যুক্তরাষ্ট্রের কৃষির অন্যতম ক্ষতিকর আগাছা পামার অ্যামারান্থ (Palmer amaranth) নতুন নতুন অঞ্চলে ছড়াচ্ছে এবং প্রধান আগাছানাশকগুলোর প্রতি প্রতিরোধ গড়ে তুলছে, আগাছা ব্যবস্থাপনা নেটওয়ার্ক গ্রো-র একটি লেখার সারসংক্ষেপে জানিয়েছে ক্রপলাইফ। আগে মূলত দক্ষিণ-পশ্চিমে সীমিত আগাছাটি দূষিত বীজ, যন্ত্রপাতি, পশুখাদ্য ও পাখির খাবারের মাধ্যমে ছড়িয়েছে; দিনে তিন ইঞ্চি পর্যন্ত বাড়ে, একটি স্ত্রী গাছে ৫ লাখ পর্যন্ত বীজ হয়, আর ফসলের ফলন ৯৫ শতাংশ পর্যন্ত কমাতে পারে।
প্রশান্ত মহাসাগরীয় উত্তর-পশ্চিমে ইউনিভার্সিটি অব আইডাহোর আগাছা বিজ্ঞানী আলবার্ট আজেসিওর জানান, রাজ্যে নথিভুক্ত পামার অ্যামারান্থের ৭০ শতাংশের বেশি গ্লাইফোসেট প্রতিরোধী। সেখানকার চাষিরা দীর্ঘস্থায়ী আগাছানাশক, শস্যাবর্তন, আচ্ছাদন ফসল, বিদ্যুৎ দিয়ে আগাছা মারার প্রযুক্তি ও হাতে আগাছা তোলার দল কাজে লাগাচ্ছেন, যাতে বীজ তৈরি না হয়।
উত্তর-পূর্বে নিউইয়র্কে গবেষকেরা অ্যাট্রাজিনের প্রতি উচ্চ প্রতিরোধী পামার অ্যামারান্থ পেয়েছেন, যার প্রতিরোধ বিপাকীয় ধরনের, ফলে একাধিক আগাছানাশক গ্রুপের বিরুদ্ধেও কাজ করতে পারে। রাটগার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েরি বেসঁসোঁ বলেন, কেবল আগাছানাশক দীর্ঘমেয়াদে কাজ করবে না; সমন্বিত পদ্ধতি, আগাম শনাক্তকরণ এবং এক মাঠ থেকে আরেক মাঠে যাওয়ার আগে যন্ত্র পরিষ্কার জরুরি, কারণ একটি দূষিত কম্বাইনই বীজ ছড়াতে পারে।
ছবি: Yercaud-elango / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: ক্রপলাইফ





মন্তব্য
(০)