সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°মেঘলাআর্দ্রতা ৯১%বাতাস ১০ কিমি/ঘ

নড়াইলে ৬২৯ জন কৃষকের পারিবারিক পুষ্টি বাগান

নড়াইলে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে পারিবারিক পুষ্টি বাগান। এরই মধ্যে সদর উপজেলায় ৬২৯ জন কৃষক তাদের অনাবাদি পতিত জমি ও বসত বাড়ির আঙিনায় পারিবারিক পুষ্টি বাগান তৈরি করেছেন। এতে একদিকে যেমন পারিবারিক পুষ্টির চাহিদা পূরণ হচ্ছে, পাশাপাশি নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে অতিরিক্ত সবজি বাজারে বিক্রি করে বাড়তি আয় করছেন তারা। পার

শাকসবজি

নড়াইলে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে পারিবারিক পুষ্টি বাগান। এরই মধ্যে সদর উপজেলায় ৬২৯ জন কৃষক তাদের অনাবাদি পতিত জমি ও বসত বাড়ির আঙিনায় পারিবারিক পুষ্টি বাগান তৈরি করেছেন। এতে একদিকে যেমন পারিবারিক পুষ্টির চাহিদা পূরণ হচ্ছে, পাশাপাশি নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে অতিরিক্ত সবজি বাজারে বিক্রি করে বাড়তি আয় করছেন তারা। পারিবারিক পুষ্টি বাগান করতে সার্বিকভাবেসহযোগিতা করছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

সদর উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, অনাবাদি পতিত জমি ও বসত বাড়ির আঙিনায় পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপন প্রকল্পের আওতায় গত ৩ বছরে সদর উপজেলায় ৬২৯ জন কৃষকের মাঝে কৃষি উপকরণ বিতরণ ও কারিগরি সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে চলতি ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে ৪০১ জন কৃষকের মাঝে কৃষি উপকরণ বিতরণ ও কারিগরি সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

শাহাবাদ ইউনিয়নের নারায়ণপুর আশ্রয়ন প্রকল্পের বাসিন্দা মুসলিমা ও সাফিয়া বেগম জাগো নিউজকে বলেন, 'কৃষি অফিসের সহযোগিতায় আমরা বাড়ির আঙিনায় পারিবারিক পুুষ্টি বাগান করেছি। এতে প্রয়োজনীয় সবজির চাহিদা পূরণ হবে। পাশাপাশি বাড়তি সবজি বিক্রি করে লাভবান হবো।'

আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁওয়ে মরিচের ফলন ও দামে খুশি কৃষক

আশ্রয়ন প্রকল্পের বাসিন্দা কৃষক জামাল মোল্যা বলেন, 'আমি বাড়ির পাশে ক্লাইমেট স্মার্ট প্রযুক্তির মাধ্যমে খুুলনা কৃষি অঞ্চলের জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন প্রকল্পের আওতায় টায়ার ও বস্তা পদ্ধতিতে অল্প জায়গায় বেশি ফলনের লাউসহ সবজি চাষ করেছি।'

নড়াইল সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ রোকনুজ্জামান জাগো নিউজকে বলেন, 'নিরাপদ সবজি উৎপাদনে পারিবারিক পুষ্টি বাগান গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। পারিবারিক পুষ্টির চাহিদা পূরণের পাশাপাশি অতিরিক্ত সবজি বিক্রি করে লাভবান হচ্ছেন কৃষকেরা।'

এ প্রকল্পের আওতায় কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে সম্প্রতি নারায়ণপুর আশ্রয়ন প্রকল্পের ১০ বাড়ির আঙিনায় পারিবারিক পুষ্টি বাগানের জন্য বিনা মূল্যে লাউ, করোলা, লাল শাক, ধুন্দল, মিষ্টি কুমড়া, বরবটি, ঢ্যাঁড়শ, ঝিঙ্গেসহ বিভিন্ন সবজির বীজ ও জৈব সার, বীজ সংরক্ষণের পাত্র, নেট বিনা মূল্যে দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: মিষ্টি কুমড়া চাষে কৃষক ওমর ফারুকের সফলতা

এ সময় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া ইসলাম, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ রোকনুজ্জামান, সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. এনামুল হক, শাহাবাদ ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা বিএম জাহিদ শাকিল, শাহাবাদ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. জিয়াউর রহমানসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

হাফিজুল নিলুু/এসইউ/এমএস

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

শাকসবজি

সম্পর্কিত খবর

শাকসবজি

হঠাৎ পানি আর বৃষ্টিতে মুন্সীগঞ্জের ২০ কোটি টাকার সবজি চারার বাজারে ধস, পচছে চারা

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাবে পঞ্চসারের ১০ হেক্টরে আগস্ট-ডিসেম্বরে ১৫-২০ কোটি টাকার চারা বিক্রি হয়; জমিতে পানি জমায় কৃষকেরা চারা লাগাতে না পারায় ক্রেতা নেই, আর ভারী বৃষ্টিতে ফুলকপি, বাঁধাকপি, ব্রকলি, টমেটো, বেগুন ও মরিচের চারা নষ্ট হচ্ছে—৩০-৩৫ বছরে এমন মন্দা দেখেননি চাষিরা।

কৃষি সময়২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
শাকসবজি

২৬ কোটির মিনি কোল্ড স্টোরেজ অকার্যকর: ডিএইর তদন্ত বলছে আর সম্প্রসারণ নয়

ডিএইর তদন্ত দল ২৬টি হিমাগার ঘুরে দেখেছে অধিকাংশ বন্ধ বা খুঁড়িয়ে চলছে, সৌরবিদ্যুতের বদলে গ্রিডে চলায় বিল বাড়ছে, আলুতে ১৫ দিনে অঙ্কুর; দুই প্রকল্পে ১৮০টির জায়গায় ১৫০টি হয়েছে, ৫০টি বিদ্যুৎ-সংযোগহীন; বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক নয় বলে সম্প্রসারণ না করার সুপারিশ।

দেশ রূপান্তর২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
শাকসবজি

পদ্মার পানিতে রাজশাহীর তিন উপজেলায় ৩০৯ হেক্টরের ফসল প্লাবিত, চরের সবজি পচে গেছে

উজানের পানিতে পবা, বাঘা ও গোদাগাড়ীর চরে ৩০৯ দশমিক ৫৯ হেক্টর ফসলি জমি ডুবেছে—সবজি ৪৫, মাষকলাই ৮৫, হলুদ ১০২ হেক্টরসহ; কসবা ও আলিমগঞ্জের কৃষকদের পটোল, শসা, করলা ও আগাম কপি পচে গেছে, কৃষি বিভাগ বলছে আল উঁচু করে প্রায় ৬০ শতাংশ ফসল রক্ষা করা গেছে।

প্রথম আলো২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()