সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ৫ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা৩০°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৬৫%বাতাস ৬ কিমি/ঘ

কেঁচো সার বানাবেন যেভাবে: বেড পদ্ধতিতে ভার্মি কম্পোস্ট, যে ভুলে মরে কেঁচো

গোবর, খড়, কচুরিপানা আর লতাপাতা কেঁচো দিয়ে পচিয়ে ভার্মি কম্পোস্ট বানানো যায় সহজ বেড পদ্ধতিতে; তবে টাটকা গোবর, জমে থাকা পানি আর কড়া রোদে কেঁচো মারা যেতে পারে।

কেঁচো সার বানাবেন যেভাবে: বেড পদ্ধতিতে ভার্মি কম্পোস্ট, যে ভুলে মরে কেঁচো
জৈব

রাসায়নিক সারের ওপর নির্ভরতা কমাতে আর মাটির উর্বরতা বাড়াতে ভার্মি কম্পোস্ট বা কেঁচো সার এখন কৃষকের কাছে পরিচিত নাম। গোবর, লতাপাতা, খড়, কচুরিপানা আর অন্যান্য পচনশীল জৈব উপকরণ কেঁচোকে খাইয়ে এই সার তৈরি হয়। ঘরে বা খামারে অল্প জায়গাতেই এটি বানানো সম্ভব।

কৃষি সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, ভার্মি কম্পোস্টে গাছের দরকারি নানা পুষ্টি উপাদান আর উপকারী অণুজীব থাকে, তাই মাটির গুণাগুণ ভালো করতে এটি কাজে আসে। একই সঙ্গে খামারের জৈব বর্জ্য সামলানোরও একটি সহজ উপায় এটি।

কেঁচো হিসেবে সাধারণত দেশি কেঁচো ও লাল কেঁচো ব্যবহার করা হয়। বাণিজ্যিকভাবে দ্রুত সার পেতে লাল কেঁচো (আইসেনিয়া ফোয়েটিডা) বেশি চলে, তবে স্থানীয় মাটির স্বাস্থ্য রক্ষায় দেশি কেঁচোরও ভূমিকা আছে।

সার বানানো যায় তিনভাবে: গর্ত বা পিট, চৌবাচ্চা বা ট্যাংক, আর বেড। খরচ কম আর কাজ সহজ বলে কৃষক ও ছোট উদ্যোক্তাদের কাছে বেড পদ্ধতিই জনপ্রিয়। পাকা মেঝে বা উপযুক্ত জায়গায় প্রায় চার ফুট চওড়া আর দেড় ফুটের মতো উঁচু বেড বানিয়ে তাতে স্তরে স্তরে জৈব উপকরণ দিতে হয়।

সবচেয়ে বড় সতর্কতা গোবর নিয়ে। টাটকা গোবর সরাসরি কেঁচোর ওপর দিলে অতিরিক্ত তাপ তৈরি হয়ে কেঁচো মারা যেতে পারে। তাই গোবর কয়েক দিন রেখে ঠান্ডা করে নিতে হবে, তারপর খড়, কচুরিপানা, আগাছা ও পাতার সঙ্গে মিশিয়ে আংশিক পচতে দিতে হবে। এরপরই বেডে কেঁচো ছাড়তে হয়।

বেডে পানি জমে থাকতে দেওয়া যাবে না, আবার শুকিয়েও যেতে দেওয়া চলবে না: দরকারমতো নিয়মিত পানি ছিটিয়ে আর্দ্রতা ধরে রাখতে হবে। সরাসরি রোদ আর অতিরিক্ত গরম থেকেও বেড আড়াল করে রাখা জরুরি।

বড় অবকাঠামো ছাড়াই স্থানীয় গোবর আর কৃষিজ বর্জ্য দিয়ে ছোট পরিসরে উৎপাদন শুরু করা যায়। নিজের জমিতে ব্যবহারের পর বাড়তি সার আশপাশের কৃষক বা নার্সারিতে বিক্রি করে আয়ও করা যায়। তবে বাণিজ্যিকভাবে করতে চাইলে কেঁচোর উপযুক্ত জাত বাছাই, আর্দ্রতা ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, কাঁচামালের ঠিকঠাক প্রস্তুতি আর তৈরি সার সংরক্ষণে বাড়তি নজর দিতে হবে বলে মনে করেন কৃষি বিশেষজ্ঞরা।

ছবি: মৌচুমী / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 3.0)

সূত্র: এগ্রিকেয়ার২৪

এগ্রিকেয়ার২৪সূত্র

জৈব

সম্পর্কিত খবর

ছাদকৃষি

টবের গাছে ফুল আসছে না, পাতা হলুদ? মাটি আলগা, জৈব সার আর সি-উইডের নিয়ম

বারান্দা বা ছাদের টবে গাছ থমকে গেলে শুধু পানি নয়, মাটি ও পুষ্টির দিকে নজর দিতে হবে; পচা গোবর বা ভার্মিকম্পোস্ট আর মাত্রা মেনে সি-উইড ব্যবহারের পরামর্শ, তবে কারণ না জেনে বাড়তি সার নয়।

এই সময়৫ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
শাকসবজি

কচুরিপানার ভাসমান ধাপে সবজি আর চারা: বরিশালের দুইশো বছরের কৃষি

বানারীপাড়া ও আগৈলঝাড়ার জলমগ্ন জমিতে কচুরিপানা, শ্যাওলা ও দুলালীলতার স্তরে তৈরি ভাসমান ধাপে বেগুন, লাউ, শিম, টমেটো, মরিচসহ নানা সবজি ও চারা হচ্ছে; দুই উপজেলায় প্রায় ২০০ হেক্টর করে চাষ।

বাংলা ট্রিবিউন৩ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে যুক্ত করতে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের কৃষি প্রশিক্ষণ দেবে সরকার

কুমিল্লায় এক সম্মেলনে কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, গ্রামে গ্রামে মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিনদের আধুনিক ও বিষমুক্ত কৃষিতে প্রশিক্ষণ দিয়ে নিরাপদ খাদ্যের বার্তা দ্রুত মানুষের কাছে পৌঁছানো হবে।

ইত্তেফাক৩ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)