বাড়তে থাকা তাপমাত্রায়ও যাতে ধানের ফলন ঠিক থাকে, সে লক্ষ্যে যৌথ গবেষণা শুরু করেছে আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ইরি) ও যুক্তরাজ্যের নটিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়।
যুক্তরাজ্যের বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড বায়োলজিক্যাল সায়েন্সেস রিসার্চ কাউন্সিলের (বিবিএসআরসি) অর্থায়নে প্রকল্পটির নাম 'টেম্প-রেজিস্ট রাইস'। বিশ্বের অর্ধেকের বেশি মানুষের প্রধান ক্যালরির উৎস ধান; খরা ও বন্যার পাশাপাশি এখন তাপমাত্রা বৃদ্ধিও অনেক ধানপ্রধান অঞ্চলে বড় হুমকি হয়ে উঠছে।
নটিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জো উইলসন জানান, সবচেয়ে বড় ঝুঁকি ফুল আসার সময়: উচ্চ তাপমাত্রায় পরাগের উর্বরতা কমে যায়, দানা গঠিত হয় না। ফলে সারা মৌসুম সুস্থ দেখানো গাছেও কাটার সময় দানা কম মেলে।
গবেষকেরা তাপসহিষ্ণুতার প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য খুঁজতে প্রচলিত ধানের জাত ও বুনো আত্মীয় প্রজাতি পরীক্ষা করবেন। নটিংহামের নিয়ন্ত্রিত পরিবেশের কেন্দ্রে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় তাপ, আর্দ্রতা ও দিনের দৈর্ঘ্য তৈরি করে গাছের প্রতিক্রিয়া দেখা হবে; সবচেয়ে সম্ভাবনাময় উপাদানগুলো যাচাই হবে এশিয়াজুড়ে ইরির মাঠ-পরীক্ষার নেটওয়ার্কে।
ইরির বিজ্ঞানী ড. সুরেশ কাদারু বলেন, এই গবেষণা থেকে এমন বৈশিষ্ট্য চিহ্নিত হবে, যা ভবিষ্যতের জাতে যুক্ত করে কঠিন পরিস্থিতিতেও উৎপাদন ধরে রাখা যাবে।
ছবি: katorisi / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.5)
সূত্র: Global Agriculture





মন্তব্য
(০)