সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ২ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩২°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৫৬%বাতাস ৭ কিমি/ঘ

টুকরো আকারে ইলিশ বিক্রি হলে খেতে পারবে গরিবেরাও

দেশের সব শ্রেণিপেশার মানুষ যেন জাতীয় মাছ ইলিশ খেতে পারে সেজন্য ভরা মৌসুমে বাজারে কেটে টুকরো আকারে ইলিশ বিক্রির ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা চেয়ে সরকারের প্রতি আবেদন জানানো হয়েছে। চড়া দামের বাজারে ইলিশকে 'উচ্চবিত্ত শ্রেণির ভোগ্যপণ্য' উল্লেখ করে আবেদনে বলা হয়, পিস আকারে বিক্রি হলে মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্ত

দেশের সব শ্রেণিপেশার মানুষ যেন জাতীয় মাছ ইলিশ খেতে পারে সেজন্য ভরা মৌসুমে বাজারে কেটে টুকরো আকারে ইলিশ বিক্রির ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা চেয়ে সরকারের প্রতি আবেদন জানানো হয়েছে। চড়া দামের বাজারে ইলিশকে 'উচ্চবিত্ত শ্রেণির ভোগ্যপণ্য' উল্লেখ করে আবেদনে বলা হয়, পিস আকারে বিক্রি হলে মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্ত তথা গরিবেরাও ইলিশ খেতে পারবে।

বুধবার (২৭ আগস্ট) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সরকারের সংশ্লিষ্টদের কাছে এ আবেদন করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শহিদুল ইসলাম। তিনি নিজেই বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন।

আবেদনে বলা হয়, জাতীয় মাছ ইলিশ আমাদের জাতীয় গৌরবের প্রতীক এবং বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এক অমূল্য সম্পদ। সামাজিক, ধর্মীয় ও পারিবারিক অনুষ্ঠানে ইলিশের উপস্থিতি আমাদের জীবনযাত্রার অংশ হয়ে আছে। অথচ দুঃখের বিষয়, দেশের সাধারণ জনগণ, বিশেষত মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত শ্রেণি ভরা মৌসুমেও ইলিশ খেতে পারে না।

নব্বইয়ের দশক পর্যন্ত একটি পরিবার সহজেই বাজার থেকে ইলিশ কিনে খেতে পারতো। কিন্তু বর্তমান সময়ে ইলিশের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে। এর অন্যতম প্রধান কারণ- সরকার নির্ধারিত কোনো ন্যায্যমূল্য নেই। ফলে ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমতো দাম নির্ধারণ করে বিক্রি করছেন।

আবেদনে আরও বলা হয়, বাজারে ইলিশ মাছ টুকরো আকারে বিক্রির কোনো ব্যবস্থা না থাকায় ক্রেতারা অল্প পরিমাণে, যেমন এক-দুই টুকরো ইলিশ মাছ কিনতে পারছেন না। এতে ইলিশ শুধু উচ্চবিত্ত শ্রেণির ভোগ্যপণ্য হিসেবে সীমাবদ্ধ হয়ে যাচ্ছে। বাস্তবতা হলো, ইলিশ আহরণকারী জেলেরা সরকারি বিভিন্ন প্রকল্প, ভর্তুকি ও সুবিধা ভোগ করে থাকেন, অথচ ভোক্তাপর্যায়ে সাধারণ মানুষ ন্যায্যমূল্যে ইলিশ কেনার অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

ইলিশ হলো একটি প্রাকৃতিক সম্পদ, যা সমুদ্র ও নদীতে স্বাভাবিকভাবে প্রজনন ও উৎপাদিত হয়- এর উৎপাদন খরচ প্রায় নেই বললেই চলে। তবুও ভরা মৌসুমে বাজারে ইলিশের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি জাতির জন্য বেদনার বিষয় বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

এতে বলা হয়, সাধারণ মানুষ ইলিশ ভোগ থেকে বঞ্চিত হলে ক্রমে এটি এক শ্রেণির জন্য সীমাবদ্ধ হয়ে পড়বে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।

এসব বিষয় বিবেচনা করে বাজার মনিটরিং কার্যক্রম জোরদার করা, ইলিশের দাম নিয়ন্ত্রণে আনা, জনগণের কাছে বিক্রয় সংক্রান্ত তথ্যাদি সম্প্রচারের ব্যবস্থার পাশাপাশি বাজারে ইলিশ মাছ টুকরো আকারে বিক্রির বাধ্যতামূলক ব্যবস্থা প্রবর্তনের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সদয় দৃষ্টি ও যথাযথ পদক্ষেপ চাওয়া হয় আবেদনে।

এফএইচ/এমকেআর/জিকেএস

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

পদ্মা-যমুনার মোহনায় জেলের জালে ৭২ কেজির তিন মাছ, বিক্রি প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজারে

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ার কাছে পদ্মা-যমুনার মোহনায় জেলে সেকেন হালদারের জালে ধরা পড়েছে ২৫ ও ২২ কেজির দুটি কাতল এবং ২৫ কেজির একটি বাঘাইড়; নিলাম আর পরের হাতবদলে তিনটি মাছের দাম দাঁড়ায় প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

এগ্রিকেয়ার২৪৩ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মৎস্য

দিরাইয়ের হাওরে কমছে দেশীয় মাছ, কারণ বলছেন কীটনাশক আর বিলে বিষ

সুনামগঞ্জের দিরাইয়ের হাওর, খাল ও বিলে সারাদিন জাল ফেলেও দেশীয় মাছ মিলছে না; স্থানীয়রা ধানখেতে রাসায়নিকের অতিরিক্ত ব্যবহার, ইজারা দেওয়া বিলে বিষ প্রয়োগ ও প্রজননক্ষেত্র নষ্ট হওয়াকে দায়ী করছেন।

কৃষি সময়৩ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মৎস্য

কিশোরগঞ্জের মেঘনা বিলে তিন ফসলি জমিতে মাছের ঘের, মাটি যাচ্ছে ইটভাটায়

কিশোরগঞ্জ সদরের মেঘনা বিলে তিন ফসলি জমি কেটে মাছের ঘের তৈরি ও সেই মাটি ইটভাটায় বিক্রির অভিযোগ তুলেছেন কৃষকেরা; বাঁধে পাঁচ বিলের পানি আটকে আমন-বোরো ডোবার আশঙ্কা।

কৃষি সময়৩ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)