বায়োডিজেলসহ যুক্তরাষ্ট্রের কৃষিপণ্য রপ্তানির মূল্য ২০২৪ সালে ছিল ১৭৭.২ বিলিয়ন ডলার। এই রপ্তানি দেশের ভেতরে আরও ১৯২ বিলিয়ন ডলারের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড চালু রেখেছে, ফলে মার্কিন অর্থনীতিতে এর মোট অবদান দাঁড়িয়েছে ৩৬৯.২ বিলিয়ন ডলার। ২৯ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত এক চার্টে এ হিসাব দিয়েছে মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) ইকোনমিক রিসার্চ সার্ভিস (ইআরএস)।
বাড়তি এই কর্মকাণ্ড আসে খামার থেকে বন্দর পর্যন্ত পণ্য পৌঁছাতে যেসব সেবা লাগে সেখান থেকে: পরিবহন, গুদামজাত, ওঠানামা, মোড়কজাত, বিপণন ও অর্থায়ন। ইআরএস এই যোগসূত্র মাপে তাদের অ্যাগ্রিকালচারাল ট্রেড মাল্টিপ্লায়ার দিয়ে, যা দেখায় প্রতিটি রপ্তানি কতটা উৎপাদন ও কর্মসংস্থান ধরে রাখে।
শস্য, সয়াবিন, তুলা ও কাঁচা তামাকের মতো অপ্রক্রিয়াজাত বাল্ক পণ্য রপ্তানি করে আয় হয়েছে ৫৬.৪ বিলিয়ন ডলার, আর এগুলো দেশের ভেতরে আরও ৫১.৫ বিলিয়ন ডলারের কর্মকাণ্ড সৃষ্টি করেছে।
বেশি লাভ এনেছে প্রক্রিয়াজাত বা বিশেষ ব্যবস্থাপনার পণ্য, যেমন সয়াবিন মিল, ইথানল, মাংস, কাঠবাদাম, ফল ও সবজি। ২০২৪ সালে এসব নন-বাল্ক পণ্যের রপ্তানি ছিল ১২০.৮ বিলিয়ন ডলার, আর তা দেশে বাড়তি ১৪০.৫ বিলিয়ন ডলারের কর্মকাণ্ড তৈরি করেছে।
সব মিলিয়ে ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি এক ডলারের কৃষিপণ্য রপ্তানি মোট ২.০৮ ডলারের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রেখেছে। চার্টটি তৈরি করেছেন ইআরএসের অর্থনীতিবিদ ওয়েন্ডি জেং ও ফেংশিয়া দং, ২০২৬ সালের জুনে প্রকাশিত অ্যাগ্রিকালচারাল ট্রেড মাল্টিপ্লায়ার থেকে।
সূত্র: ইউএসডিএ ইকোনমিক রিসার্চ সার্ভিস





মন্তব্য
(০)