ফলন ও কাটা জমির পরিমাণ সামান্য বাড়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সয়াবিন চাষিদের জন্য সম্ভাবনা আরও ভালো হয়েছে বলে সর্বশেষ ফসল পূর্বাভাসের বরাতে জানিয়েছে ফার্মস ডটকম।
২০২৬/২৭ বিপণন বছরে দেশটির গড় সয়াবিন ফলন এখন একরপ্রতি ৫২.৮ বুশেল ধরা হচ্ছে, যা আগের পূর্বাভাসের চেয়ে কিছুটা বেশি। আবাদি জমি বেড়ে ৮ কোটি ৬৯ লাখ একর এবং কাটা জমি ৮ কোটি ৫৯ লাখ একর হবে বলে আশা করা হচ্ছে; মোট উৎপাদন দাঁড়াচ্ছে প্রায় ৪৫০ কোটি বুশেল।
বাড়তি ফলনে রপ্তানির সুযোগও বেড়েছে—রপ্তানি ধরা হয়েছে ১৬৯ কোটি বুশেল। দেশের ভেতরে মাড়াইয়ের পূর্বাভাস অপরিবর্তিত, ২৭৮ কোটি বুশেল। রপ্তানির টানে মৌসুম শেষের মজুত সামান্য কমে ৩১ কোটি বুশেলে নামবে, আর মৌসুমি গড় দামের পূর্বাভাস বেড়ে বুশেলপ্রতি ১২ ডলার হয়েছে।
অন্য তেলবীজেও উৎপাদন বাড়ছে। বিশ্বে সরিষাজাতীয় রেপসিড উৎপাদন প্রায় ১০ কোটি টনে এবং সূর্যমুখী বীজ ৬ কোটি ৩৭ লাখ টনে পৌঁছাবে বলে পূর্বাভাস। ২০২৫/২৬ ও ২০২৬/২৭—দুই মৌসুমেই রেপসিড মাড়াইয়ের পূর্বাভাস বাড়ানো হয়েছে, যার বড় অংশ ইউরোপীয় ইউনিয়ন, বাংলাদেশ ও কানাডায় বাড়তি প্রক্রিয়াজাতকরণের কারণে।
দুর্বল জায়গা পাম তেল: ফলন কিছুটা কম হওয়ার আশঙ্কায় ইন্দোনেশিয়ার উৎপাদনের পূর্বাভাস কমিয়ে ৪ কোটি ৭২ লাখ টন করা হয়েছে। তবে রেপসিড ও সূর্যমুখী তেলের বাড়তি সরবরাহ সেই ঘাটতি পুষিয়ে ভোজ্যতেলের বাজার স্থিতিশীল রাখবে বলে ধারণা; খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকারী ও জৈব জ্বালানি উৎপাদকদের চাহিদা শক্তিশালী রয়েছে।
ছবি: United Soybean Board / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)
সূত্র: Farms.com





মন্তব্য
(০)