যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ ফসল চাষিরা বিদেশের বাজারে বালাইনাশকের অবশিষ্টাংশজনিত যে বাধায় পড়েন, তা কাটাতে নর্থ ক্যারোলাইনা স্টেট ইউনিভার্সিটির আইআর-৪ প্রকল্পকে পাঁচ বছরে ১ কোটি ডলার দিচ্ছে ইউএসডিএ-র বৈদেশিক কৃষি সেবা।
সমস্যাটা হলো, যুক্তরাষ্ট্রে নিবন্ধিত কোনো বালাইনাশকের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সর্বোচ্চ অবশিষ্টাংশ সীমা (এমআরএল) আপনা-আপনি তৈরি হয় না। মান না থাকলে বা ভিন্ন হলে দেশের নিয়ম মেনেও ফসল বিদেশের বাজারে ঢুকতে পারে না; এতে প্রভাবিত হয় লেবুজাতীয় ফল, বাদাম, আঙুর, মিষ্টি আলু, বেরি, শুকনো ফল ও সবজির মতো দামি পণ্য।
প্রথম বছরে আইআর-৪ একটি ‘এক্সপোর্ট মার্কেট অ্যাক্সেস প্ল্যাটফর্ম’ গড়বে, যেখানে অবশিষ্টাংশজনিত রপ্তানি সমস্যা চিহ্নিত, অগ্রাধিকার নির্ধারণ ও অনুসরণ করা হবে। এরপর দেশীয় গবেষণার পাশাপাশি বাড়তি অবশিষ্টাংশ তথ্য তৈরি, কোডেক্স এমআরএল নির্ধারণে তথ্যের ঘাটতি পূরণ এবং চাষিদের অবশিষ্টাংশ কমানোর ব্যবহারিক কৌশল পরীক্ষা করা হবে। ফলাফল যাবে এফএও/ডব্লিউএইচও-র যৌথ বালাইনাশক অবশিষ্টাংশ সভা ও কোডেক্স অ্যালিমেন্টারিয়াস কমিশনে।
আইআর-৪-এর পণ্য যোগাযোগ কমিটির সভাপতি, ওয়েস্টার্ন গ্রোয়ার্সের জোনাথন সারাগার বলেন, "আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশ নির্ভর করে সঠিক বিজ্ঞান ও অবশিষ্টাংশের মানদণ্ডের ওপর।" তাঁর মতে, দ্রুত বদলানো বৈশ্বিক নিয়মের কারণে জৈব উপকরণের মতো নতুন প্রযুক্তিও দ্রুত আনতে হবে।
বিশেষ ফসল রপ্তানি সহায়তা কর্মসূচির ১ কোটি ৩৫ লাখ ডলারের নতুন বিনিয়োগের অংশ এই অনুদান; ২০২৬ সালের মার্চে যোগ দেওয়া নির্বাহী পরিচালক লিনা কেসাদা-ওকাম্পোর নেতৃত্বে আইআর-৪-এর কাজ এতে বিস্তৃত হবে। ১৯৬৩ সালে প্রতিষ্ঠিত আইআর-৪ বিশেষ ফসলের জন্য প্রচলিত ও জৈব বালাইনাশক নিবন্ধনে সহায়তা করে। তথ্যসূত্র আইআর-৪ প্রকল্পের বিজ্ঞপ্তি।
সূত্র: Morning Ag Clips




মন্তব্য
(০)