শীতে গরম স্যুপ, খেজুর গুড়ের পায়েস, পিঠা আর ধোঁয়া ওঠা চায়ের চাহিদা বাড়ে, রান্নাও হয় বেশি সময় ধরে, অনেক সময় একসঙ্গে বেশি পরিমাণে। আজকের পত্রিকার ফিচার ডেস্ক তাই শীত আসার আগেই রান্নাঘরের কয়েকটি জিনিস গুছিয়ে রাখার পরামর্শ দিয়েছে।
স্যুপ, স্টু বা খিচুড়ির মতো খাবারের জন্য ভালো মানের ভারী পাত্র কাজে আসে। ঢালাই লোহার পাত্র বা পাথরের বেকিং ডিশ দীর্ঘ সময় তাপ ধরে রাখে, ফলে রান্নার পরও খাবার বেশিক্ষণ গরম থাকে। রান্না ও পরিবেশন দুই কাজেই চলে এমন পাত্র কিনলে জায়গাও বাঁচে।
কাজের সময় হাতের কাছে রাখুন মোটা কাপড়ের অ্যাপ্রোন, ওভেন মিট আর কয়েকটি পরিষ্কার শুকনো কাপড় বা চা-তোয়ালে; এতে হাত ও সরঞ্জাম পরিষ্কার রাখা সহজ হয়।
শীতের রান্নায় দারুচিনি, লবঙ্গ, জায়ফলের মতো সুগন্ধি মসলা বেশি লাগে। এগুলো কাচ বা সিরামিকের আলাদা বয়ামে রাখলে শুকনো থাকে, রান্নার সময় সহজে খুঁজে পাওয়া যায়।
একসঙ্গে বেশি খাবার রাঁধতে ধীরগতির রান্নার পাত্র বা বৈদ্যুতিক প্রেশার কুকারের মতো বহুমুখী সরঞ্জাম সময় ও শ্রম বাঁচায়। পরিবার বা অতিথিদের জন্য বড় পরিবেশন বাটি, প্রশস্ত প্ল্যাটার আর স্যুপের পাত্র আর চা-কফির জন্য হাতে আরাম লাগে এমন কয়েকটি মগও রাখা যায়।
সাজসজ্জায় শুকনা ফুল, মৌসুমি ফল বা কাঠের ছোট উপকরণই যথেষ্ট; সন্ধ্যায় আলো যেন বেশি উজ্জ্বল না হয়। আর একবার ব্যবহারযোগ্য জিনিসের বদলে পুনর্ব্যবহারযোগ্য পাত্র, কাপড়ের ব্যাগ ও টেকসই সংরক্ষণ পাত্র ব্যবহার করলে রান্নাঘরের অপ্রয়োজনীয় বর্জ্যও কমে।
ছবি: Parvathisri / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: আজকের পত্রিকা





মন্তব্য
(০)