মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার বুতুনী খালে সেতু না থাকায় দুই পাড়ের মানুষের ভরসা ঘুরপথের কাঁচা সড়ক, আর কৃষিপণ্য ও কাঁচামাল হাট-বাজারে নিতে ঘুরতে হচ্ছে ৭ থেকে ৮ কিলোমিটার। মানবজমিনের শিবালয় সংবাদদাতার প্রতিবেদন অনুযায়ী, দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগের মধ্যে ১০ মিটার সেতু নির্মাণের প্রস্তাব পাঠানোর কথা জানিয়েছে উপজেলা প্রকৌশলী দপ্তর।
বুতুনী মৌজায় বড় বুতুনী বাজারসংলগ্ন আসমা বেগমের বাড়ির কাছে খালের ওপর সেতুর দাবি স্থানীয়দের; সেতু হলে চলাচল সহজ হবে এবং কৃষিপণ্য দ্রুত বাজারজাত করা যাবে। স্থানীয়রা জানান, এখন ৭-৮ কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা পাড়ি দিতে গিয়ে বর্ষায় দুর্ভোগ বাড়ে এবং কৃষকদের উৎপাদন খরচ বেড়ে যায়; খালের ওপারের কবরস্থানে মরদেহ নিতেও ভোগান্তি হয়।
স্থানীয় প্রতিনিধি সোবজেল জানান, সেতুর জন্য ২০২২-২৩ অর্থবছরে এবং সর্বশেষ ২০২৫ সালের ১৫ নভেম্বর সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন করা হয়েছে; একাধিকবার সরেজমিন পরিদর্শন হলেও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
উপজেলা প্রকৌশলী মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, অনেকগুলো প্রকল্পের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে এবং আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সেতু নির্মাণ প্রকল্পে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে; তবে প্রস্তাব পাঠানোর তারিখ তিনি জানাতে পারেননি এবং সম্ভাব্য ব্যয়ও নির্ধারিত হয়নি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনীষা রাণী কর্মকার বলেন, তিনি এ বিষয়ে অবগত নন; উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তাহমিনা আক্তার চৌধুরীর বক্তব্য একাধিকবার চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি। খেত থেকে হাট পর্যন্ত ৮ কিলোমিটারের ঘুরপথ কাঁচা সবজি ও ফসলের দাম ও মানে যে ক্ষতি করে, বুতুনীর কৃষকদের কাছে সেতুটি সেই হিসাবের প্রশ্ন।
সূত্র: মানবজমিন — প্রতিবেদন: শিবালয় (মানিকগঞ্জ) সংবাদদাতা




মন্তব্য
(০)