রাশিয়ার সাইবেরিয়ার ইরকুটস্ক অঞ্চলের একটি অ্যান্টি-প্লেগ গবেষণাগারের কর্মীর মৃত্যুর পর প্লেগ নিয়ে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। এই সময়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরকুটস্ক অ্যান্টি-প্লেগ ইনস্টিটিউটের ২৮ বছর বয়সী টেকনিশিয়ান ডারিয়া শিপিলোভা অত্যন্ত সংক্রামক নিউমোনিক প্লেগে আক্রান্ত হয়ে বৃহস্পতিবার মারা যান।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, ২৫ সেপ্টেম্বর কাজের সময় প্লেগের জীবন্ত ব্যাকটেরিয়াসহ একটি টেস্টটিউব তাঁর হাত থেকে পড়ে ভেঙে যায়। কিছুদিন পর তীব্র শ্বাসকষ্ট ও নিউমোনিয়ার লক্ষণ দেখা দিলে তাঁকে শেলেখভের একটি হাসপাতালে ভেন্টিলেটরে রাখা হয়। তবে টেস্টটিউবই সংক্রমণের নিশ্চিত উৎস কি না, তা সরকারিভাবে চূড়ান্ত হয়নি।
তাঁর সংস্পর্শে আসা বা একই হাসপাতালে যাতায়াত করা অন্তত ১৯৭ জনকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে, এর ১০০-র বেশি হাসপাতালে আইসোলেশনে। শেলেখভ জেলা হাসপাতালের বড় একটি অংশ কোয়ারেন্টাইন করা হয়েছে। স্বস্তির খবর, প্রাথমিক পরীক্ষায় এখনো কারও শরীরে প্লেগের জীবাণু মেলেনি।
ইরকুটস্ক কর্তৃপক্ষ রোগটিকে ‘বিশেষভাবে বিপজ্জনক সংক্রমণ’ বলেছে। প্রতিবেশী বুরিয়াতিয়ার প্রধান প্রথমে প্লেগে মৃত্যুর কথা বললেও পরে ‘প্লেগে মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে’ বলে বক্তব্য সংশোধন করেন।
প্লেগের জীবাণু ইয়ারসিনিয়া পেস্টিস। এর মধ্যে নিউমোনিক প্লেগ সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ, কারণ তা সরাসরি ফুসফুসে সংক্রমণ ঘটায় এবং কাশির সময় থুতুর ছিটার মাধ্যমে মানুষ থেকে মানুষে ছড়াতে পারে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দ্রুত অ্যান্টিবায়োটিক চিকিৎসা শুরু না হলে ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রোগীর মৃত্যু হতে পারে।
প্রতিবেদনটি এই সময়ের আন্তর্জাতিক ডেস্কের প্রতিবেদন অবলম্বনে।
ছবি: CDC / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: এই সময়





মন্তব্য
(০)