সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ৭ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা৩০°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬৪%বাতাস ৪ কিমি/ঘ

মার্সেল ব্রুইন্স: ইউরোপের বীজ খাতে প্রজননবিদের অধিকার ও পেটেন্ট দুটোই দরকার

সিড ওয়ার্ল্ড ইউরোপের সম্পাদকীয় পরিচালক মার্সেল ব্রুইন্স তাঁর কলামে লিখেছেন, জাত সুরক্ষা ও পেটেন্ট আলাদা জিনিস রক্ষা করে, ইউরোপের জাতে পেটেন্টের দাপটের প্রমাণ তথ্যে নেই, আর আসল প্রশ্ন হলো ব্যবহারের সুযোগ।

মার্সেল ব্রুইন্স: ইউরোপের বীজ খাতে প্রজননবিদের অধিকার ও পেটেন্ট দুটোই দরকার
মতামত

প্রজননবিদের অধিকার আর পেটেন্ট পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, ইউরোপের বীজ খাতের দুটোই দরকার। সিড ওয়ার্ল্ড ইউরোপের সম্পাদকীয় পরিচালক মার্সেল ব্রুইন্স (Marcel Bruins) সাময়িকীটির সিড সেক্টর ২০৪৫ সিরিজের এক কলামে এই যুক্তি দিয়েছেন। মতামত লেখকের নিজস্ব।

ব্রুইন্সের মতে, মেধাস্বত্ব নিয়ে বিতর্ক জট পাকায় কারণ আলাদা আলাদা আইনি হাতিয়ারকে এক করে দেখা হয়। ইউরোপীয় ইউনিয়নের জাত সুরক্ষা ব্যবস্থা নতুন, স্বতন্ত্র, সমরূপ ও স্থিতিশীল জাতকে রক্ষা করে, আর এতে প্রজননবিদের ছাড় আছে: সুরক্ষিত জাত দিয়েও যে কেউ নতুন জাত উদ্ভাবন করতে পারেন। পেটেন্ট রক্ষা করে কারিগরি উদ্ভাবন, যেমন নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য বা পদ্ধতি; ইউরোপে জাত নিজে বা মূলত জৈবিক প্রক্রিয়া পেটেন্টযোগ্য নয়। ইউরোপীয় পেটেন্ট আদালতের চুক্তিতেও সীমিত প্রজনন ছাড় আছে, তবে নতুন জাতে পেটেন্ট করা বৈশিষ্ট্য থেকে গেলে বিক্রির জন্য লাইসেন্স লাগে।

পেটেন্ট বীজ খাত দখল করছে, এই ধারণার বিপক্ষে তিনি পরিসংখ্যান দেন। অ্যালটিয়াস সমন্বিত এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, নতুন জিনোমিক কৌশলে (এনজিটি) তৈরি উদ্ভিদসংক্রান্ত বিশ্লেষিত ইউরোপীয় আবেদনের মাত্র প্রায় ৩০ শতাংশ পেটেন্ট পেয়েছে, যেখানে সব খাত মিলিয়ে ইউরোপীয় পেটেন্ট অফিসের হিসাবে হার প্রায় ৬০ শতাংশ। বিশ্লেষিত ফসলগুলোতে ২০২৪ সালে নিবন্ধিত জাতের আনুমানিক ২.৯ থেকে ৪ শতাংশে পেটেন্ট করা বৈশিষ্ট্য ছিল; উৎপাদন মূল্যের হিসাবে তা ১.৬ থেকে ২.১ শতাংশ।

জাত সুরক্ষাও সর্বব্যাপী নয় বলে লেখেন তিনি। ইইউআইপিও ও সিপিভিওর যৌথ সমীক্ষায় সুরক্ষিত জাতের অংশ মাঠ ফসলে ২৫ শতাংশ, ফলে ১২ শতাংশ, সবজিতে ১৯ শতাংশ আর শোভাবর্ধক উদ্ভিদে ৯৭ শতাংশ। একই সমীক্ষার হিসাবে, ১৯৯৫ থেকে ২০১৯ সালের প্রজনন অগ্রগতি না থাকলে ২০২০ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নে মাঠ ফসলের উৎপাদন ৬.৪ শতাংশ কম হতো; এই অগ্রগতির সঙ্গে প্রায় ১ হাজার ৩০০ কোটি ইউরোর জিডিপি, প্রায় ৯০ হাজার সরাসরি কর্মসংস্থান এবং বছরে আনুমানিক ৬ কোটি ২০ লাখ টন গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ এড়ানোর হিসাব যুক্ত। কার্যকর সুরক্ষার প্রায় ৬০ শতাংশ ছোট প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির হাতে।

ব্রুইন্সের কাছে আসল পরীক্ষা হলো ব্যবহারের সুযোগ। জাতের সঙ্গে পেটেন্টের তথ্য মেলানো পিন্টো ডেটাবেস এবং সবজি ও মাঠ ফসলের লাইসেন্সিং প্ল্যাটফর্মের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, লাইসেন্সের খরচ ও কাজের স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগের জবাব ঢালাও নিষেধাজ্ঞা নয়, স্বচ্ছতা ও লাইসেন্সিং। ইউরোপীয় ইউনিয়নের এনজিটি বিধিমালা গৃহীত হওয়ায় বীজ খাতের উচিত আচরণবিধি তৈরিতে অংশ নেওয়া, আর চলমান জাত সুরক্ষা মূল্যায়ন যেন প্রয়োগ, খামারে রাখা বীজ ও ডিজিটালাইজেশনের মতো বিষয়েই সীমিত থাকে, পেটেন্ট নীতি আবার খুলে না বসে।

শেষে তিনি লেখেন, অনুমানযোগ্য মেধাস্বত্ব নিয়ম না থাকলে আরও উদ্ভাবন বাণিজ্যিক গোপনীয়তার আড়ালে থেকে যাবে; জলবায়ু-সহনশীল ও কম উপকরণে চাষের জাত উদ্ভাবনে ভারসাম্যপূর্ণ ব্যবস্থাই ভিত্তি।

ছবি: Michael Trolove / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 2.0)

সূত্র: Seed World Europe

Seed World Europeসূত্র

মতামত

সম্পর্কিত খবর

মতামত

মতামত: ডিসেম্বরে শেষ গঙ্গা চুক্তি, নবায়ন নয়, দরকার ন্যায্য ও বিজ্ঞানভিত্তিক নতুন চুক্তি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের সহযোগী অধ্যাপক খায়ের মাহমুদ লিখেছেন, ১৯৯৬ সালের চুক্তিতে শুষ্ক মৌসুমে ন্যূনতম প্রবাহের নিশ্চয়তা, পরিবেশগত প্রবাহ ও বাধ্যতামূলক বিরোধ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা নেই; মেয়াদ শেষে অন্তর্বর্তী শূন্যতার ঝুঁকিও আছে।

বাংলা ট্রিবিউন৭ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মতামত

তিমির ভাষা, সমুদ্রের কোলাহল: বিজ্ঞানবক্তা আসিফের কলাম

আজকের পত্রিকায় বিজ্ঞানবক্তা আসিফ লিখেছেন, প্রজেক্ট সেটির গবেষণায় স্পার্ম তিমির শব্দসংকেতে ব্যাকরণের মতো বিন্যাস ধরা পড়ছে, অথচ জাহাজ, সোনার ও বিস্ফোরণের শব্দে তিমিদের সমুদ্র ক্রমেই অসহনীয় হয়ে উঠছে।

আজকের পত্রিকা৭ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মতামত

দহ হারালে দেশি মাছ ফিরবে কোথায়: করতোয়ার গোসাঁইয়ের দহ রক্ষার প্রস্তাব

সার্ক কৃষি কেন্দ্রের মৎস্য বিশেষজ্ঞ ড. মো. শরীফুল ইসলাম প্রথম আলোয় লিখেছেন, শেরপুরের গোসাঁইয়ের দহের অবশিষ্ট অংশ রক্ষা ও নদীর সংযোগ ফেরানোই প্রথম কাজ; পোনা ছাড়ার আগে জরিপ দরকার।

প্রথম আলো৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)