জুলাই থেকে আগস্ট পর্যন্ত তীব্র খরা আয়ারল্যান্ডের মাঠের সবজিচাষিদের ওপর ব্যতিক্রমী চাপ ফেলেছে, আর ফসলের ভাগ্য নির্ধারণ করেছে সেচের সুযোগ। ২৪ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ কথা জানিয়েছে দেশটির কৃষি ও খাদ্য উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ টিগ্যাস্ক (Teagasc)।
সেচ না পাওয়া ফসলের ফলন ও মান ২৫ থেকে ৪০ শতাংশ কমেছে; সেচ পাওয়া ফসল অনেক বেশি মূল্য ধরে রেখেছে। কিন্তু সেচের খরচ ছিল বিপুল — কিছু ফসলে যন্ত্রপাতি ও অবকাঠামো বাদেই শুধু পানিতে হেক্টরপ্রতি ২,৭০০ ইউরোর বেশি।
টিগ্যাস্কের সবজি উপদেষ্টা ইয়োইন সুইটম্যান বলেন, সেচের সুযোগ থাকা চাষিরা স্বাভাবিকের চার, পাঁচ, এমনকি ছয় গুণ পানি দিয়েছেন; কিছু ফসলে হেক্টরপ্রতি বাড়তি ১,৩৮০ থেকে ২,০৭০ ইউরো খরচ হয়েছে। সেচ দেওয়া জমিতেও বাছাইয়ে বাদ পড়া ও মাপমতো না হওয়া সবজি বেড়েছে; ফলে বেশি খরচে কম বিক্রিযোগ্য ফসল হয়েছে।
সবজির জমির মাত্র ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশে যথেষ্ট সেচ সক্ষমতা আছে, যা শুধু পানির ওপর নয়, যন্ত্রপাতি, অবকাঠামো, শ্রমিক, অবস্থান ও মাটির ওপরও নির্ভর করে। দুই-তিন সপ্তাহের শুষ্কতার জন্য তৈরি ব্যবস্থা আট-নয় সপ্তাহের খরায় টেকেনি। আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে বৃষ্টি ফিরলেও অসম পুনরুদ্ধারের কারণে এখন বড় ঝুঁকি সরবরাহের ধারাবাহিকতা ভেঙে পড়া।
টিগ্যাস্কের উদ্যানতত্ত্ব উন্নয়ন বিভাগের প্রধান ডারমট ক্যালাহান বলেন, ২০২৬ ব্যতিক্রম নয়, ছিল মহড়া — শুধু আয়ারল্যান্ডের জন্য নয়। বছরজুড়ে আয়ারল্যান্ডে পানির অভাব নেই; অভাব হলো মৌসুমি চাহিদামতো পানি ব্যবস্থাপনার অবকাঠামোর।
প্রতিবেদনটি লিখেছেন ক্যাথলিন ও'সালিভান।
ছবি: Mark Anderson / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 2.0)
সূত্র: Agriland





মন্তব্য
(০)