ফসলের বাজার ভালো হলেও ২০২৬ সালে মার্কিন খামারের মুনাফা কমার পূর্বাভাস। কৃষি দপ্তরের সর্বশেষ আউটলুকে নিট খামার আয় ১৫,৮৪০ কোটি ডলার, ২০২৫-এর চেয়ে কম; নিট নগদ খামার আয় ১৭,৬৪০ কোটি, প্রায় অপরিবর্তিত। দুটোই দীর্ঘমেয়াদি গড়ের ওপরে থাকছে। মোট নগদ প্রাপ্তি ৫৪,০৩০ কোটি ডলার, গত বছরের সামান্য নিচে।
উজ্জ্বল দিক ফসল। ভুট্টার বিক্রির পরিমাণ বেশি, সয়াবিনের দাম ভালো, তুলার প্রাপ্তি বেশি আর সবজি ও তরমুজের দাম চড়া থাকায় ফসলের নগদ প্রাপ্তি বেড়ে ২৫,৩০০ কোটি ডলার হওয়ার পূর্বাভাস। ধান, গম, চিনির বিট ও আখের প্রাপ্তি কমবে।
পশু ও পশুপণ্যের প্রাপ্তি কমে ২৮,৭৩০ কোটি ডলারে নামার অনুমান; মূল কারণ সাম্প্রতিক উচ্চ দাম থেকে ডিমের দাম নেমে মুরগির ডিমের আয়ে বড় পতন। দাম কমায় দুধের প্রাপ্তি কম, শূকর ও ব্রয়লারের প্রাপ্তি সামান্য কম, তবে চড়া দামে গরু ও বাছুরের প্রাপ্তি বাড়ছে আর টার্কি উৎপাদকরাও ভালো দাম পাচ্ছেন।
খাতায় সরকারি সহায়তার অংশ বড় হচ্ছে: সরাসরি সরকারি অর্থ ৪,৭৪০ কোটি ডলারের পূর্বাভাস, যা দাম ও আয়ের ট্রিগারে চালু পণ্য কর্মসূচির অর্থ, সম্পূরক দুর্যোগ সহায়তা ও সংরক্ষণ তহবিলে বেড়েছে।
খরচ বাড়ছেই। মোট উৎপাদন খরচ রেকর্ড ৪৯,২৮০ কোটি ডলারের পূর্বাভাস; বৃদ্ধির বেশির ভাগ পশু ও পোলট্রি ক্রয়, সার ও মাটি-সংশোধক এবং জ্বালানি ও তেলে। পশু ও পোলট্রি ক্রয় প্রথমবারের মতো খাদ্যকে ছাড়িয়ে একক বৃহত্তম খরচ হচ্ছে। খাদ্য, কীটনাশক ও কৃষি রাসায়নিকে খরচ কমবে, নগদ শ্রম খরচ মোটামুটি স্থির, মূল্যস্ফীতি বাদ দিলে কম।
ছবি: Bill Whittaker / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: Farms.com





মন্তব্য
(০)