচাপ আর অতিবৃষ্টিতে জমিতে জল জমে ধান পচে যাওয়ায় পশ্চিমবঙ্গের তমলুক ব্লকের চাষিরা পানিফল চাষে ঝুঁকেছেন; প্রতি কাঠায় এক থেকে দেড় কুইন্টাল ফলন, কেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকা।

এই সময়৩ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)