দক্ষিণ আফ্রিকার কৃষিমন্ত্রী উইলি আউক্যাম্প (Willie Aucamp) বলেছেন, কৃষি ও কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ মহাপরিকল্পনা থেকে কৃষকের জন্য প্রকৃত ফল পেতে হলে সরকারকে আরও দ্রুত কাজ করতে হবে। অ্যাগ্রি নিউজনেটের বরাতে খবরটি দিয়েছে ফার্মিংপোর্টাল।
আউক্যাম্প বলেন, অগ্রগতি হয়েছে, কিন্তু যথেষ্ট গতি নেই। জাতীয় কৃষি বিপণন পরিষদ বাস্তবায়ন সমন্বয় করছে, আর সরকার সংগঠিত কৃষি খাত, বিজনেস ইউনিটি সাউথ আফ্রিকা ও অ্যাগবিজের সঙ্গে অবকাঠামো, কৃষক সহায়তা, বাজারে প্রবেশ ও ধীর নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়া নিয়ে কাজ করছে। তাঁর মতে, মহাপরিকল্পনা প্রয়োজনমতো বদলানো যায় এমন একটি জীবন্ত দলিল হওয়া উচিত, যার মূল লক্ষ্য অন্তর্ভুক্তিমূলক কৃষির বিস্তার।
কৃষি সম্প্রসারণ সেবা বড় দুর্বলতা। সরকার শেষ পর্যন্ত প্রায় ১০ হাজার প্রশিক্ষিত সম্প্রসারণ কর্মকর্তা চায়, শুরুতে ৪ হাজার জনের জন্য অর্থ খোঁজা হচ্ছে; বেসরকারি খাতকেও বড় ভূমিকা নিতে বলেছেন মন্ত্রী।
জমির বিষয়ে আফ্রিকান ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে একটি পরীক্ষামূলক প্রকল্প নিয়ে আলোচনা চলছে: প্রতিটি প্রদেশে ১০০ জন কৃষক সরকারি জমি ভাড়া নেবেন, দীর্ঘমেয়াদে মালিকানা হস্তান্তরের লক্ষ্য থাকবে; ভাবনাটি হলো, নিরাপদ মালিকানা পেলে কৃষকেরা বিনিয়োগ করবেন, ঋণ নেবেন ও খামার গড়বেন। সার, পশুখাদ্য ও কৃষি রাসায়নিক নিয়ন্ত্রণকারী আইন ৩৬-এর অধীনে নিবন্ধনের জট কমাতে চান আউক্যাম্প; সহজ অনুমোদন দ্রুত করতে আবেদন ডিজিটাল করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের কথাও ভাবছে সরকার।
বাজারের ক্ষেত্রে দক্ষিণ আফ্রিকা চীনে চেরি রপ্তানির সুযোগ পেয়েছে, ব্লুবেরিতে অগ্রগতির আশা করছে, আর মিসরে মাংস ও ভারতে সাইট্রাস রপ্তানির চেষ্টা চলছে। সরকারের মিশ্র অর্থায়ন কর্মসূচিতে শুরু থেকে প্রায় ৯,৮০০ কোটি র্যান্ড অনুমোদিত হয়েছে, যার প্রায় ৩,৫০০ কোটি র্যান্ড অনুদান বেসরকারি খাত থেকে ৬,৩০০ কোটি র্যান্ড বিনিয়োগ টেনেছে। আউক্যাম্প বলেন, শেষ কথা হলো কৃষককে লাভ করতে হবে; খাদ্য নিরাপত্তার জন্য লাভজনক কৃষি অপরিহার্য।
ছবি: Lotus Head / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: FarmingPortal




মন্তব্য
(০)