দেখতে ছোট হলেও সূর্যমুখীর বীজে রয়েছে উদ্ভিজ্জ প্রোটিন, আঁশ, অসম্পৃক্ত চর্বি, ভিটামিন-ই, ম্যাগনেশিয়াম ও সেলেনিয়াম। প্রায় ৩০ গ্রাম বা এক মুঠো বীজে পাওয়া যায় ৫ গ্রাম প্রোটিন ও প্রায় ৩ গ্রাম আঁশ। পুষ্টিবিদেরা বলেন, এসব উপাদানের সমন্বয় হৃদ্স্বাস্থ্য ভালো রাখতে ও রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।
স্যাচুরেটেড ফ্যাটসমৃদ্ধ খাবারের বদলে সূর্যমুখীর বীজ খেলে এর অসম্পৃক্ত চর্বি কোলেস্টেরলের মাত্রা বজায় রাখতে সহায়তা করে। ভিটামিন-ই, সেলেনিয়াম ও অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে তৈরি হওয়া ফ্রি র্যাডিক্যালের ক্ষতি কমাতে এবং কোষকে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে রক্ষা করতে ভূমিকা রাখে।
পেশি ও স্নায়ুর স্বাভাবিক কাজ এবং খাবার থেকে শক্তি তৈরির প্রক্রিয়ায় ম্যাগনেশিয়াম প্রয়োজন, আর সূর্যমুখীর বীজ দৈনিক চাহিদা পূরণে অবদান রাখে। তবে এটি তাৎক্ষণিক শক্তি দেয় না; স্বাস্থ্যকর চর্বি, প্রোটিন, আঁশ ও ম্যাগনেশিয়ামের সমন্বয়ে এটি পুষ্টিকর খাবারের অংশ হয়ে ওঠে।
কাঁচা বা হালকা ভাজা, দুইভাবেই বীজ খাওয়া যায়। কেনার সময় দেখে নিন বীজে অতিরিক্ত লবণ, অপ্রয়োজনীয় তেল বা প্রিজারভেটিভ আছে কি না।
ছবি: Kaldari / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: সমকাল




মন্তব্য
(০)