যুক্তরাজ্যে পশুখাদ্য হিসেবে চাষ হওয়া ভুট্টার জাত বাছাইয়ের নির্দেশিকা ‘ফরেজ মেইজ ডেসক্রিপটিভ লিস্টস’ ২০২৭ মৌসুমের জন্য নতুন করে সাজিয়েছে ব্রিটিশ সোসাইটি অব প্ল্যান্ট ব্রিডার্স (বিএসপিবি)। আগে জাতগুলোকে অনুকূল, খুব অনুকূল ও কম অনুকূল জমি অনুযায়ী ভাগ করা হতো; এখন ভাগ হবে পাকার সময় ও সামগ্রিক ফলন-দক্ষতা অনুযায়ী।
২০২৭ সালের জন্য জাতগুলো চারটি তালিকায় রাখা হয়েছে। স্বল্প-মধ্য মৌসুম ও মধ্য-দীর্ঘ মৌসুমের তালিকার মধ্যে সামান্য মিল রাখা হয়েছে, যাতে দুই দলের সীমানায় থাকা জাতগুলো কৃষকেরা তুলনা করতে পারেন।
বিএসপিবির ভুট্টা পরীক্ষা কর্মসূচি পর্যালোচনার পর এই পরিবর্তন এসেছে বলে জানান নিয়াবের গোখাদ্য ফসল বিশেষজ্ঞ ও ভুট্টা তালিকার পরীক্ষা সমন্বয়ক এলি রবার্টস। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আবহাওয়া এত অনিয়মিত হয়েছে যে কোনো পরীক্ষাক্ষেত্রকে সহজে অনুকূল বা কম অনুকূল বলে দাগানো কঠিন—মৌসুমভেদে অবস্থা বদলে যায়। তাই জমির শ্রেণি দেখে ফলাফল অনুমান না করে এখন বিএসপিবির ১৩টি পরীক্ষাক্ষেত্রের সব অবস্থায় প্রতিটি জাত কেমন করেছে, তা বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।
কৃষকের জন্য নতুন পদ্ধতিটি সহজ: আগে ঠিক করতে হবে খামারের জন্য কোন পাকার সময় দরকার আর কবে ফসল তুলতে চান, তারপর সেই দলের মধ্যে প্রথম ও দ্বিতীয় পছন্দের জাত তুলনা করা।
২০২৭ সালের তালিকায় ১০টি নতুন জাত যোগ হয়েছে। স্বল্প-মধ্য মৌসুমের তালিকায় এসেছে গিসো (কেডব্লিউএস), ডাক্সফোর্ড (র্যাগট), হাইলাইট (লিমাগ্রেইন), কাতেলেগো (কেডব্লিউএস) ও মার্কোপোলো (কেডব্লিউএস); মধ্য-দীর্ঘ মৌসুমের তালিকায় ডিকেসি২৬৪৪ (বায়ার), ওয়েসলি (গ্রেইনসিড), প্লুভিও (কেডব্লিউএস), রেভেলেশন (গ্রেইনসিড) ও নোরেন্তো (কেডব্লিউএস)। তালিকাগুলো বিএসপিবি ও নিয়াবের ওয়েবসাইট থেকে নামানো যায়।
ছবি: Richard Webb / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 2.0)
সূত্র: Farmers Weekly





মন্তব্য
(০)