ভারতের উত্তরপ্রদেশে চাষের জন্য আখের চারটি নতুন উচ্চফলনশীল জাত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যা বহুল চাষ হওয়া কো.০২৩৮ জাতের বিকল্প হবে বলে জানিয়েছে রুরাল ভয়েস। রোগে, বিশেষ করে লাল পচা রোগে কো.০২৩৮ ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ছে। ২৯ সেপ্টেম্বর আখ ও চিনি কমিশনারের সভাপতিত্বে রাজ্যের বীজ আখ ও আখের জাত অবমুক্তি উপকমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।
তিনটি জাত উদ্ভাবন করেছে শাহজাহানপুরের উত্তরপ্রদেশ আখ গবেষণা পরিষদ। আগাম পাকা কো.এস.২৩২৩২ মূল ফসলে হেক্টরপ্রতি গড়ে ৯৫.৫৬ টন ফলন দিয়েছে, যা কো.০২৩৮-এর চেয়ে ৯.৪৪ শতাংশ বেশি; চিনির পরিমাণও বেশি, নভেম্বরে ১৩.১০ থেকে মার্চে ১৪.০৫ শতাংশ। মুড়ি ফসলে ফলন ৮০.৫৭ টন, আর জাতটি লাল পচা রোগ প্রতিরোধী। মাঝারি ও নাবি জাত কো.এস.১৯২৩৫ ও কো.এস.১৮২৩২ হেক্টরপ্রতি গড়ে ৮৭.৫৮ ও ৯২.৩৮ টন ফলন দিয়েছে, যা মানদণ্ড জাত কো.এস.৭৬৭-এর চেয়ে ২১.০১ ও ২৬.৫১ শতাংশ বেশি।
চতুর্থ জাত লক্ষ্ণৌয়ের ভারতীয় আখ গবেষণা ইনস্টিটিউটের আগাম পাকা কো.এলকে.২১২০১, হেক্টরপ্রতি গড় ফলন ৮৬.৫৭ টন, প্রায় কো.০২৩৮-এর সমান; লাল পচা রোগে উচ্চ প্রতিরোধক্ষমতা ও ভালো মুড়ি ফলন আছে, পুরো রাজ্যে চাষের অনুমোদন পেয়েছে।
কমিটি কেন্দ্রীয় সরকারের অবমুক্ত আটটি জাতও গ্রহণ করেছে, যার দুটি পূর্ব উত্তরপ্রদেশের এবং বাকিগুলো পশ্চিম ও মধ্য অঞ্চলের জন্য। কম চাষ হওয়া ছয়টি পুরোনো জাত দুই বছরে বাদ দেওয়া হবে। কমিশনার বলেন, নতুন জাতে আখের উৎপাদনশীলতা, কৃষকের আয় ও চিনি আহরণ বাড়বে।
ছবি: Ravityagijiffy / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: Rural Voice





মন্তব্য
(০)