সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ভুট্টা ও সয়াবিনের দাম বাড়লেও যুক্তরাষ্ট্রের চাষিদের আর্থিক চাপ কমেনি। ন্যাশনাল কর্ন গ্রোয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন (এনসিজিএ) ও আমেরিকান সয়াবিন অ্যাসোসিয়েশনের (এএসএ) যৌথ প্রতিবেদনের বরাতে এ খবর দিয়েছে কৃষি সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল অ্যাগ্রিকালচার।
প্রতিবেদনটি দেশজুড়ে ১,২০০ ভুট্টা ও সয়াবিনচাষির ওপর ফার্ম জার্নালের করা একটি জরিপ বিশ্লেষণ করেছে। প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ কৃষক খামার অর্থনীতি নিয়ে মাঝারি বা খুব উদ্বিগ্ন, আর ৪৬ শতাংশ বলেছেন নিজেদের খামারের আর্থিক অবস্থা নিয়ে তাঁরা এক বছর আগের চেয়ে বেশি চিন্তিত। ২০২৫ সালের জরিপের তুলনায় দুটি সূচকেই কিছুটা উন্নতি হয়েছে, তবে তা স্থিতিশীলতায় ফেরা নয়, উচ্চ উদ্বেগেরই ইঙ্গিত।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের ফসল নিয়ে কৃষকদের প্রত্যাশায় বাড়তি খরচ সামলানোর জায়গা খুব কম। সব কৃষক দাম বাড়ার সুফল সমানভাবে পান না, আর দাম বাড়লেও উপকরণের উচ্চ খরচ কমে না, যা এখনো বড় দুশ্চিন্তা। এক মৌসুমের ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত প্রায়ই উপকরণ কেনা থেকে ফসল বিক্রি পর্যন্ত কয়েক বছরে ছড়িয়ে থাকে।
এনসিজিএর প্রধান অর্থনীতিবিদ ক্রিস্টা সোয়ানসন বলেন, ভুট্টার দাম সম্প্রতি অনেক বেড়েছে, এতে কৃষকের মনোভাব কিছুটা ভালো হয়েছে; কিন্তু একবার বাজার নড়লে বা এক মৌসুমেই খামারের লাভজনকতা ফিরে আসে না। অনেক কৃষক কয়েক মৌসুম ধরে জমে ওঠা চাপ সামলাচ্ছেন।
এএসএর প্রধান অর্থনীতিবিদ স্কট গারল্ট বলেন, এই ফলাফলে সবচেয়ে চোখে পড়ে যে কৃষকের ভুল করার সুযোগ এখন কত কম; দাম কিছুটা বাড়লেও জমিতে ফসল লাগানোর খরচ এখনো অনেক বেশি। সংগঠন দুটি বলছে, জ্বালানি, বিদ্যুৎ, সারসহ উৎপাদন খরচের ওঠানামায় খামারের লাভ কতটা নাজুক, জরিপ তা-ই দেখাচ্ছে।
ছবি: Lynn Betts, USDA NRCS / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: Global Agriculture





মন্তব্য
(০)