সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩০°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৭৫%বাতাস ১০ কিমি/ঘ

হাওরের কৃষিতে ৪০ বছর: জাপানি উন্নয়ন গবেষক তেৎসুও সুৎসুইয়ের বাংলাদেশ

১৯৮৫ সালে জাইকার স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে এসে কুমিল্লা বার্ডে মাছ চাষ সম্প্রসারণ দিয়ে শুরু; শাপলা নীড়ের মহাসচিব হয়ে অবসর নেওয়ার পর নিজের সংস্থা শেয়ার দ্য প্ল্যানেট অ্যাসোসিয়েশন নিয়ে হাওর ও দক্ষিণ-পশ্চিমের নয় জেলায় জলবায়ু-সহনশীল কৃষির ১৪টি উদ্যোগ চালাচ্ছেন তিনি।

সংবাদ

বাংলাদেশের হাওরাঞ্চলের কৃষি অর্থনীতি ও প্রান্তিক মানুষের জীবনমান নিয়ে চার দশক ধরে কাজ করছেন জাপানি উন্নয়ন গবেষক তেৎসুও সুৎসুই। ডেইলি বাংলাদেশে প্রকাশিত এস এম মুকুলের এক ফিচারে উঠে এসেছে তাঁর সেই পথচলা—১৯৮৫ সালে ২৩ বছর বয়সে জাইকার স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে বাংলাদেশে আসা থেকে আজকের জলবায়ু-সহনশীল কৃষি কর্মসূচি পর্যন্ত।

ফিচার অনুযায়ী, ১৯৮৬ সালে জাইকার একটি প্রকল্পে মাছ চাষ সম্প্রসারণের জুনিয়র এক্সপার্ট হিসেবে কুমিল্লার বার্ডে কাজ শুরু করেন তিনি। ১৯৯৪ সালে জাপানি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা শাপলা নীড়ের ফান্ড রেইজিং কোঅর্ডিনেটর হিসেবে ফিরে আসেন; ১৯৯৬ সালে সংস্থাটির টোকিও সচিবালয়ের ফেয়ার ট্রেড বিভাগের প্রধান এবং ১৯৯৮ সালে বাংলাদেশে আবাসিক প্রতিনিধি হন। এ সময় নরসিংদী, কিশোরগঞ্জ, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জে সংস্থাটির কার্যক্রম ছড়িয়ে দেন তিনি।

সাহায্যের দিকে না তাকিয়ে নিজস্ব সম্পদের ব্যবহারে আত্মনির্ভরশীলতা—এই নীতিতে কাজ করা সুৎসুই ২০০২ সালে শাপলা নীড়ের উপ-মহাসচিব এবং ২০০৮ সালে মহাসচিব হন; ২০১৪ সালে অবসর নিয়ে গড়ে তোলেন নতুন সংস্থা ‘শেয়ার দ্য প্ল্যানেট অ্যাসোসিয়েশন’। হবিগঞ্জের হাওর এলাকায় জাইকার সহায়তায় স্থানীয় এনজিও এসেডের মাধ্যমে সংস্থাটি একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।

তাঁর বর্তমান কাজের পরিধি দুটি অঞ্চল: উত্তর-পশ্চিমের কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা, যশোর ও সাতক্ষীরা এবং উত্তর-পূর্বের নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চল—যেখানে জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ-সহনশীল কৃষি প্রযুক্তির প্রসার ও চাষাবাদ ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে স্থানীয় এনজিওদের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম চলছে। ফিচার অনুযায়ী তিনি অন্তত ১৪টি উন্নয়ন উদ্যোগ চালু রেখেছেন, যেগুলোর সহায়তার প্রায় ৮০ শতাংশ সম্পদ সরাসরি সুবিধাভোগীর হাতে পৌঁছায়।

বাংলাদেশে তিনি ‘সিসিএএএন’ নামে একটি নেটওয়ার্কও গড়েছেন, যেখানে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি), বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি), আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ইরি), হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, টয়োটা ফাউন্ডেশন, জাপানের কৃষি ও জলবায়ুবিষয়ক কয়েকটি সরকারি সংস্থা এবং বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের ১৪টি কৃষিভিত্তিক এনজিও উন্নয়ন কৌশল, তথ্য ও সম্পদ ভাগাভাগি করে।

হাওর কেন গুরুত্বপূর্ণ, ফিচারটি তার হিসাবও দিয়েছে: দেশের মোট আয়তনের প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ হাওর, সাত জেলার ৫৩ উপজেলা জুড়ে; দেশের বোরো ধানের ৬০ শতাংশ, গবাদিপশুর প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ এবং হাঁসের প্রায় ২২ শতাংশ এ অঞ্চলের। সেই সঙ্গে কৃষিজমিতে অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক প্রয়োগে জলাশয়ের অক্সিজেন কমে মাছসহ জলজ প্রাণীর ক্ষতির কথাও বলা হয়েছে।

মানবকল্যাণে কাজের স্বীকৃতি হিসেবে সুৎসুই জাপানের আসাহি সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার অ্যাওয়ার্ড, ওকিনাওয়া পিস প্রাইজ, হিরোশিমা পিস প্রাইজ, এক্সেলেন্ট এনপিও অ্যাওয়ার্ড ও জাপান পার্টনারশিপ প্রাইজ পেয়েছেন। ফিচারের লেখক এস এম মুকুল সাংবাদিক, অর্থনীতি বিশ্লেষক ও উন্নয়ন গবেষক; প্রতিবেদনটি ডেইলি বাংলাদেশের।

সূত্র: ডেইলি বাংলাদেশ

ডেইলি বাংলাদেশদা এগ্রো নিউজ

সংবাদ

সম্পর্কিত খবর

সংবাদ

সেন্টমার্টিনের গভীর সমুদ্রে মিয়ানমারগামী বোটে ১২ টন ইউরিয়া, পেঁয়াজ-রসুন জব্দ

শুক্রবার গভীর রাতে ছেঁড়া দ্বীপের দক্ষিণ-পূর্বে ধাওয়া করে বোটটি আটক করে কোস্ট গার্ড; ২৪০ বস্তা ইউরিয়াসহ জব্দ পণ্যের আনুমানিক মূল্য ১৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা—আমনের ভরা মৌসুমে সার পাচারের চেষ্টা অভ্যন্তরীণ সরবরাহে চাপ ফেলতে পারে বলে সংশ্লিষ্টদের মত।

বাংলা ট্রিবিউন১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
সংবাদ

সিনেট কমিটিতে ১২-১১ ভোটে ফার্ম বিল পাস; ই১৫ ও মাংসের লেবেলে খুশি কৃষি সংগঠনগুলো

মার্কিন সিনেটের কৃষি কমিটি ১২-১১ ভোটে অ্যাগ্রিকালচারাল অ্যাক্ট অব ২০২৬ পূর্ণ সিনেটে পাঠিয়েছে; পশুখাদ্য, সয়াবিন, ভুট্টা, দুগ্ধ, শূকর, জোয়ার, গরু, সার ও বিশেষ ফসলের সংগঠনগুলো নিজ নিজ অগ্রাধিকার তুলে ধরে বিলটিকে সমর্থন জানিয়েছে।

Morning Ag Clips১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
সংবাদ

আমেরিকার সবচেয়ে প্রাণঘাতী পেশার তালিকায় ১১ নম্বরে কৃষি, প্রতি লাখ শ্রমিকে মৃত্যু ১৯.৪

শ্রম পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যে মানিগিকের বিশ্লেষণ: ২০২৪ সালে কর্মস্থলে মারা গেছেন ১৭৫ জন কৃষক, র‍্যাঞ্চার ও কৃষি ব্যবস্থাপক এবং আরও ১৪৭ জন কৃষিশ্রমিক; প্রধান কারণ পরিবহন দুর্ঘটনা; মৃত্যুহার জাতীয় গড়ের প্রায় ছয় গুণ।

Farms.com১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()
হাওরের কৃষিতে ৪০ বছর: জাপানি উন্নয়ন গবেষক তেৎসুও সুৎসুইয়ের বাংলাদেশ | দা এগ্রো নিউজ