অক্টোবরের শুরুতে ভোরের আলো ফুটতেই গাছতলায় দেখা যায় সাদা-কমলা ছোট ফুলের ছড়াছড়ি, বাতাসে মিষ্টি সুবাস। বার্তা২৪-এর ফিচার ডেস্ক লিখেছে, শিউলি ফুটলেই শরতের উপস্থিতি আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
শিউলি রাতে ফোটে আর ভোর হওয়ার আগেই ঝরে পড়ে। তাই সকালে সবুজ ঘাসের ওপর ছড়িয়ে থাকে অসংখ্য সাদা পাপড়ি, মাঝখানে কমলা বোঁটা। সাদা পাপড়ি আর কমলা বোঁটার এই ছোট ফুলের সৌন্দর্য বেশিক্ষণ টেকে না, আর এই ক্ষণস্থায়িত্বই শিউলিকে আলাদা করেছে।
শিউলির গন্ধ তীব্র নয়, তবে চারপাশে ছড়ালে সহজেই বোঝা যায় কাছাকাছি কোথাও শিউলি ফুটেছে। ভোরের ঠান্ডা বাতাসের সঙ্গে মিশে সেই সুবাস শরতের পরিচিত আবহ তৈরি করে। অনেকের শৈশবের স্মৃতিতে আছে ভোরে ছোট ঝুড়ি হাতে শিউলি কুড়ানো আর মালা গাঁথা।
সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত শিউলি বেশি দেখা যায়। এ সময় বর্ষার ভেজাভাব কমে আসে, আকাশে সাদা মেঘের আনাগোনা বাড়ে, ভোরের বাতাসে হালকা শীতলতা আসে।
গ্রাম আর মফস্বলের পাশাপাশি শহরেও পুরোনো বাড়ির আঙিনা, স্কুলের মাঠ, পার্ক বা রাস্তার ধারের গাছের নিচে এখনো ঝরা শিউলি মেলে। তবে বড় গাছ আর খোলা জায়গা কমে যাওয়ায় অনেক শহুরে মানুষের কাছে শিউলি এখন পুরোনো দিনের স্মৃতির মতো, লিখেছে বার্তা২৪।
ছবি: JDP90 (Joydeep) / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: বার্তা২৪





মন্তব্য
(০)