নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ায় অনেক পরিবারের মাস শেষে হাতে টাকা থাকছে না; আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের সামঞ্জস্যও থাকছে না। বাংলাভিশনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটু পরিকল্পনা আর দৈনন্দিন কিছু অভ্যাস বদলালে সীমিত আয়েও কিছু অর্থ জমানো সম্ভব।
প্রথম পরামর্শ বাজেট। মাসের শুরুতেই আয় ও সম্ভাব্য খরচের হিসাব করে প্রয়োজনীয় খরচ আলাদা করুন, অপ্রয়োজনীয় ব্যয়ের জায়গা চিহ্নিত করুন। চাইলে মাসের ৫ তারিখ থেকে পরের মাসের ৫ তারিখ পর্যন্ত নির্দিষ্ট সময় ধরে হিসাব রাখতে পারেন, তাতে কোথায় বাড়তি খরচ হচ্ছে তা ধরা সহজ হয়।
যাতায়াতেও সাশ্রয় সম্ভব। কাছাকাছি দূরত্বে রিকশার বদলে হেঁটে গেলে ভাড়া বাঁচে, সঙ্গে হাঁটাও হয়। প্রতিদিনের সামান্য সাশ্রয় মাস শেষে উল্লেখযোগ্য অঙ্ক হয়ে দাঁড়ায়।
কেনাকাটায় সংযম জরুরি। পছন্দ হলেই না কিনে আগে ভাবুন জিনিসটি সত্যিই দরকার কি না, আর একই পণ্য কোথায় কম দামে পাওয়া যায় তা যাচাই করুন। দীর্ঘদিন রাখা যায় এমন নিত্যপণ্য ছাড়ের সময় কিনে রাখতে পারেন, অনলাইনে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের দাম ও কুপন মিলিয়ে দেখতে পারেন। তবে শুধু ছাড় আছে বলে অপ্রয়োজনীয় জিনিস কেনা চলবে না।
দামি রেস্তোরাঁয় ঘন ঘন খাওয়া কমানো এবং অপ্রয়োজনে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার না করারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, কারণ অপরিকল্পিত কার্ড খরচ পরে ঋণের চাপ তৈরি করে।
সবশেষে নিয়মিত সঞ্চয়ের অভ্যাস। অল্প হলেও প্রতি মাসে নির্দিষ্ট অঙ্ক জমান, সম্ভব হলে বেতন বা আয় হাতে পেয়েই একটা অংশ আলাদা করে রাখুন। স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেভিংস অ্যাকাউন্টে টাকা সরানোর ব্যবস্থা থাকলে সঞ্চয় আরও সহজ হয়।
সূত্র: বাংলাভিশন



মন্তব্য
(০)