কানাডার দুগ্ধ খামারিরা পশু রাখার এমন কিছু মানদণ্ডের জন্য প্রস্তুত হচ্ছেন, যেগুলো ২০২৭ সালের ১ এপ্রিল থেকে সুপারিশ থেকে বাধ্যতামূলক হবে। ডেইরি ফার্মার্স অব কানাডার (ডিএফসি) জাতীয় মান নিশ্চয়তা কর্মসূচি প্রোঅ্যাকশনের আওতায় এ পরিবর্তন, জানিয়েছে ম্যানিটোবা কো-অপারেটর।
ওই দিন থেকে বাঁধা অবস্থায় রাখা গাভিকে প্রতিদিন অন্তত এক ঘণ্টা ব্যায়ামের সুযোগ দিতে হবে, আর এক বাচ্চা প্রসব থেকে পরেরটি পর্যন্ত অন্তত ৫৫ দিন অবাধে চলাফেরা করতে দিতে হবে। প্রতি স্টলে সাধারণত ১.১টির বেশি গাভি রাখা যাবে না। বাছুরকে জন্ম থেকেই অন্য পশুর সংস্পর্শ দিতে হবে: ডিএফসির ভাষায় বাছুর যেন অন্য গবাদিপশু দেখতে পায়, দাঁড়াতে, শুতে, পুরো ঘুরে দাঁড়াতে, মাথা না ঠেকিয়ে সোজা দাঁড়াতে, দুই রকম ভঙ্গিতে বিশ্রাম নিতে এবং নিজের শরীর পরিষ্কার করতে পারে।
বাইরে রাখা বাছুর বেঁধে রাখা যাবে, তবে শিকল, তার বা খড় বাঁধার দড়ির কলার নিষিদ্ধ হবে, আর বাঁধা যাবে কেবল তখনই যখন বাছুরের পুরো শরীর ঘরের বাইরে আসার জায়গা থাকে। রোগ ছড়ানো ঠেকাতে অসুস্থ বাছুর আলাদা রাখা এবং খারাপ আবহাওয়ায় ঘর বন্ধ রাখার সুযোগ থাকছে।
এরপর আরও সময়সীমা আছে। ডিএফসির যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ রেবেকা লিন্ডেল জানান, ২০২৯ সালের ১ এপ্রিল থেকে সব খামারে গাভিকে এমন প্রসবঘর, উঠান বা চারণভূমিতে বাচ্চা দিতে হবে যেখানে সে ঘুরে দাঁড়াতে পারে, আর ২০৩১ সালের ১ এপ্রিল থেকে প্রতি স্টলে সাধারণত একটির বেশি গাভি রাখা যাবে না এবং সুস্থ বাছুরদের চার সপ্তাহ বয়সের মধ্যে জোড়ায় বা দলে রাখতে হবে। এসব শর্ত এসেছে ২০২৪ সালের এপ্রিলে হালনাগাদ হওয়া দুগ্ধ গবাদিপশুর যত্ন ও ব্যবস্থাপনার জাতীয় আচরণবিধি থেকে।
অন্টারিওর সেন্ট মেরিসের খামারি ও খামারিদের জ্ঞান বিনিময় সংগঠন প্রোগ্রেসিভ ডেইরি অপারেটরসের চেয়ার সিস হানস্ট্রা বলেন, খামারিরা মোটামুটি জানেন ও প্রস্তুত। সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তা কম বয়সে বাছুরদের জোড়ায় বা দলে রাখা, যা গবেষণায় রোগ ছড়ানোর ঝুঁকি বাড়ায় বলে তাঁর দাবি। তাঁর খামারে ছোট বয়সে নিউমোনিয়া হওয়া বাছুর প্রায় সবসময় দুধের পালে যাওয়ার আগেই বিক্রি করে দিতে হয় বলে জানান তিনি।
ছবি: Scott Bauer, USDA NRCS / উইকিমিডিয়া কমন্স (Public domain)
সূত্র: Manitoba Co-operator





মন্তব্য
(০)