যুক্তরাষ্ট্রের পরিবেশ সুরক্ষা সংস্থা (ইপিএ) সুগার বিটে আগাছানাশক অ্যাসিফ্লুরফেন (acifluorfen)-এর জন্য স্থায়ী অবশিষ্টাংশ সীমা বা টলারেন্স নির্ধারণ করেছে। এতে চাষিদের আর প্রতিবছর জরুরি ছাড়ের ওপর নির্ভর করতে হবে না। ভারতের মুম্বাইভিত্তিক কৃষি রাসায়নিক গোষ্ঠী ইউপিএলের মার্কিন শাখা ইউপিএল এনএ-র আবেদনে নিয়মটি ২০২৬ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশিত হয়ে সেদিনই কার্যকর হয়েছে।
নতুন নিয়মে সুগার বিটের মূলে সর্বোচ্চ অবশিষ্টাংশ সীমা প্রতি ১০ লাখ ভাগে ০.০৬ ভাগ। শুধু জরুরি ছাড়ের আওতায় প্রযোজ্য মূল ও পাতার পুরোনো ০.১ ভাগের সীমা বাতিল করা হয়েছে। পাতা গবাদিপশুর উল্লেখযোগ্য খাদ্য নয় বলে পাতার প্রস্তাবিত সীমাও তুলে নেওয়া হয়েছে; স্থায়ী সীমা কেবল চিনি তৈরির মূলের জন্য।
১৯৮০-র দশক থেকে ব্লেজার নামে বিক্রি হওয়া অ্যাসিফ্লুরফেন পিপিও-প্রতিরোধী আগাছানাশক, যা ক্লোরোফিল তৈরির একটি এনজাইম আটকে দেয়। সয়াবিন, চীনাবাদাম, মটর ও ধানে চওড়া পাতার আগাছা দমনে এটি নিবন্ধিত, কিন্তু সুগার বিট তালিকায় ছিল না; তাই চাষিরা প্রতিবছর জরুরি ছাড় নিয়ে কঠিন আগাছার বিরুদ্ধে এটি ব্যবহার করতেন।
স্থায়ী সীমা পাওয়ায় চাষি ও তাঁদের বিট কেনা চিনিকলগুলো নিশ্চিত থাকতে পারবে যে এই রাসায়নিক মৌসুমের পর মৌসুম বৈধভাবে পাওয়া যাবে, প্রতিবছর নতুন আবেদনের ওপর নির্ভর করতে হবে না।
ছবি: Blonder1984 / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: গ্লোবাল এগ্রিকালচার





মন্তব্য
(০)