ফিলিপাইনে মুরগির মাংসের উৎপাদন ২০২৬ সালের প্রাক্কলনের চেয়ে ২০২৭ সালে ৫.৮ শতাংশ বেড়ে ১৯ লাখ ২০ হাজার টনে (রেডি-টু-কুক) পৌঁছাবে বলে মার্কিন কৃষি বিভাগের Foreign Agricultural Service (ফরেন অ্যাগ্রিকালচারাল সার্ভিস)-এর এক প্রতিবেদনে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। বৃদ্ধি আসবে পোলট্রি ইন্টিগ্রেটর ও বাণিজ্যিক খামারের সম্প্রসারণ এবং উন্নত জেনেটিক্স, স্বয়ংক্রিয়করণ ও কর্মী প্রশিক্ষণে দক্ষতা বৃদ্ধি থেকে।
ফিলিপাইন পরিসংখ্যান কর্তৃপক্ষের তথ্যে ২০২৬ সালের ১ জুলাই দেশের মোট মুরগির প্রায় ৫৭ শতাংশ ছিল বাণিজ্যিক খামারে—এক বছর আগের চেয়ে প্রায় ১৩ শতাংশ বেশি। কয়েকটি কোম্পানি বড় বিনিয়োগ ঘোষণা করেছে; মধ্য লুসনে ১৬ কোটি পেসোর সম্প্রসারণ এবং একই অঞ্চলে এক বহুজাতিক কৃষি-শিল্প কোম্পানির ৫০ কোটি পেসোর ৪০ হেক্টরের খামার এর মধ্যে আছে।
আফ্রিকান সোয়াইন ফিভার থেকে শূকর খাতের ধীর পুনরুদ্ধারও বৃদ্ধিকে জোর দিচ্ছে। ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে শূকর উৎপাদন বছরে ৫.৬ শতাংশ বাড়লেও পুরো ঘুরে দাঁড়াতে বছর লাগতে পারে; এএসএফ সংকটের চূড়া ২০২১ সালের পর থেকে মুরগির সংখ্যা ২২ শতাংশ বেড়েছে, একই সময়ে শূকরের সংখ্যা কমেছে ৭ শতাংশ।
প্রধান ঝুঁকি এল নিনো—২০২৭ সালের প্রথমার্ধ পর্যন্ত স্থায়ী এবং ২০২৬ শেষের আগে 'খুব শক্তিশালী' হওয়ার পূর্বাভাস। শিল্প-সংশ্লিষ্টদের আশা, বাণিজ্যিক খামারের টানেল-ভেন্টিলেটেড, তাপমাত্রা-নিয়ন্ত্রিত ঘর প্রভাব সীমিত রাখবে; প্রথাগত ঘরের খামারিরা বাড়তি বায়ুচলাচল ও খাওয়ানোর সময়সূচি বদলাচ্ছেন। বাংলাদেশের পোলট্রি খাত—যা একই এল নিনো মৌসুম আর উঠানের খামার থেকে বাণিজ্যিক উৎপাদনে একই রূপান্তরের মুখে—তার জন্য ফিলিপাইনের এই পূর্বাভাস কাছাকাছি তুলনা।
ছবি: Judgefloro / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: The Poultry Site





মন্তব্য
(০)