বাংলাদেশ, ভারতসহ ২০টি অংশীদার দেশ ও অঞ্চল থেকে আমদানি করা নির্দিষ্ট বিশেষায়িত ওষুধ এবং এসব ওষুধ তৈরির উপাদানের ওপর আমদানি শুল্ক শূন্য করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআইয়ের বরাতে আজকের পত্রিকা জানিয়েছে, মার্কিন বাণিজ্য দপ্তর ফেডারেল রেজিস্টারে তালিকা প্রকাশ করে নতুন এই কাঠামো আনুষ্ঠানিক করেছে।
শুল্কমুক্ত পণ্যের মধ্যে আছে বিরল রোগের চিকিৎসার ওষুধ, বন্ধ্যত্বের চিকিৎসার ওষুধ, উন্নত কোষ ও জিন থেরাপি, অ্যান্টিবডি-ড্রাগ কনজুগেটস (এডিসি) এবং পশুচিকিৎসার ওষুধ। এসব ওষুধের সক্রিয় উপাদান বা কাঁচামাল (এপিআই) আমদানিতেও শুল্ক শূন্য থাকবে।
বাংলাদেশ ও ভারতের সঙ্গে তালিকায় আছে আর্জেন্টিনা, কম্বোডিয়া, ইকুয়েডর, এল সালভাদর, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, গুয়াতেমালা, ইন্দোনেশিয়া, জাপান, জর্ডান, মালয়েশিয়া, নর্থ মেসিডোনিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, সুইজারল্যান্ড, লিখটেনস্টাইন, তাইওয়ান, থাইল্যান্ড, যুক্তরাজ্য ও ভিয়েতনাম। সরকারি নোটিশ অনুযায়ী, এদের সঙ্গে ওয়াশিংটনের কার্যকর বা ভবিষ্যতে কার্যকর হতে যাওয়া বাণিজ্য ও নিরাপত্তা কাঠামোর চুক্তি থাকায় এই সুবিধা দেওয়া হয়েছে।
সিদ্ধান্তটি এমন সময়ে এল, যখন নির্দিষ্ট পেটেন্টযুক্ত ওষুধের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রক্রিয়া চলছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এপ্রিলের নির্দেশনায় ট্রেড এক্সপ্যানশন অ্যাক্টের ধারা-২৩২-এর অধীনে ওষুধ ও রাসায়নিক উপাদানের শুল্ক কাঠামো বদলানোর কথা বলা হয়েছিল। ২ এপ্রিলের মূল ঘোষণায় পেটেন্টযুক্ত ওষুধ, জৈব পণ্য ও উপাদানে ১০০ শতাংশ শুল্ক দেওয়া হয়; প্রাথমিক তালিকার প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে তা ৩১ জুলাই এবং বাকি তালিকাভুক্ত কোম্পানির ক্ষেত্রে ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর।
মার্কিন বাণিজ্য দপ্তর নিশ্চিত করেছে, জেনেরিক ওষুধ ও এসব ওষুধ তৈরির উপাদান ধারা-২৩২-এর শুল্কের বাইরে থাকবে। সাম্প্রতিক সংশোধনে ‘জেনেরিক ফার্মাসিউটিক্যাল আর্টিকেলস’-এর সংজ্ঞা স্পষ্ট করা হয়েছে এবং পেটেন্টবিহীন পশুচিকিৎসার ওষুধকেও এর আওতায় আনা হয়েছে।
প্রতিবেদনটি আজকের পত্রিকা ডেস্কের।
ছবি: epSos.de / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)
সূত্র: আজকের পত্রিকা




মন্তব্য
(০)