২৯ সেপ্টেম্বর বিশ্ব হার্ট দিবসের আগে এই সময়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হার্ট অ্যাটাক আর শুধু বয়স্কদের রোগ নয়। পরিসংখ্যান অনুযায়ী জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া হৃদরোগীদের প্রায় ৬০ শতাংশের বয়স ৩০ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে, যাঁদের মধ্যে গুরুতর ‘স্টেমি’ ও ‘নন-স্টেমি’ দুই ধরনের রোগীই আছেন।
কলকাতার অ্যাপোলো মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতালের ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্ট উদয়শঙ্কর দাস বলেন, রোগীদের বয়সের এই পরিবর্তন জনস্বাস্থ্যে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। জরুরি বিভাগে ৩০ থেকে ৪০-এর কোঠার শুরুর দিকের অনেক রোগী ধমনীতে ব্লকেজ বা বড় হার্ট অ্যাটাক নিয়ে আসছেন।
তাঁর মতে, ঝুঁকির তালিকায় সবার ওপরে বংশগত প্রভাব ও পারিবারিক ইতিহাস, বিশেষ করে এশীয় জনগোষ্ঠীর ক্ষেত্রে। এর সঙ্গে অলস জীবনযাপন, অতিরিক্ত ওজন, তামাক সেবন এবং ধরা না পড়া অবস্ট্রাক্টিভ স্লিপ অ্যাপনিয়ার কারণে অল্প বয়সে উচ্চ রক্তচাপ ঝুঁকি আরও বাড়াচ্ছে; এতে তরুণদের ধমনীতেও নীরবে প্রদাহ তৈরি হয় এবং হঠাৎ রক্ত জমাট বাঁধার আশঙ্কা বাড়ে।
প্রতিরোধে তিনি প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর, বিশেষ করে ২৫ বছরের আগেই, বছরে একবার পূর্ণ স্বাস্থ্য পরীক্ষার অভ্যাস গড়ার পরামর্শ দিয়েছেন, যার মধ্যে লিপিড প্রোফাইল, রক্তচাপ ও রক্তের শর্করা পরীক্ষা থাকবে।
দৈনন্দিন জীবনে সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন ৩০ মিনিট মাঝারি অ্যারোবিক ব্যায়াম এবং সুষম খাদ্যাভ্যাসের কথাও বলেছেন উদয়শঙ্কর দাস। প্রতিবেদনটি এই সময়ের সায়ম কৃষ্ণ দেবের।
ছবি: Neoflash / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: এই সময়




মন্তব্য
(০)