আন্তর্জাতিক ভুট্টা ও গম উন্নয়ন কেন্দ্র (সিমিট) গত ৩ থেকে ১৪ আগস্ট মেক্সিকোর এল বাতানে তাদের সদর দপ্তরে বাংলাদেশ, বলিভিয়া, ব্রাজিল, চীন, কলম্বিয়া, এল সালভাদর, গুয়াতেমালা, কেনিয়া, মেক্সিকো, পাকিস্তান ও উরুগুয়ের ২২ জন বিশেষজ্ঞকে ভুট্টা ও গমের রোগ নজরদারি, শনাক্তকরণ ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
কর্মশালায় মাঠ পর্যবেক্ষণ, সমন্বিত রোগ ব্যবস্থাপনা, বীজের স্বাস্থ্য ও রোগ প্রতিরোধী জাত উন্নয়নের পাশাপাশি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে গমের ব্লাস্ট, মরিচা রোগ ও ফিউজেরিয়াম হেড ব্লাইট এবং ভুট্টার টার স্পট ও লিথাল নেক্রোসিস। অংশগ্রহণকারীরা পরীক্ষাগার, গ্রিনহাউস ও মাঠে ডিএনএ পৃথককরণ, আণবিক চিহ্নিতকারী দিয়ে রোগ নির্ণয়, ছত্রাকবিষ পরিমাপ ও রোগ যাচাই হাতে-কলমে শিখেছেন, আর মেক্সিকোর জাতীয় উদ্ভিদ সংরক্ষণ কেন্দ্রে দেখেছেন ড্রোনের বহুবর্ণালি ক্যামেরায় ফসলের অস্বাভাবিকতা শনাক্তের পদ্ধতি।
প্রশিক্ষণটি বৈশ্বিক নজরদারি ও পরামর্শ ব্যবস্থার (জিএসএএস) অংশ, যা সিমিট, কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয় ও অংশীদারদের দুই দশকের বেশি সময়ের গম ও ভুট্টা রোগ নজরদারির ওপর দাঁড়িয়ে। এতে প্রায় তাৎক্ষণিক মাঠ পর্যবেক্ষণ, রোগ নির্ণয়, পূর্বাভাস মডেল ও পরামর্শ ব্যবস্থাকে জাত উন্নয়ন ও বীজ ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করা হয়। এর আগের একটি উদ্যোগে ২৫টি দেশের ৫০০-এর বেশি জাতীয় অংশীদারকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল।
সিমিট বলছে, প্রধান খাদ্যশস্যের রোগ উৎপাদন ও খাদ্য সরবরাহ ব্যাহত করতে পারে, তাই আগেভাগে ও তথ্যভিত্তিক সাড়া দেওয়ার সক্ষমতা জরুরি।
ছবি: IAEA Imagebank / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 2.0)
সূত্র: CIMMYT





মন্তব্য
(০)