কেউ সম্পূর্ণ ভুলে অজু ছাড়া নামাজ পড়ে পরে মনে পড়লে তার পাপ হবে না, তবে নামাজটি বাতিল বলে গণ্য হবে এবং অজু করে আবার পড়তে হবে। মহানবী (সা.) বলেছেন, পবিত্রতা ছাড়া কোনো নামাজ কবুল হয় না (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২২৪)। আল-ফতোয়া আল-হিন্দিয়াতেও একই বিধান আছে।
ইচ্ছাকৃতভাবে অজু ছাড়া নামাজ পড়া অবশ্য গুরুতর পাপ। ভুল আর ইচ্ছার এই পার্থক্যটি মনে রাখা জরুরি।
নামাজের ভেতরে অজু ভেঙেছে বলে সন্দেহ হলে নামাজ ছাড়া যাবে না। সহিহ বুখারির (হাদিস: ১৩৭) বর্ণনায় মহানবী (সা.) এক ব্যক্তিকে বলেন, শব্দ না শোনা বা গন্ধ না পাওয়া পর্যন্ত সে যেন নামাজ না ছাড়ে। অর্থাৎ নিশ্চিত হতে হবে, কেবল সন্দেহ যথেষ্ট নয়।
অজু আছে কি না, এই সন্দেহ হলে মূলনীতি হলো নিশ্চিত বিশ্বাস সন্দেহে দূর হয় না। অজু করার কথা নিশ্চিত মনে থাকলে এবং ভাঙার ব্যাপারে শুধু সন্দেহ হলে সে অজু অবস্থাতেই আছে (ইবনে আবিদিন, রদ্দুল মুহতার)। উল্টোটা হলে, অর্থাৎ অজু ভাঙার কথা মনে আছে কিন্তু পরে করেছে কি না সন্দেহ, তাহলে নতুন করে অজু করতে হবে।
অজুর মাঝে কোনো অঙ্গ ধোয়া হয়েছে কি না সন্দেহ হলে, এমনটা কদাচিৎ হলে সেই অঙ্গ ধুয়ে নেওয়া উত্তম। প্রায়ই এমন হলে সন্দেহকে পাত্তা না দিয়ে অজু চালিয়ে যেতে হবে। মসলা জানতে নির্ভরযোগ্য আলেমের সঙ্গে কথা বলে নেওয়া ভালো।
সূত্র: প্রথম আলো


মন্তব্য
(০)