গবাদিপশুর রেকর্ড দাম, পর্যাপ্ত পশুখাদ্য ও ফসলের ভালো সম্ভাবনায় অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণ নিউ সাউথ ওয়েলসের কিছু এলাকায় কৃষকদের আত্মবিশ্বাস বেড়েছে; কেউ কেউ ফসলের জমিতে ভেড়া চরাচ্ছেন। অথচ রাজ্যের উত্তরের বড় অংশ খরার কবলে।
রিভারিনার কৃষক গ্রেম গোল্ডার (Graeme Golder) ও তাঁর ছেলে ক্রিস ওয়েস্ট ওয়াইয়ালং নিলামে প্রথম প্রজন্মের সংকর ভেড়ি মাথাপিছু ৬২০ ডলারে বিক্রি করেছেন, যা অস্ট্রেলিয়ার নিলামে রেকর্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে; ৬০০টি ভেড়ির গড় দাম ছিল ৬০৭ ডলার। গোল্ডার বলেন, এই দামে টেমোরার খামারে কিছু ফসলি জমিতে বেশি ভেড়া পালন করাই স্বাভাবিক সিদ্ধান্ত। মার্চের সময়োচিত বৃষ্টিতে পশুখাদ্যও মিলেছে, ফসলও তাঁদের দেখা সেরাগুলোর একটি—ভালো ফসল আর ভালো পশুর দামের এমন মিল বিরল।
ওয়েস্ট ওয়াইয়ালংয়ের পশু ব্যবসায়ী পল কোয়াড জানান, ভেড়ার বাচ্চা, মাংস ও উলের ভালো দামের কারণে অনেকে ভেড়া রেখে দিচ্ছেন এবং ফসল চাষ কিছুটা কমাচ্ছেন। জাতীয় ভেড়ার পাল ছোট হয়ে আসায়ও দাম চড়া; পূর্বাভাস অনুযায়ী পালের আকার ৬ কোটি ৭১ লাখ, যা দুই দশক আগের ৮ কোটি ৫৭ লাখের চেয়ে ২১ শতাংশ কম।
অন্যত্র পরিস্থিতি কঠিন। পণ্য পূর্বাভাস সংস্থা এবারেস বলছে, ২০২৬–২৭ সালে নিউ সাউথ ওয়েলসের শীতকালীন ফসল উৎপাদন ৩০ শতাংশ কমে ১ কোটি ৩১ লাখ টনে নামবে। রাজ্যের খরা সমন্বয়ক রে উইলিস জানান, রাজ্যের প্রায় ৪৫ শতাংশ কোনো না কোনো মাত্রার খরায়; নর্দার্ন টেবলল্যান্ডস ও নর্থ ওয়েস্ট—অ্যাশফোর্ড, গ্লেন ইনেস ও টেন্টারফিল্ডের আশপাশ—বিশেষভাবে শুষ্ক।
সাধারণত পুরোটাই চাষ হওয়া মোরি এলাকায় এ মৌসুমে স্থানীয় সরকার এলাকার মাত্র প্রায় ১০ শতাংশে ফসল বোনা হয়েছে বলে শুনেছেন উইলিস; মুনগিন্ডির স্যাম হিনির মতো কেউ কেউ এবার কোনো ফসলই বোনেননি।
প্রতিবেদনটি লিখেছেন কারা জেফারি, অ্যামেলিয়া বার্নাসকোনি ও জশুয়া বেকার।
ছবি: Amanda Slater / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 2.0)
সূত্র: এবিসি রুরাল





মন্তব্য
(০)