সাদা ও লাল ক্লোভার, চিকোরি ও প্ল্যান্টেনের মতো বিকল্প গোখাদ্য মেশানো ঘাস নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের খামারে একক পেরেনিয়াল রাইগ্রাসের তুলনায় কেমন ফল দেয়, তা নিয়ে তিন বছরের গবেষণা 'ফরেজ-এস' শুরু করেছে অ্যাগ্রি-ফুড অ্যান্ড বায়োসায়েন্সেস ইনস্টিটিউট (এএফবিআই)।
ফারমানা, ডেরি, অ্যানট্রিম ও ডাউন কাউন্টির উঁচু ও নিচু এলাকার খামার, এএফবিআইয়ের হিলসবরো গবেষণা খামার এবং কৃষি কলেজ ক্যাফ্রের গ্রিনমাউন্ট ও গ্লেনহোয়ারি পাহাড়ি খামার মিলিয়ে আটটি স্থানে পরীক্ষা হবে। ক্যাফ্রে ও অ্যাগ্রিসার্চের সঙ্গে যৌথ এ প্রকল্পে অর্থ দিচ্ছে কৃষি, পরিবেশ ও গ্রামীণ বিষয়ক বিভাগ; নেতৃত্বে ড. ডেভিড প্যাটারসন ও ড. অরেলি অবরি।
পুনরাবৃত্ত পরীক্ষায় মাপা হবে ঘাস জমে ওঠা, জৈববস্তুর ফলন, পুষ্টিমান ও স্থায়িত্ব, আর মাটি, আবহাওয়া ও ব্যবস্থাপনা এগুলোকে কীভাবে প্রভাবিত করে। তথ্যগুলো যাবে এএফবিআইয়ের গ্রেজগ্রো বৃদ্ধি-পূর্বাভাস মডেলে, যা এলাকাভিত্তিক উৎপাদন ও মানের পূর্বাভাস দেবে; ফলাফল কৃষকদের সামনে তুলে ধরা হবে।
প্যাটারসনের তথ্যমতে, লাল ক্লোভার বছরে হেক্টরপ্রতি বাতাস থেকে ২০০ কেজি পর্যন্ত নাইট্রোজেন আবদ্ধ করতে পারে এবং চার দফা সাইলেজ কাটায় হেক্টরপ্রতি ১৫ টন পর্যন্ত শুষ্ক পদার্থ দিতে পারে; মাটির গঠনও উন্নত করে। তবে এর স্থায়িত্ব কম, সাইলেজ ও চারণে সমস্যা আছে, আর একই জমিতে আবার লাল ক্লোভার বোনার আগে চার বছরের বিরতি লাগে।
প্রতিবেদনটি লিখেছেন রিচার্ড হ্যালেরন।
ছবি: Rowan Adams / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: Agriland





মন্তব্য
(০)