সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ২ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩২°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৫৭%বাতাস ৭ কিমি/ঘ

কাঁকড়ায় খাওয়া-কাটা ইলিশে সাধ মেটাচ্ছে মধ্যবিত্তরা

'আমরা যদি সকালে ৫০ কেজি মাছ কিনি তাহলে ৪০ কেজি কিনি কাটা মাছ আর ১০ কেজি কিনি ভালো মাছ। এখন ৭০০-৮০০ গ্রামের ইলিশের কেজি ১৫০০ টাকার ওপর, ৫০০ গ্রামের ইলিশ ১২০০ টাকার ওপর। এগুলো সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। তাই সমুদ্র থেকে জেলেদের নিয়ে আসা অর্ধ-কাটা মাছগুলোতেই মধ্যবিত্তদের চাহিদা বেশি।'

'আমরা যদি সকালে ৫০ কেজি মাছ কিনি তাহলে ৪০ কেজি কিনি কাটা মাছ আর ১০ কেজি কিনি ভালো মাছ। এখন ৭০০-৮০০ গ্রামের ইলিশের কেজি ১৫০০ টাকার ওপর, ৫০০ গ্রামের ইলিশ ১২০০ টাকার ওপর। এগুলো সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। তাই সমুদ্র থেকে জেলেদের নিয়ে আসা অর্ধ-কাটা মাছগুলোতেই মধ্যবিত্তদের চাহিদা বেশি।'

কথাগুলো বলছিলেন পটুয়াখালীর বড় মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের পাশেই অবস্থান করা আলীপুর বাজারের খুচরা মাছ বিক্রেতা মো. মিলন হোসেন।

শুধু মিলন নন, আলিপুর বাজারের ক্ষুদ্র মৎস্য ব্যবসায়ীদের অনেকেরই ভাষ্য এমন। শনিবার (১৬ জুলাই) বিকেল ও সন্ধ্যার পর বাজারের বেশ কয়েকটি দোকান ঘুরে দেখা যায়, জেলেদের কাছ থেকে কিনে আনা মাছের মাথা কাটা, লেজ কাটা, মাছের মধ্যাংশ কাটা। এসব মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ টাকা কেজি দরে। আবার মাঝারি সাইজের মাছগুলো বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ থেকে ৫৫০ টাকা দরে। মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে মাছের পরিমাণ যখন বৃদ্ধি পায় তখন কাটা মাছের দাম কিছুটা কমে, আবার যখন মাছের পরিমাণ কমে যায় তখন এর দামও বৃদ্ধি পায়।

জেলে ও মৎস্য ব্যবসায়ীরা জানান, জেলেরা যখন গভীর সমুদ্রে মাছ শিকারের জন্য জাল ফেলেন, তখন অনেক মাছ জালে আটকে কাটা পড়ে, কাঁকড়ায় কেটে দেয়। এছাড়া সামুদ্রিক বিভিন্ন মাছ ইলিশের একাংশ কেটে খেয়ে ফেলে। এই মাছগুলো যখন অবতরণ কেন্দ্রে নিয়ে আসে তখন বেছে বেছে আলাদা করা হয় এবং কম দামে পাইকাররা কিনে নিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে বিক্রি করেন।

মাছ কিনতে আসা মো. ইউনুস জানান, ৪-৫ বছর আগে ইলিশ খুব সস্তা ছিল। অনেক বড় এবং ভালো ইলিশ ২০০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি ছিল। কিন্তু এখন একটি এক কেজির ইলিশ দুই হাজার টাকার ওপর। তাই এখন গরিব ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের পক্ষে ইলিশ কিনে খাওয়া সম্ভব নয়। তাই এই কাটা ও পচা মাছ কিনছেন।

আবুল বাসার নামের এক ক্রেতা বলেন, ইলিশ কিনতে বাজারে এসেছি, কিন্তু এসে দেখি ভালো ইলিশের অনেক দাম। অটোরিকশা চালিয়ে যা আমার পক্ষে কেনা সম্ভব নয়। তাই কাটা ইলিশের দাম জিজ্ঞেস করছি। ছোট-বড় মেলানো এক কেজি কাটা ইলিশ চাচ্ছে ৩৫০ টাকা। এখন দেখছি কাটা ইলিশ কেনাও অসম্ভব হয়ে পড়েছে। দেখি যদি আরেকটু কমে পাই তাহলে এক কেজি কাটা ইলিশ নিয়ে বাড়িতে যাব।

বাজারে আব্দুল্লাহ নামের এক মাছ বিক্রেতা আক্ষেপ করে বলেন, প্রতি বছর যেভাবে সমুদ্রের মাছ কমছে, তাতে আগামী দু-এক বছর পর কাটা ইলিশও মানুষ পাবে না। যদি সমুদ্রে ইলিশ না থাকে, তাহলে কাটা ইলিশ কোথা থেকে আসবে। তাই সরকারের উচিত কেন ইলিশ কমছে সেটার দিকে নজর দেওয়া। না হলে আমরা যারা জেলে ও মৎস্য পেশায় রয়েছি, আমাদের অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যাবে।

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

পদ্মা-যমুনার মোহনায় জেলের জালে ৭২ কেজির তিন মাছ, বিক্রি প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজারে

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ার কাছে পদ্মা-যমুনার মোহনায় জেলে সেকেন হালদারের জালে ধরা পড়েছে ২৫ ও ২২ কেজির দুটি কাতল এবং ২৫ কেজির একটি বাঘাইড়; নিলাম আর পরের হাতবদলে তিনটি মাছের দাম দাঁড়ায় প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

এগ্রিকেয়ার২৪৩ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মৎস্য

দিরাইয়ের হাওরে কমছে দেশীয় মাছ, কারণ বলছেন কীটনাশক আর বিলে বিষ

সুনামগঞ্জের দিরাইয়ের হাওর, খাল ও বিলে সারাদিন জাল ফেলেও দেশীয় মাছ মিলছে না; স্থানীয়রা ধানখেতে রাসায়নিকের অতিরিক্ত ব্যবহার, ইজারা দেওয়া বিলে বিষ প্রয়োগ ও প্রজননক্ষেত্র নষ্ট হওয়াকে দায়ী করছেন।

কৃষি সময়৩ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মৎস্য

কিশোরগঞ্জের মেঘনা বিলে তিন ফসলি জমিতে মাছের ঘের, মাটি যাচ্ছে ইটভাটায়

কিশোরগঞ্জ সদরের মেঘনা বিলে তিন ফসলি জমি কেটে মাছের ঘের তৈরি ও সেই মাটি ইটভাটায় বিক্রির অভিযোগ তুলেছেন কৃষকেরা; বাঁধে পাঁচ বিলের পানি আটকে আমন-বোরো ডোবার আশঙ্কা।

কৃষি সময়৩ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)