সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ২ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩২°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৫৭%বাতাস ৭ কিমি/ঘ

ফিরো এলো বিলুপ্তপ্রায় গাং মাগুর

বাংলাদেশের দেশী বিলুপ্তপ্রায় মাছ গাং মাগুরের পোনা উৎপাদন গবেষণায় সফল হয়েছেন ময়মনসিংহের হ্যাচারি উদ্যোক্তা নূরুল হক। এক বছর টানা ব্যবহারিক গবেষণার পর এই সাফল্য অর্জন করেন তিনি।

বাংলাদেশের দেশী বিলুপ্তপ্রায় মাছ গাং মাগুরের পোনা উৎপাদন গবেষণায় সফল হয়েছেন ময়মনসিংহের হ্যাচারি উদ্যোক্তা নূরুল হক। এক বছর টানা ব্যবহারিক গবেষণার পর এই সাফল্য অর্জন করেন তিনি।

মাগুরের সঙ্গে আকৃতিগত মিল না থাকলেও মাছটির নাম গাং মাগুর। নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জের হাওর কিংবা নাটোর সিরাজগঞ্জের চলনবিলে এক সময় দেখা মিলত মাছটির। কোনো কোনো এলাকায় পরিচিত ছিলো গাগড় মাছ হিসেবে।

এই মাছটিও বিলুপ্তির তালিকায়। তাই নূরুল হক তার পোনা উৎপাদন গবেষণায় বছরখানেক আগে যুক্ত করেন গাং মাগুরকে।

ময়মনসিংহের ব্রহ্মপুত্র ফিস সীড হ্যাচারীর সত্ত্বাধিকারী নুরুল হক জানালেন, তিনিই প্রথম এই গাং মাগুরের ব্রিড করলেন। ২০১৪ সালে থেকে তিনি গাং মাগুর সংগ্রহে নামেন এবং খবর পান বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছেও কিছু গাং মাগুর সংগ্রহে রয়েছে। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সুযোগ সুবিধা কম থাকায় ডক্টর আলী রেজা নূর তাকে গাং মাগুরগুলো দেন ব্রিড করার জন্য।

১৯৯৮ সাল থেকে মাছের কৃত্রিম প্রজনন ও পোনা উৎপাদন গবেষণায় দৃষ্টান্তমূলক সাফল্য রয়েছে নূরুল হকের। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই গাং মাগুর নিয়ে যথেষ্ট আশাবাদী তিনি।

নূরুল হক আরো জানান, তিনি প্রথম ১৯৯৮ সালে কর্মাশিয়ালি দেশী মাগুরের পোনা উৎপাদান শুরু করেন। ১৯৯৯ সালেও দেশী শিং মাগুরের পোনা উৎপাদন করেন। ২০০০ সালে তিনি পাবদা মাছের পোনা উৎপাদন করেন। ২০০২ সালে করেন দেশী কৈ মাছের পোনার উৎপাদন।

সেই ধারণা থেকে এই নতুন গাং মাগুর খুব তাড়াতাড়ি বিস্তার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পোনা উৎপাদন সাফল্যের পর এখন চলছে গাং মাগুরের বৈশিষ্ট ও স্বভাব নিরুপণের কাজ।

নূরুল হক জানান, এই গাং মাগুরকে যদি চাষে আনা যায় তবে তাকে বানানো খাবারে অভ্যস্ত করাতে হবে। খাবার খাওয়ার পর মাছের উন্নতিও দেখা যায়। মাছের জাত যদি বাছাই করা কাজ করা যায় তবে মাছের ওজন ও বৃদ্ধি বেশী হবে।

বহুদিন পর আবার ফিরে আসছে গাং মাগুর, এ নিয়ে আশা জেগেছে এলাকার চাষীদের মাঝেও। তারা জানান, এই গাং মাগুর দেখেছেন ২৫ থেকে ৩০ বছর আগে। গাং মাগুরের জাত গবেষণা এবং পোনা উৎপাদন মৎস চাষ বিপ্লবে নতুন এক শুভ বার্তা।

গবেষক এবং পোনা উৎপাদক নূরুল হক আশা করছেন নতুন জাতের এই মাছটির পোনা আগামী বর্ষা মৌসুম নাগাদ কৃষক পর্যায়ে দেওয়া সম্ভব হবে এবং গাং মাগুর চাষে কৃষকরা আর্থিকভাবে বেশ লাভবান হবে। অন্যদিকে বিলুপ্ত প্রায় গাং মাগুরের জাত রক্ষা পাবে।

শাইখ সিরাজকৃষি সাংবাদিক

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

পদ্মা-যমুনার মোহনায় জেলের জালে ৭২ কেজির তিন মাছ, বিক্রি প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজারে

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ার কাছে পদ্মা-যমুনার মোহনায় জেলে সেকেন হালদারের জালে ধরা পড়েছে ২৫ ও ২২ কেজির দুটি কাতল এবং ২৫ কেজির একটি বাঘাইড়; নিলাম আর পরের হাতবদলে তিনটি মাছের দাম দাঁড়ায় প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

এগ্রিকেয়ার২৪৩ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মৎস্য

দিরাইয়ের হাওরে কমছে দেশীয় মাছ, কারণ বলছেন কীটনাশক আর বিলে বিষ

সুনামগঞ্জের দিরাইয়ের হাওর, খাল ও বিলে সারাদিন জাল ফেলেও দেশীয় মাছ মিলছে না; স্থানীয়রা ধানখেতে রাসায়নিকের অতিরিক্ত ব্যবহার, ইজারা দেওয়া বিলে বিষ প্রয়োগ ও প্রজননক্ষেত্র নষ্ট হওয়াকে দায়ী করছেন।

কৃষি সময়৩ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মৎস্য

কিশোরগঞ্জের মেঘনা বিলে তিন ফসলি জমিতে মাছের ঘের, মাটি যাচ্ছে ইটভাটায়

কিশোরগঞ্জ সদরের মেঘনা বিলে তিন ফসলি জমি কেটে মাছের ঘের তৈরি ও সেই মাটি ইটভাটায় বিক্রির অভিযোগ তুলেছেন কৃষকেরা; বাঁধে পাঁচ বিলের পানি আটকে আমন-বোরো ডোবার আশঙ্কা।

কৃষি সময়৩ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)