চারণভূমির শেষ কামড়টুকু পর্যন্ত চরানো বিনা খরচের খাবার মনে হতে পারে, কিন্তু তার দাম দিতে হয় বছরের পর বছর—বলছেন Nebraska Extension (নেব্রাস্কা এক্সটেনশন)-এর কৃষি অর্থনীতিবিদ Shannon Sand (শ্যানন স্যান্ড)। অতিচারণ মানে কম চারণ-দিন, আগেভাগে খড় কেনা, পরের মৌসুমে কম পশু রাখা, বেশি আগাছা, বালাই ও ভূমিক্ষয়, আর মূল ধারণক্ষমতা ফিরে পেতে তিন থেকে পাঁচ বছরের অপেক্ষা।
স্যান্ডের উদাহরণ শুরু হয় ১০০ একরের একটি চারণভূমি দিয়ে, যা একরে ২ টন বা ৪,০০০ পাউন্ড ঘাস দেয়। চারণ-দক্ষতা ২৫ শতাংশ ধরে—কিছু ঘাস পায়ে মাড়ানো বা অন্য কারণে নষ্ট হয়—এবং প্রতি পশু-ইউনিট-মাস (AUM)-এ ৭৮০ পাউন্ড ঘাস ধরে, চারণভূমিটির জোগান দাঁড়ায় ১২৮.২ AUM: ১০০ একর × ৪,০০০ পাউন্ড × ০.২৫, ভাগ ৭৮০।
অতিচারণে ঘাসের উৎপাদন ২০ শতাংশ কমলে—এই চারণভূমিতে ৪০ টনের সমান—বর্তমান জোগান নামে ১০২.৫৬ AUM-এ। পার্থক্য, মৌসুমে ২৫.৬৪১ AUM, স্যান্ড যাকে বলেন 'গ্রেজিং ব্যালান্স'; তা কেনা খড় দিয়ে পূরণ করতে গেলে খাদ্য খরচে দ্রুত কয়েক হাজার ডলার যোগ হতে পারে।
খরচ এক মৌসুমে থামে না। ধারণক্ষমতা কমলে পরের বছরগুলোতে খামারি কম পশু রাখতে পারেন, আর অতিচারণে যে খালি মাটি পড়ে থাকে তাতে আগাছা ও ভূমিক্ষয় ঢোকে—তার নিজস্ব ব্যবস্থাপনা-খরচ আছে।
স্যান্ডের প্রতিরোধ-তালিকা ছোট: গাছ খুব ছোট হয়ে যাওয়ার আগেই পশু সরান, মৌসুমজুড়ে ঘাসের প্রাপ্যতা নজরে রাখুন, অবস্থা বদলালে পশুর সংখ্যা সমন্বয় করুন, চরানোর পর পর্যাপ্ত অবশিষ্ট ঘাস রেখে দিন, আর চারণভূমিকে নিঃশেষ করার সম্পদ নয়, বার্ষিক রক্ষণাবেক্ষণের বিনিয়োগ হিসেবে দেখুন।
তাঁর কথায়, সবচেয়ে সস্তা গোখাদ্য হলো চারণভূমিতে ইতিমধ্যে গজানো ঘাস; সঠিক চারণ-ব্যবস্থাপনায় তা রক্ষা করলে আজকের মুনাফা বাড়ে আর জমি বছরের পর বছর উৎপাদনশীল থাকে। শ্যানন স্যান্ড নেব্রাস্কা এক্সটেনশনের কৃষি অর্থনীতিবিদ; লেখাটি ফার্ম প্রোগ্রেসে প্রকাশিত।
ছবি: inkknife_2000 / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 2.0)
সূত্র: Farm Progress





মন্তব্য
(০)