ফসফেট সার উৎপাদকেরা রেকর্ড দামের কাঁচামাল কিনতে অনাগ্রহী হওয়ায় গত সপ্তাহে বিশ্ববাজারে সালফারের দাম কিছুটা কমেছে, তবে সরবরাহ সংকট কাটেনি।
সাংহাই মেটালস মার্কেটের তথ্যে, ১৮ সেপ্টেম্বর শেষ হওয়া সপ্তাহে চীনের শানডংয়ে সালফারের গড় দাম টনপ্রতি ৭,৪৫৩.৫ ইউয়ান (প্রায় ১,১১০ ডলার), আগের সপ্তাহের চেয়ে ৭.২ শতাংশ কম। মধ্যপ্রাচ্যে এফওবি গড় ৮৫৫ ডলারে অপরিবর্তিত, ইন্দোনেশিয়ায় সিআইএফ দাম ২০ ডলার কমে প্রায় ১,০০৫ ডলার, আর দক্ষিণ এশিয়ায় সিএফআর গড় ১,০৭৫ থেকে কমে ১,০৫০ ডলার। মাসের হিসাবে চীনের দাম প্রায় ১৬ শতাংশ কমলেও তা এক বছর আগের প্রায় তিন গুণ।
দাম কমেছে ক্রেতা না থাকায়, সরবরাহ বাড়ায় নয়। আইএফপিআরআইয়ের তথ্যে, জুলাইয়ের মাঝামাঝি সংঘাত আবার শুরুর পর হরমুজ প্রণালি দিয়ে চালান প্রায় শূন্যে নেমেছে, আর বছরের প্রথমার্ধে বিশ্বে সালফার রপ্তানি ১ কোটি ৩৫ লাখ টন থেকে কমে ৯০ লাখ টনে দাঁড়িয়েছে। রাশিয়া সালফার রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা ২০২৬ সালের শেষ পর্যন্ত বাড়িয়েছে, ভারত সালফার রপ্তানি স্থগিত করেছে, চীন মে মাসে সালফিউরিক অ্যাসিড রপ্তানি বন্ধ করেছে।
প্রতি ১০ টন ডিএপি বা এমএপি সারে প্রায় ৪ টন সালফার লাগে। যুদ্ধ শুরুর পর ফসফেট সারের দাম প্রায় ৩০ শতাংশ বেড়ে মে মাসের মাঝামাঝি থেকে সেখানেই আছে, যদিও ইউরিয়া ও অ্যামোনিয়ার দাম আগের অবস্থায় ফিরছে। মোজাইক ফ্লোরিডা ও লুইজিয়ানার কারখানায় উৎপাদন প্রায় অর্ধেকে নামিয়েছে; মিসর, ব্রাজিল ও ভারতের উৎপাদকেরাও উৎপাদন কমাচ্ছেন বলে খবর।
সরকারগুলো চাপের একাংশ বহন করছে: ইউরোপীয় কমিশন কৃষকের বাড়তি জ্বালানি ও সারের খরচের ৭০ শতাংশ পর্যন্ত সদস্য দেশগুলোকে মেটানোর সুযোগ দিয়েছে, আর ভারতের সার ভর্তুকি বাজেটের ১.৭১ লাখ কোটি রুপি ছাড়িয়ে ৩ লাখ কোটি রুপিতে পৌঁছাতে পারে।
ছবি: Tony Hisgett / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)
সূত্র: Global Agriculture





মন্তব্য
(০)