রংপুরের পীরগাছা উপজেলায় অসুস্থ গরুর মাংস কাটা ও খাওয়ার পর ১১ জনের শরীরে অ্যানথ্রাক্সের উপসর্গ দেখা দেয়; নমুনা পরীক্ষায় তিনজনের শরীরে অ্যানথ্রাক্স শনাক্ত হয়েছে। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলার ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. ফিরোজ খান।
তিনি জানান, উপসর্গের খবর পেয়ে ৫ সেপ্টেম্বর রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) একটি দল ১১ জনের নমুনা নেয়। তিনজনের ফল পজিটিভ, বাকিদের নেগেটিভ এসেছে; আক্রান্ত তিনজনই এখন সুস্থ। আক্রান্তরা ছাওলা ইউনিয়নের আদমপুর গ্রামের বাসিন্দা।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গ্রামের সজিব মিয়া কয়েক মাস আগে একটি গরু কিনে পালন শুরু করেন। ২১ আগস্ট গরুটি হঠাৎ অসুস্থ হলে কাউকে না জানিয়ে তিনি সেটি জবাই করে এলাকার মানুষের মধ্যে মাংস ভাগ করেন ও বিক্রি করেন। সেই মাংস কাটা ও খাওয়ার কারণেই উপসর্গ দেখা দেয়।
পীরগাছা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. শাকিল আহমেদ বলেন, মাংস বিক্রির ১০ থেকে ১৫ দিন পর বিষয়টি জানা যায়, কয়েকজনের হাতে ফোসকা দেখা দিয়েছিল। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে এলাকা পরিদর্শন করে আর কোনো গরুকে অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত অবস্থায় পাওয়া যায়নি।
সংক্রমণ ঠেকাতে ওই এলাকার সব গরুকে টিকার আওতায় আনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এখন অ্যানথ্রাক্সের কোনো ঝুঁকি নেই, বেশির ভাগ রোগীর ঘা শুকিয়ে গেছে; অসুস্থ গরুর মাংস যাতে কেউ বিক্রি করতে না পারে, সে বিষয়ে প্রাণিসম্পদ দপ্তর সতর্ক রয়েছে।
প্রতিবেদন: ঢাকা ট্রিবিউন, রংপুর।
সূত্র: ঢাকা ট্রিবিউন




মন্তব্য
(০)